ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনকে কটাক্ষ:অভিনেত্রী শাওন, মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ শিক্ষকতার চেয়ে মহান পেশা আর কিছু হতে পারে না: মির্জা ফখরুল ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ করল মিসর, গাজায় আনন্দের ঢেউ ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় স্পিকারের শ্রদ্ধা

জাতীয় সংসদে বিএনপি নেতা তরিকুলের জানাজা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সোমবার সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেষ শ্রদ্ধা ও প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা সোয়া ১১টায় তার মরদেহ নেয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনে।

বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান যুগান্তরকে জানান, তরিকুলের মরদেহ হেলিকপ্টারে নেয়া হবে জন্মস্থান যশোরে। যশোর ঈদগা মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে রোববার বিকালে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।

সন্ধ্যা ৭টায় তরিকুলের মরদেহ হাসপাতাল থেকে তার শান্তিনগরের বাসায় নেয়া হয়।

সৃষ্টি হয় শোকাবহ পরিবেশের। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা একনজর দেখতে ছুটে আসেন। এর পর রাতে তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

যশোর সদর থেকে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য তরিকুল ইসলাম চার-দলীয় জোট সরকারের তথ্য এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি প্রথমে সমাজকল্যাণ এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি ভাইস চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন তরিকুল ইসলাম।

তার মৃত্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. ইসহাক ও মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শোক জানিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতীয় সংসদে বিএনপি নেতা তরিকুলের জানাজা

আপডেট সময় ০১:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সোমবার সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেষ শ্রদ্ধা ও প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা সোয়া ১১টায় তার মরদেহ নেয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনে।

বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান যুগান্তরকে জানান, তরিকুলের মরদেহ হেলিকপ্টারে নেয়া হবে জন্মস্থান যশোরে। যশোর ঈদগা মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে রোববার বিকালে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।

সন্ধ্যা ৭টায় তরিকুলের মরদেহ হাসপাতাল থেকে তার শান্তিনগরের বাসায় নেয়া হয়।

সৃষ্টি হয় শোকাবহ পরিবেশের। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা একনজর দেখতে ছুটে আসেন। এর পর রাতে তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

যশোর সদর থেকে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য তরিকুল ইসলাম চার-দলীয় জোট সরকারের তথ্য এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি প্রথমে সমাজকল্যাণ এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি ভাইস চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন তরিকুল ইসলাম।

তার মৃত্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. ইসহাক ও মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শোক জানিয়েছেন।