ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে এসআইএফ একাত্তর আমাদের অস্তিত্ব, একটি গোষ্ঠী সেটিকে পেছনে ফেলতে চায়: মির্জা ফখরুল জাপানে ভারি তুষারপাতে ৩০ জনের প্রাণহানি রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের আবির্ভাব হবে: রিজভী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সব ধর্ম নিয়ে ফুলের বাগানের মতো দেশ সাজাবো ইনশাআল্লাহ: জামায়াত আমির জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া, অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি : বুলু রাজধানীর মানিকনগরে নারী ব্যাংকারের বাসায় ২৭ লাখ টাকার স্বর্ণাালঙ্কার চুরি, গ্রেফতার ২ ঘুষ গ্রহণের দায়ে চীনের সাবেক মন্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

‘বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আজীবন বহিষ্কার’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে। জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম আওয়ামী লীগের যৌথসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। নানা সূচকে দেশ এগিয়ে গেলেও যারা উন্নয়ন দেখে না তাদের বিচার জনগণকেই করতে হবে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি ফোরামের সর্বশেষ যৌথসভা। এ সভায় যোগ দেয় ৭৮ সদস্যের কার্যনির্বাহী সংসদ, ৪১ সদস্যদের উপদেষ্টা পরিষদসহ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত এমপিদের বোর্ড পার্লামেন্টারি পার্টি। শুক্রবার সন্ধ্যা পৌণে সাতটার দিকে গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু করেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে সরকারের উন্নয়ন ও সফলতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে নয় দুর্নীতির দায়েই সাজা ভোগ করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যায়কে প্রশ্রয় এবং হত্যার মতো জঘন্য কাজ যারা করেছেন তাদের পুরস্কৃত করেছে বিএনপি। এমন কি এতিমের নামে যে অর্থ সেটাও আত্মসাৎ করেছেন খালেদা জিয়া। তিনি রাজনৈতিক কারণে কারাদণ্ড পাননি, পেয়েছে দুর্নীতির জন্যে।’

ঐক্যফ্রন্ট রাজনীতির নামে মিথ্যাচার করছে বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। প্রশ্ন তোলেন, সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ব্যাখা থাকা সত্ত্বেও একজন সংবিধান প্রণেতা কী করে নির্বাচনকালীন সরকার নামে সংবিধান পরিপন্থী একটি সরকার দাবি করতে পারে?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭২ সালের সংবিধানে ঠিক যে রকম নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কথা বলা ছিলো আমরা তা মেনেই এগোচ্ছি। একদিকে দাবি করবে সংবিধান রচিয়তা। আবার সেই সংবিধান লঙ্ঘন করার জন্য নির্বাচনের ফর্মুলা দিবে, অনির্বাচিত সরকার গঠন করতে বলবে, সরকারকে পদত্যাগ করতে বলবে, এমন আবদারটা কেন? কার স্বার্থে?’

তিনি বলেন, ‘তারা নির্বাচন না কি চাই সেটাই হচ্ছে বড় কথা। দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং তারা নাকি কোনো উন্নয়নই দেখে না।’

দেশে বহুমুখী উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধারা অব্যাহত রাখাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘ডেলটা প্ল্যান ২১০০ সেটাও আমরা করে রেখেছি। বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতি ধারা যেনো অব্যাহত থাকে। আর সেই গতি অব্যাহত থাকবে যদি আবার আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসতে পারে। মানুষ সুন্দর জীবন পাবে। প্রতিটি গ্রাম শহরে রূপান্তরিত হবে। গ্রামে বসে মানুষ নাগরিক সুবিধা পাবে।’

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় দলীয় মনোনয়ন, ইশতেহার তৈরি, নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের ৪ দিন আগে দল ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

‘বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আজীবন বহিষ্কার’

আপডেট সময় ০১:২০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে। জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম আওয়ামী লীগের যৌথসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। নানা সূচকে দেশ এগিয়ে গেলেও যারা উন্নয়ন দেখে না তাদের বিচার জনগণকেই করতে হবে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতি ফোরামের সর্বশেষ যৌথসভা। এ সভায় যোগ দেয় ৭৮ সদস্যের কার্যনির্বাহী সংসদ, ৪১ সদস্যদের উপদেষ্টা পরিষদসহ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত এমপিদের বোর্ড পার্লামেন্টারি পার্টি। শুক্রবার সন্ধ্যা পৌণে সাতটার দিকে গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু করেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে সরকারের উন্নয়ন ও সফলতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে নয় দুর্নীতির দায়েই সাজা ভোগ করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যায়কে প্রশ্রয় এবং হত্যার মতো জঘন্য কাজ যারা করেছেন তাদের পুরস্কৃত করেছে বিএনপি। এমন কি এতিমের নামে যে অর্থ সেটাও আত্মসাৎ করেছেন খালেদা জিয়া। তিনি রাজনৈতিক কারণে কারাদণ্ড পাননি, পেয়েছে দুর্নীতির জন্যে।’

ঐক্যফ্রন্ট রাজনীতির নামে মিথ্যাচার করছে বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। প্রশ্ন তোলেন, সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ব্যাখা থাকা সত্ত্বেও একজন সংবিধান প্রণেতা কী করে নির্বাচনকালীন সরকার নামে সংবিধান পরিপন্থী একটি সরকার দাবি করতে পারে?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭২ সালের সংবিধানে ঠিক যে রকম নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কথা বলা ছিলো আমরা তা মেনেই এগোচ্ছি। একদিকে দাবি করবে সংবিধান রচিয়তা। আবার সেই সংবিধান লঙ্ঘন করার জন্য নির্বাচনের ফর্মুলা দিবে, অনির্বাচিত সরকার গঠন করতে বলবে, সরকারকে পদত্যাগ করতে বলবে, এমন আবদারটা কেন? কার স্বার্থে?’

তিনি বলেন, ‘তারা নির্বাচন না কি চাই সেটাই হচ্ছে বড় কথা। দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং তারা নাকি কোনো উন্নয়নই দেখে না।’

দেশে বহুমুখী উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধারা অব্যাহত রাখাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘ডেলটা প্ল্যান ২১০০ সেটাও আমরা করে রেখেছি। বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতি ধারা যেনো অব্যাহত থাকে। আর সেই গতি অব্যাহত থাকবে যদি আবার আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসতে পারে। মানুষ সুন্দর জীবন পাবে। প্রতিটি গ্রাম শহরে রূপান্তরিত হবে। গ্রামে বসে মানুষ নাগরিক সুবিধা পাবে।’

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় দলীয় মনোনয়ন, ইশতেহার তৈরি, নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।