ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্লাকবক্স উদ্ধার, জানা যাবে বিধ্বস্তের কারণ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হওয়া ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারের ব্লাক বক্স উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারীরা। তিনদিনেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চালানোর পর ব্লাকবক্স উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন উদ্ধারকারীরা। গত সোমবার সকালে ১৮৯ যাত্রী নিয়ে জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পর জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয় বিমানটি। বিধ্বস্তের পরই সাগরে ডুবে যাওয়ায় বিমানের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না। খবর বিবিসির।

তবে ব্লাকবক্স উদ্ধার করা গেলেও বিমানে থাকা যাত্রীদের কাউকে জীবিত পাওয়া যায়নি। এছাড়া বিমানের মূল কাঠামোরও সন্ধান পাওয়া যায়নি। অল্প কয়েকজনের মৃতদেহ, ব্যক্তিগত সামগ্রী এবং বিমানের কয়েকট টুকরো সাগরে পাওয়া গেলেও বিমানে থাকা বেশিরভাগ লোক এবং বিমানটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ব্লাকবক্স পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত বিধ্বস্ত হওয়ার কোনো কারণ খুঁজে পায়নি তদন্তাকারীরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্লাকবক্সের রেকর্ড বিশ্লেষণের পর বিমান বিধ্বস্তের কারণ জানা যাবে। ব্লাকবক্সের উদ্ধারকারী হেন্দ্রা রয়টার্সকে বলেন, পুড়ে যাওয়া বিমানের অংশের সঙ্গে সাগরের তলদেশে পড়েছিল ব্লাকবক্সটি।

সোমবার সকাল সাতটা বিশ মিনিটে জাকার্তা থেকে উড্ডয়ন করে লায়ন এয়ারের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি। এর তের মিনিট পর পাইলট আবারো জাকার্তা বিমানবন্দরে ফিরে আসার বার্তা পাঠান। তারপর থেকেই বিমানটির সঙ্গে এয়ার কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হয় যে বিমানটি জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্তের পর বিমানটি পানির নিচে ডুবে যায়। সেখানে মাছ ধরা নৌকায় থাকা এক ব্যক্তি বিমানটির বিধ্বস্ত হওয়ার পর ডুবে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন।

তারপর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে কয়েকজনের মৃতদেহ, সাগরে ভেসে থাকা বিমানযাত্রীদের ব্যক্তিগত কিছু জিনিস, বিমানের কয়েকটি টুকরো ছাড়া তেমন কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শুরুতে বিমানের কেউ বেঁচে রয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও দীর্ঘসময় অনুসন্ধানের পর বিশ্বাস করা হয় যে বিমানের সবাই নিহত হয়েছেন।

বিমানে থাকা ১৮৯ জনের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রণালয়ের ২০জন কর্মকর্তা ছিলেন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়াসহ অন্য দেশের নাগরিকরাও বিমানটিতে ছিলেন। বিমানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ৩১ বছর বয়সি ভারতীয় পাইলট। বিমানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অভিজ্ঞ এবং বিমানটি নতুন বলে জানিয়েছে লায়ন এয়ার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ব্লাকবক্স উদ্ধার, জানা যাবে বিধ্বস্তের কারণ

আপডেট সময় ০১:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হওয়া ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারের ব্লাক বক্স উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারীরা। তিনদিনেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চালানোর পর ব্লাকবক্স উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন উদ্ধারকারীরা। গত সোমবার সকালে ১৮৯ যাত্রী নিয়ে জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পর জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয় বিমানটি। বিধ্বস্তের পরই সাগরে ডুবে যাওয়ায় বিমানের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না। খবর বিবিসির।

তবে ব্লাকবক্স উদ্ধার করা গেলেও বিমানে থাকা যাত্রীদের কাউকে জীবিত পাওয়া যায়নি। এছাড়া বিমানের মূল কাঠামোরও সন্ধান পাওয়া যায়নি। অল্প কয়েকজনের মৃতদেহ, ব্যক্তিগত সামগ্রী এবং বিমানের কয়েকট টুকরো সাগরে পাওয়া গেলেও বিমানে থাকা বেশিরভাগ লোক এবং বিমানটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ব্লাকবক্স পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত বিধ্বস্ত হওয়ার কোনো কারণ খুঁজে পায়নি তদন্তাকারীরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্লাকবক্সের রেকর্ড বিশ্লেষণের পর বিমান বিধ্বস্তের কারণ জানা যাবে। ব্লাকবক্সের উদ্ধারকারী হেন্দ্রা রয়টার্সকে বলেন, পুড়ে যাওয়া বিমানের অংশের সঙ্গে সাগরের তলদেশে পড়েছিল ব্লাকবক্সটি।

সোমবার সকাল সাতটা বিশ মিনিটে জাকার্তা থেকে উড্ডয়ন করে লায়ন এয়ারের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি। এর তের মিনিট পর পাইলট আবারো জাকার্তা বিমানবন্দরে ফিরে আসার বার্তা পাঠান। তারপর থেকেই বিমানটির সঙ্গে এয়ার কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হয় যে বিমানটি জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্তের পর বিমানটি পানির নিচে ডুবে যায়। সেখানে মাছ ধরা নৌকায় থাকা এক ব্যক্তি বিমানটির বিধ্বস্ত হওয়ার পর ডুবে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন।

তারপর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে কয়েকজনের মৃতদেহ, সাগরে ভেসে থাকা বিমানযাত্রীদের ব্যক্তিগত কিছু জিনিস, বিমানের কয়েকটি টুকরো ছাড়া তেমন কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শুরুতে বিমানের কেউ বেঁচে রয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও দীর্ঘসময় অনুসন্ধানের পর বিশ্বাস করা হয় যে বিমানের সবাই নিহত হয়েছেন।

বিমানে থাকা ১৮৯ জনের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রণালয়ের ২০জন কর্মকর্তা ছিলেন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়াসহ অন্য দেশের নাগরিকরাও বিমানটিতে ছিলেন। বিমানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ৩১ বছর বয়সি ভারতীয় পাইলট। বিমানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অভিজ্ঞ এবং বিমানটি নতুন বলে জানিয়েছে লায়ন এয়ার।