ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে চট্টগ্রামে ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেফতার কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলা ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

File Photo

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ আসামিকে ফারারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া একই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারায় ৯ জনকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। আজ রবিবার ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত ২৫ আসামির মধ্যে হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানের ফাঁসি বাংলাদেশে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যা মামলায় কার্যকর হয়েছে। এ কারণে তার নাম এ মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন মো. মহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২০ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া সফর উপলক্ষে কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় একটি শক্তিশালী বোমা পাওয়া যায়। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বোমাটি উদ্ধার করে। পরদিন ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি বোমা কোটালীপাড়ার হেলিপ্যাড থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার এসআই নূর হোসেন বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।

এরপর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সি আতিকুর রহমান তদন্ত শেষে ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল যে অভিযোগপত্র দেন, তাতে ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

পরে ২০০৯ সালের ২৯ জুন নতুন করে ৯ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র গোপালগঞ্জ আদালতে দাখিল করা হয়। কিন্তু ততদিনে রাষ্ট্রপক্ষের ৪১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়ে যায়। পরে গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে মামলা দুটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলা ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

আপডেট সময় ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ আসামিকে ফারারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া একই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারায় ৯ জনকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। আজ রবিবার ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত ২৫ আসামির মধ্যে হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানের ফাঁসি বাংলাদেশে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যা মামলায় কার্যকর হয়েছে। এ কারণে তার নাম এ মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন মো. মহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২০ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া সফর উপলক্ষে কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় একটি শক্তিশালী বোমা পাওয়া যায়। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বোমাটি উদ্ধার করে। পরদিন ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি বোমা কোটালীপাড়ার হেলিপ্যাড থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার এসআই নূর হোসেন বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।

এরপর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সি আতিকুর রহমান তদন্ত শেষে ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল যে অভিযোগপত্র দেন, তাতে ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

পরে ২০০৯ সালের ২৯ জুন নতুন করে ৯ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র গোপালগঞ্জ আদালতে দাখিল করা হয়। কিন্তু ততদিনে রাষ্ট্রপক্ষের ৪১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়ে যায়। পরে গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে মামলা দুটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।