ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গাজীপুরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে দুই হাত বিচ্ছিন্ন এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনে দুপুরে হত্যার ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়িক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত ওমর ফারুক কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিগারেটের বিক্রয় প্রতিনিধির গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ফারুক কারখানার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। পরে স্থানীয় সুমন, বাবুল ও তার ৮/১০ জন সহযোগী মাওনা-বারতোপা সড়কের মসজিদ মোড়ে ফারুককে পথরোধ করে। এসময় তাদের কয়েকজন তাকে জোর করে পিকআপে উঠিয়ে কড়ইতলা বাজারে নিয়ে জনসমুক্ষে লোহার রড, চাপাতি, দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে দু’হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক সুমন, বাবুলের সঙ্গে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফারুকের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দিনে দুপুরে রাজপথে নির্মমভাবে দুই হাত কেটে নেয়া এবং নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। আতঙ্কগ্রস্ত ওই এলাকার শিশু ও নারীরা। আর এমন হত্যার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

হত্যার পর গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনের ঘটনার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে তারা।

পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আধিপত্য ও ব্যবসায় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নির্মম এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তি দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা। জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গাজীপুরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে দুই হাত বিচ্ছিন্ন এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনে দুপুরে হত্যার ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়িক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত ওমর ফারুক কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিগারেটের বিক্রয় প্রতিনিধির গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ফারুক কারখানার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। পরে স্থানীয় সুমন, বাবুল ও তার ৮/১০ জন সহযোগী মাওনা-বারতোপা সড়কের মসজিদ মোড়ে ফারুককে পথরোধ করে। এসময় তাদের কয়েকজন তাকে জোর করে পিকআপে উঠিয়ে কড়ইতলা বাজারে নিয়ে জনসমুক্ষে লোহার রড, চাপাতি, দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে দু’হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক সুমন, বাবুলের সঙ্গে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফারুকের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দিনে দুপুরে রাজপথে নির্মমভাবে দুই হাত কেটে নেয়া এবং নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। আতঙ্কগ্রস্ত ওই এলাকার শিশু ও নারীরা। আর এমন হত্যার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

হত্যার পর গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনের ঘটনার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে তারা।

পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আধিপত্য ও ব্যবসায় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নির্মম এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তি দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা। জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।