ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

জাতীয় সংসদে বিএনপি নেতা তরিকুলের জানাজা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সোমবার সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেষ শ্রদ্ধা ও প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা সোয়া ১১টায় তার মরদেহ নেয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনে।

বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান যুগান্তরকে জানান, তরিকুলের মরদেহ হেলিকপ্টারে নেয়া হবে জন্মস্থান যশোরে। যশোর ঈদগা মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে রোববার বিকালে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।

সন্ধ্যা ৭টায় তরিকুলের মরদেহ হাসপাতাল থেকে তার শান্তিনগরের বাসায় নেয়া হয়।

সৃষ্টি হয় শোকাবহ পরিবেশের। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা একনজর দেখতে ছুটে আসেন। এর পর রাতে তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

যশোর সদর থেকে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য তরিকুল ইসলাম চার-দলীয় জোট সরকারের তথ্য এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি প্রথমে সমাজকল্যাণ এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি ভাইস চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন তরিকুল ইসলাম।

তার মৃত্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. ইসহাক ও মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শোক জানিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ২

জাতীয় সংসদে বিএনপি নেতা তরিকুলের জানাজা

আপডেট সময় ০১:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সোমবার সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেষ শ্রদ্ধা ও প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা সোয়া ১১টায় তার মরদেহ নেয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনে।

বিএনপির প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান যুগান্তরকে জানান, তরিকুলের মরদেহ হেলিকপ্টারে নেয়া হবে জন্মস্থান যশোরে। যশোর ঈদগা মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে রোববার বিকালে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।

সন্ধ্যা ৭টায় তরিকুলের মরদেহ হাসপাতাল থেকে তার শান্তিনগরের বাসায় নেয়া হয়।

সৃষ্টি হয় শোকাবহ পরিবেশের। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা একনজর দেখতে ছুটে আসেন। এর পর রাতে তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

যশোর সদর থেকে চারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য তরিকুল ইসলাম চার-দলীয় জোট সরকারের তথ্য এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি প্রথমে সমাজকল্যাণ এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি ভাইস চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন তরিকুল ইসলাম।

তার মৃত্যুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. ইসহাক ও মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের একাংশের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শোক জানিয়েছেন।