ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘অনন্তকাল’ যুদ্ধ চালানোর মতো অস্ত্রের মজুত আমেরিকার আছে : ট্রাম্প তেহরান ও বৈরুতে হামলার দাবি ইসরায়েলের গলাকাটা অবস্থায় ইকোপার্কের জঙ্গলে হাঁটা শিশুটি মারা গেছে মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল–ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প হামলা ও সংঘাতের ঘটনা বিশ্ব সভ্যতার জন্য ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল জুলাই সনদের বিরুদ্ধে রায় এলে সংসদ বাতিল হয়ে যাবে: আসিফ সরকারকে বলব, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম শ্রমিক হত্যা মামলায় আইভীর গ্রেপ্তার আবেদন মঞ্জুর

গাজীপুরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে দুই হাত বিচ্ছিন্ন এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনে দুপুরে হত্যার ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়িক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত ওমর ফারুক কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিগারেটের বিক্রয় প্রতিনিধির গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ফারুক কারখানার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। পরে স্থানীয় সুমন, বাবুল ও তার ৮/১০ জন সহযোগী মাওনা-বারতোপা সড়কের মসজিদ মোড়ে ফারুককে পথরোধ করে। এসময় তাদের কয়েকজন তাকে জোর করে পিকআপে উঠিয়ে কড়ইতলা বাজারে নিয়ে জনসমুক্ষে লোহার রড, চাপাতি, দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে দু’হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক সুমন, বাবুলের সঙ্গে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফারুকের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দিনে দুপুরে রাজপথে নির্মমভাবে দুই হাত কেটে নেয়া এবং নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। আতঙ্কগ্রস্ত ওই এলাকার শিশু ও নারীরা। আর এমন হত্যার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

হত্যার পর গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনের ঘটনার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে তারা।

পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আধিপত্য ও ব্যবসায় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নির্মম এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তি দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা। জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গাজীপুরে শ্রমিকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে দুই হাত বিচ্ছিন্ন এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দিনে দুপুরে হত্যার ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়িক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, নিহত ওমর ফারুক কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিগারেটের বিক্রয় প্রতিনিধির গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ফারুক কারখানার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়। পরে স্থানীয় সুমন, বাবুল ও তার ৮/১০ জন সহযোগী মাওনা-বারতোপা সড়কের মসজিদ মোড়ে ফারুককে পথরোধ করে। এসময় তাদের কয়েকজন তাকে জোর করে পিকআপে উঠিয়ে কড়ইতলা বাজারে নিয়ে জনসমুক্ষে লোহার রড, চাপাতি, দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে দু’হাত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক সুমন, বাবুলের সঙ্গে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফারুকের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দিনে দুপুরে রাজপথে নির্মমভাবে দুই হাত কেটে নেয়া এবং নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। আতঙ্কগ্রস্ত ওই এলাকার শিশু ও নারীরা। আর এমন হত্যার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

হত্যার পর গাজীপুর পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খুনের ঘটনার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে তারা।

পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আধিপত্য ও ব্যবসায় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নির্মম এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তি দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা। জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।