ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে জনবান্ধব: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

বৈশ্বিক সক্ষমতা সূচকে একধাপ পেছাল বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা সূচকে একধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১০৩।

বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যবসায় পরিবেশ নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে।

ফোরামের গ্লোবাল কমপেটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৮ বলছে, এবার ১৪০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১০৩তম অবস্থানে। আগের বছর ১৩৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০২তম অবস্থানে ছিল। ঢাকার অর্থনৈতিক ফোরামের পক্ষে বাংলাদেশে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

চলতি বছরের শুরুতে চালানো জরিপের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বুধবার বিশ্বব্যাপী একযোগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে করেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বড় সমস্যা হচ্ছে- দুর্নীতি। এর পরই রয়েছে অবকাঠামো সমস্যা। আগামী নির্বাচনে চারটি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও সিপিডির প্রতিবেদনে ধারণা করা হয়েছে। তা হল- উৎপাদন, রফতানি, রেমিট্যান্স ও কর্মসংস্থান।

প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এ সময় গবেষণা সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সার্বিকভাবে এবার বাংলাদেশের পয়েন্ট কমেনি বরং শূন্য দশমিক ৭ পয়েন্ট বেড়েছে। কিন্তু এবার নতুন করে তথ্যপ্রযুক্তি খাত অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ খাতে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে থাকায় সার্বিকভাবে অবস্থানগত পরিবর্তন হয়েছে।

একটি দেশের অবস্থান বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, পণ্যবাজার, শ্রমবাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের আকার, বাজারের গতিশীলতা, নতুন ধারণার আত্মীকরণ- এই ১২টি মানদণ্ড ব্যবহার করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বলছে, সূচকের মানদণ্ডগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, শ্রমবাজার, বাজারের আকার, উদ্ভাবনী ক্ষমতায় বাংলাদেশের উন্নতি হলেও পণ্যবাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের গতিশীলতায় অবনতি হয়েছে।

বিশ্বে প্রতিযোগিতা সক্ষমতার দিক দিয়ে এবারের সূচকের শীর্ষে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, তাদের স্কোর ৮৫ দশমিক ৬। এর পরই রয়েছে সিঙ্গাপুর, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, জাপান, নেদারল্যান্ডস, হংকং, যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ডেনমার্ক।

এই সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত। ৬২ স্কোর নিয়ে ভারত আছে সূচকের ৫৮ নম্বরে। গতবারের চেয়ে পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে দেশটির।

শ্রীলংকা ৫৬ স্কোর নিয়ে সূচকের ৮৫তম, ৫১ স্কোর নিয়ে পাকিস্তান সূচকের ১০৭ নম্বরে এবং নেপাল ৫০.৮ স্কোর নিয়ে ১০৯ নম্বর অবস্থানে রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০০১ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। সিপিডি বাংলাদেশে বৈশ্বিক এ ফোরামের সহযোগী হিসেবে কাজ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বৈশ্বিক সক্ষমতা সূচকে একধাপ পেছাল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৩:২২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা সূচকে একধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১০৩।

বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যবসায় পরিবেশ নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে।

ফোরামের গ্লোবাল কমপেটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৮ বলছে, এবার ১৪০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১০৩তম অবস্থানে। আগের বছর ১৩৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০২তম অবস্থানে ছিল। ঢাকার অর্থনৈতিক ফোরামের পক্ষে বাংলাদেশে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

চলতি বছরের শুরুতে চালানো জরিপের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বুধবার বিশ্বব্যাপী একযোগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে করেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বড় সমস্যা হচ্ছে- দুর্নীতি। এর পরই রয়েছে অবকাঠামো সমস্যা। আগামী নির্বাচনে চারটি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও সিপিডির প্রতিবেদনে ধারণা করা হয়েছে। তা হল- উৎপাদন, রফতানি, রেমিট্যান্স ও কর্মসংস্থান।

প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এ সময় গবেষণা সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সার্বিকভাবে এবার বাংলাদেশের পয়েন্ট কমেনি বরং শূন্য দশমিক ৭ পয়েন্ট বেড়েছে। কিন্তু এবার নতুন করে তথ্যপ্রযুক্তি খাত অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ খাতে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে থাকায় সার্বিকভাবে অবস্থানগত পরিবর্তন হয়েছে।

একটি দেশের অবস্থান বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, পণ্যবাজার, শ্রমবাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের আকার, বাজারের গতিশীলতা, নতুন ধারণার আত্মীকরণ- এই ১২টি মানদণ্ড ব্যবহার করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বলছে, সূচকের মানদণ্ডগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, শ্রমবাজার, বাজারের আকার, উদ্ভাবনী ক্ষমতায় বাংলাদেশের উন্নতি হলেও পণ্যবাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের গতিশীলতায় অবনতি হয়েছে।

বিশ্বে প্রতিযোগিতা সক্ষমতার দিক দিয়ে এবারের সূচকের শীর্ষে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, তাদের স্কোর ৮৫ দশমিক ৬। এর পরই রয়েছে সিঙ্গাপুর, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, জাপান, নেদারল্যান্ডস, হংকং, যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ডেনমার্ক।

এই সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত। ৬২ স্কোর নিয়ে ভারত আছে সূচকের ৫৮ নম্বরে। গতবারের চেয়ে পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে দেশটির।

শ্রীলংকা ৫৬ স্কোর নিয়ে সূচকের ৮৫তম, ৫১ স্কোর নিয়ে পাকিস্তান সূচকের ১০৭ নম্বরে এবং নেপাল ৫০.৮ স্কোর নিয়ে ১০৯ নম্বর অবস্থানে রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০০১ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। সিপিডি বাংলাদেশে বৈশ্বিক এ ফোরামের সহযোগী হিসেবে কাজ করে।