ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি ১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে তফসিল ঘোষণার সুযোগ নেই: ইসি মাছউদ রিপাবলিকানদের ভোটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বললেন ট্রাম্প জয়ের ভার্চুয়াল বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া আ.লীগ সমর্থকদের ৪৮ শতাংশের পছন্দ বিএনপি: সিআরএফের জরিপ স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির

বিমান শনাক্তে ড্রোন-সোনার প্রযুক্তি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাভা সাগরে বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানটি শনাক্ত করতে ড্রোন ও সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে উদ্ধার কর্মীরা।

সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০ মিনিটে জাকার্তা ছেড়ে যায় জেটি-৬১০ ফ্লাইটটি। এক ঘণ্টার মধ্যে পাংকাল পিনাংয়ের দেপাতি আমির বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল ফ্লাইটটির। তবে ওড়ার ১৩ মিনিটের মধ্যে কন্ট্রোল প্যানেলের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ফ্লাইটটির। শেষ মুহূর্তে পাইলটকে জাকার্তার সুকর্ন হাত্তা বিমানবন্দরে ফিরে আসতে বলা হয়। বিমানটিকে সর্বশেষ সাগর পাড়ি দিতে দেখা যায়। বিমানটিতে তিন শিশুসহ ১৮১ জন যাত্রী ছিলেন। এ ছাড়া দুজন পাইলট ও ছয়জন কেবিন ক্রু ছিলেন।

বিমানের কোনো ক্রু বা যাত্রী বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। সাগর থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও যাত্রীদের বিভিন্ন জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

উড্ডয়নের মাত্র ১৩ মিনিট পরই কেন বিমানটি বিধ্বস্ত হলো তার কারণ এখনো জানা যায়নি।

বিবিসির হস্তগত হওয়া কারিগরি লগ থেকে জানা যায়, বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগের দিন বালি থেকে জাকার্তা যাওয়ার পথে কারিগরি ত্রুটির মুখোমুখি হয়।

লগে উল্লেখ আছে, বিমানের একটি যন্ত্র ‘অনির্ভরযোগ্য’ ছিল। এই কারণে বিমানের দায়িত্ব প্রথম কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করতে হয়েছিল পাইলটকে।

লায়ন এয়ারের প্রধান কর্মকর্তা এডওয়ার্ড সিরেইত জানান, বিমানটি উড্ডয়নের আগে গত মঙ্গলবার কারিগরি ত্রুটির সমাধান করা হয়েছিল।

সোমবার ফ্লাইট জেটি-৬১০ পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পাংকাল পিনাংয়ের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়ার কিছুক্ষণ পর সমস্যার মুখোমুখি হয়। ১৩ মিনিটের মধ্যে আচমকা এর গতি বেড়ে যায় এবং কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে জাকার্তা উত্তর-পূর্বে জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়।

সাগরে নৌকায় থাকায় লোকজন বলছে, আকাশ থেকে বিমানটি পড়তে তারা দেখেছেন।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুতোপো পুরো নাগরোহ টুইটারে বলেছেন, বিমানটির সর্বশেষ যোগাযোগ পয়েন্ট কারাওয়াং এলাকায় পানিতে সোনার ডিভাইস বসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আশাকরি আজই আমরা বিমানের প্রধান ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করতে পারব।’

তদন্ত কর্মকর্তারা বিমানটির ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। যেটিতে ফ্লাইটের প্রধান তথ্যগুলো সংগৃহীত থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি

বিমান শনাক্তে ড্রোন-সোনার প্রযুক্তি

আপডেট সময় ১২:২৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাভা সাগরে বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানটি শনাক্ত করতে ড্রোন ও সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে উদ্ধার কর্মীরা।

সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০ মিনিটে জাকার্তা ছেড়ে যায় জেটি-৬১০ ফ্লাইটটি। এক ঘণ্টার মধ্যে পাংকাল পিনাংয়ের দেপাতি আমির বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল ফ্লাইটটির। তবে ওড়ার ১৩ মিনিটের মধ্যে কন্ট্রোল প্যানেলের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ফ্লাইটটির। শেষ মুহূর্তে পাইলটকে জাকার্তার সুকর্ন হাত্তা বিমানবন্দরে ফিরে আসতে বলা হয়। বিমানটিকে সর্বশেষ সাগর পাড়ি দিতে দেখা যায়। বিমানটিতে তিন শিশুসহ ১৮১ জন যাত্রী ছিলেন। এ ছাড়া দুজন পাইলট ও ছয়জন কেবিন ক্রু ছিলেন।

বিমানের কোনো ক্রু বা যাত্রী বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। সাগর থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও যাত্রীদের বিভিন্ন জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

উড্ডয়নের মাত্র ১৩ মিনিট পরই কেন বিমানটি বিধ্বস্ত হলো তার কারণ এখনো জানা যায়নি।

বিবিসির হস্তগত হওয়া কারিগরি লগ থেকে জানা যায়, বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগের দিন বালি থেকে জাকার্তা যাওয়ার পথে কারিগরি ত্রুটির মুখোমুখি হয়।

লগে উল্লেখ আছে, বিমানের একটি যন্ত্র ‘অনির্ভরযোগ্য’ ছিল। এই কারণে বিমানের দায়িত্ব প্রথম কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করতে হয়েছিল পাইলটকে।

লায়ন এয়ারের প্রধান কর্মকর্তা এডওয়ার্ড সিরেইত জানান, বিমানটি উড্ডয়নের আগে গত মঙ্গলবার কারিগরি ত্রুটির সমাধান করা হয়েছিল।

সোমবার ফ্লাইট জেটি-৬১০ পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পাংকাল পিনাংয়ের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়ার কিছুক্ষণ পর সমস্যার মুখোমুখি হয়। ১৩ মিনিটের মধ্যে আচমকা এর গতি বেড়ে যায় এবং কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে জাকার্তা উত্তর-পূর্বে জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়।

সাগরে নৌকায় থাকায় লোকজন বলছে, আকাশ থেকে বিমানটি পড়তে তারা দেখেছেন।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুতোপো পুরো নাগরোহ টুইটারে বলেছেন, বিমানটির সর্বশেষ যোগাযোগ পয়েন্ট কারাওয়াং এলাকায় পানিতে সোনার ডিভাইস বসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আশাকরি আজই আমরা বিমানের প্রধান ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করতে পারব।’

তদন্ত কর্মকর্তারা বিমানটির ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। যেটিতে ফ্লাইটের প্রধান তথ্যগুলো সংগৃহীত থাকে।