ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মিয়ানমারের পাঁচ জেনারেলের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রভাবশালী পাঁচ জেনারেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া। আজ মঙ্গলবার থেকে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু হয়েছে।

এরআগে দেশটির সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী জেনারেলের ওপর একইরূপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে দেশটিতে থাকা তাদের সম্পদও জব্দ করা হবে বলে অস্ট্রলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস পেইনে ওই পাঁচ বার্মিজ জেনারেলের পরিচয় জানিয়েছেন। তারা হলেন- অং কিউ জ্য, মাউং মাউং সোয়ে, অং অং, থান ও এবং খিন মাউং সোয়ে। দেশটির সেনাবাহিনীর এই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রাখাইনে গণহত্যা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে।

পাঁচজনের বেশিরভাগই এরই মধ্যে তাদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাদেরকে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

গত বছর আগস্টে রাখাইনে জাতিগত নিধনের উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর গনহত্যা চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সেসময় রোহিঙ্গাদের গ্রামের পর গ্রাম ধ্বংস করে দেয়া হয়। তাদের ওপর হত্যা, ধর্ষণ চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। ভয়াবহ সেই হামলার পর প্রাণে বাঁচতে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা।

এরপরই এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসে গোটা বিশ্ব। মিয়ানমারের নিন্দা জানায় জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বড় বড় সংস্থা ও বিভিন্ন দেশ। রাখাইনে জাতিগত নিধনের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিলো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে জাতিসংঘ।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার চুক্তি করলেও বরাবরই এ বিষয়টি নিয়ে গাফিলতি করে আসছে মিয়ানমার। এ ঘটনায় দেশটির কার্যত সরকার প্রধান ও শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সাং সুচির ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে কমে এসেছে। তার বহু পদক ও সম্মাননা উঠিয়ে নিয়েছে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মিয়ানমারের পাঁচ জেনারেলের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০২:০০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রভাবশালী পাঁচ জেনারেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া। আজ মঙ্গলবার থেকে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু হয়েছে।

এরআগে দেশটির সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী জেনারেলের ওপর একইরূপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে দেশটিতে থাকা তাদের সম্পদও জব্দ করা হবে বলে অস্ট্রলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস পেইনে ওই পাঁচ বার্মিজ জেনারেলের পরিচয় জানিয়েছেন। তারা হলেন- অং কিউ জ্য, মাউং মাউং সোয়ে, অং অং, থান ও এবং খিন মাউং সোয়ে। দেশটির সেনাবাহিনীর এই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রাখাইনে গণহত্যা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে।

পাঁচজনের বেশিরভাগই এরই মধ্যে তাদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাদেরকে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

গত বছর আগস্টে রাখাইনে জাতিগত নিধনের উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর গনহত্যা চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সেসময় রোহিঙ্গাদের গ্রামের পর গ্রাম ধ্বংস করে দেয়া হয়। তাদের ওপর হত্যা, ধর্ষণ চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। ভয়াবহ সেই হামলার পর প্রাণে বাঁচতে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা।

এরপরই এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসে গোটা বিশ্ব। মিয়ানমারের নিন্দা জানায় জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বড় বড় সংস্থা ও বিভিন্ন দেশ। রাখাইনে জাতিগত নিধনের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিলো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে জাতিসংঘ।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার চুক্তি করলেও বরাবরই এ বিষয়টি নিয়ে গাফিলতি করে আসছে মিয়ানমার। এ ঘটনায় দেশটির কার্যত সরকার প্রধান ও শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সাং সুচির ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে কমে এসেছে। তার বহু পদক ও সম্মাননা উঠিয়ে নিয়েছে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা।