ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

গাজীপুরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে দুই হাত বিচ্ছিন্ন এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনে দুপুরে হত্যার ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়িক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত ওমর ফারুক কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিগারেটের বিক্রয় প্রতিনিধির গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ফারুক কারখানার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। পরে স্থানীয় সুমন, বাবুল ও তার ৮/১০ জন সহযোগী মাওনা-বারতোপা সড়কের মসজিদ মোড়ে ফারুককে পথরোধ করে। এসময় তাদের কয়েকজন তাকে জোর করে পিকআপে উঠিয়ে কড়ইতলা বাজারে নিয়ে জনসমুক্ষে লোহার রড, চাপাতি, দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে দু’হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক সুমন, বাবুলের সঙ্গে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফারুকের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দিনে দুপুরে রাজপথে নির্মমভাবে দুই হাত কেটে নেয়া এবং নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। আতঙ্কগ্রস্ত ওই এলাকার শিশু ও নারীরা। আর এমন হত্যার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

হত্যার পর গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনের ঘটনার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে তারা।

পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আধিপত্য ও ব্যবসায় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নির্মম এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তি দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা। জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

গাজীপুরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে দুই হাত বিচ্ছিন্ন এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনে দুপুরে হত্যার ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়িক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত ওমর ফারুক কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিগারেটের বিক্রয় প্রতিনিধির গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ফারুক কারখানার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। পরে স্থানীয় সুমন, বাবুল ও তার ৮/১০ জন সহযোগী মাওনা-বারতোপা সড়কের মসজিদ মোড়ে ফারুককে পথরোধ করে। এসময় তাদের কয়েকজন তাকে জোর করে পিকআপে উঠিয়ে কড়ইতলা বাজারে নিয়ে জনসমুক্ষে লোহার রড, চাপাতি, দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে দু’হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক সুমন, বাবুলের সঙ্গে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফারুকের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দিনে দুপুরে রাজপথে নির্মমভাবে দুই হাত কেটে নেয়া এবং নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। আতঙ্কগ্রস্ত ওই এলাকার শিশু ও নারীরা। আর এমন হত্যার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

হত্যার পর গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনের ঘটনার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে তারা।

পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আধিপত্য ও ব্যবসায় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নির্মম এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তি দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা। জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।