ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির জনসভায় যোগ দিতে বরিশালে তারেক রহমান ফিলিস্তিনের পক্ষে স্টিকার লাগানোয় ব্রিটিশ দম্পতিকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ নরসিংদীতে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিতে স্কুল শিক্ষার্থী নিহত, ৩ জন গুলিবিদ্ধ লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফকে গুলি করে হত্যা ‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ

মহানবী (স:)-কে কটূক্তিকারীর সাজা যৌক্তিক: ইউরোপিয় মানবাধিকার আদালত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স:)-কে ‘শিশু যৌন নিপীড়নকারী’ বলায় অস্ট্রিয়ান এক নারীকে দেশটির স্থানীয় আদালত যে সাজা দিয়েছে, তা বহাল রেখেছে ইউরোপের মানবাধিকার আদালত। আদালত বলেছে, ওই মহিলাকে সাজা দিয়ে তার বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘণ করেনি অস্ট্রিয়ার আদালত। এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।

ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস এর রায়ে আরও বলেছে, সাজা দেওয়ার সময় অস্ট্রিয়ার আদালত নিজেদের রায়ে ‘খুব সতর্কভাবেই ওই নারীর বাকস্বাধীনতা ও অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতি সুরক্ষিত রাখার অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রেখেছে।’

সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী ২০০৯ সালে দুটি প্রকাশ্য সেমিনারে দাবি করেছিলেন, নবী মোহাম্মদ (স:)-এর সঙ্গে অল্পবয়সী এক মেয়ের বিয়ে ‘শিশু যৌন নির্যাতনে’র শামিল। ২০১১ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার একটি আদালত তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় মতবাদকে অবজ্ঞা করার অভিযোগে ৪৮০ ইউরো জরিমানা করে। ওই মহিলা এই রায়ের বিরুদ্ধে দেশের উচ্চ আদালতে আপিল করলেও পূর্বের রায় বহাল থাকে।

অগত্যা ইউরোপের সর্বোচ্চ মানবাধিকার আদালতে যান সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী। তার আপিলের প্রেক্ষিতেই মানবাধিকার আদালত বলেছে, অস্ট্রিয়ার আদালতের মূল সিদ্ধান্ত ধর্মীয় শান্তি অক্ষুন্ন রাখার যৌক্তিক উদ্দেশ্য বজায় রেখেছে।

৭ বিচারক বিশিষ্ট আদালত আরও বলেছে, ওই নারীর বক্তব্য ‘বস্তুনিষ্ঠ বিতর্কের অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘণ করেছে।’ এছাড়া এ ধরণের বক্তব্যের কারণে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমাজে ‘গোঁড়া বিশ্বাস’ জন্ম দিতে পারে এমনকি ধর্মীয় শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

ওই নারীর বক্তব্য কেন বাকস্বাধীনতা দ্বারা সুরক্ষিত নয়, তার ব্যাখ্যায় আদালত আরও বলেছে, এ ধরণের বক্তব্য ‘মুসলিমদের মধ্যে যৌক্তিকভাবেই ক্রোধ জন্ম দিতে পারে।’ এছাড়া এসব কথা ‘তথ্যগত ভিত্তি ছাড়াই সাধারণীকরণের শামিল’।।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

মহানবী (স:)-কে কটূক্তিকারীর সাজা যৌক্তিক: ইউরোপিয় মানবাধিকার আদালত

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স:)-কে ‘শিশু যৌন নিপীড়নকারী’ বলায় অস্ট্রিয়ান এক নারীকে দেশটির স্থানীয় আদালত যে সাজা দিয়েছে, তা বহাল রেখেছে ইউরোপের মানবাধিকার আদালত। আদালত বলেছে, ওই মহিলাকে সাজা দিয়ে তার বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘণ করেনি অস্ট্রিয়ার আদালত। এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।

ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস এর রায়ে আরও বলেছে, সাজা দেওয়ার সময় অস্ট্রিয়ার আদালত নিজেদের রায়ে ‘খুব সতর্কভাবেই ওই নারীর বাকস্বাধীনতা ও অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতি সুরক্ষিত রাখার অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রেখেছে।’

সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী ২০০৯ সালে দুটি প্রকাশ্য সেমিনারে দাবি করেছিলেন, নবী মোহাম্মদ (স:)-এর সঙ্গে অল্পবয়সী এক মেয়ের বিয়ে ‘শিশু যৌন নির্যাতনে’র শামিল। ২০১১ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার একটি আদালত তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় মতবাদকে অবজ্ঞা করার অভিযোগে ৪৮০ ইউরো জরিমানা করে। ওই মহিলা এই রায়ের বিরুদ্ধে দেশের উচ্চ আদালতে আপিল করলেও পূর্বের রায় বহাল থাকে।

অগত্যা ইউরোপের সর্বোচ্চ মানবাধিকার আদালতে যান সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী। তার আপিলের প্রেক্ষিতেই মানবাধিকার আদালত বলেছে, অস্ট্রিয়ার আদালতের মূল সিদ্ধান্ত ধর্মীয় শান্তি অক্ষুন্ন রাখার যৌক্তিক উদ্দেশ্য বজায় রেখেছে।

৭ বিচারক বিশিষ্ট আদালত আরও বলেছে, ওই নারীর বক্তব্য ‘বস্তুনিষ্ঠ বিতর্কের অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘণ করেছে।’ এছাড়া এ ধরণের বক্তব্যের কারণে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমাজে ‘গোঁড়া বিশ্বাস’ জন্ম দিতে পারে এমনকি ধর্মীয় শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

ওই নারীর বক্তব্য কেন বাকস্বাধীনতা দ্বারা সুরক্ষিত নয়, তার ব্যাখ্যায় আদালত আরও বলেছে, এ ধরণের বক্তব্য ‘মুসলিমদের মধ্যে যৌক্তিকভাবেই ক্রোধ জন্ম দিতে পারে।’ এছাড়া এসব কথা ‘তথ্যগত ভিত্তি ছাড়াই সাধারণীকরণের শামিল’।।