ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘ভারত একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালালে পাকিস্তান ১০টা চালাবে’

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত যদি একটা সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায়, তবে পাকিস্তান দশটা চালাবে। শনিবার লন্ডনে গিয়ে এমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর।

সার্জিকাল স্ট্রাইকের মতো ঘটনা ঘটলে পাকিস্তানও যে তার পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি গফুর। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউ যদি পাকিস্তানকে দুর্বল মনে করে, তা হলে খুব ভুল করবে। পাকিস্তানের ক্ষমতা সম্পর্কে তাদের সন্দেহটা ভুল।’

আনন্দবাজার জানায়, ক্ষমতায় এলে তিনি ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতিতে জোর দেবেন বলে জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ক্ষমতায় আসার পর তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, ভারত যদি এক পা এগোয়, পাকিস্তান দু’পা এগোবে। কিন্তু তার পরেও দেখা যায়, সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ানো, সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন থেকে শুরু করে ভারতীয় জওয়ানের মাথা কেটে নেয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

ইমরানের পূর্ববর্তী জমানায় সীমান্তের ছবিটা যেমন ছিল, ইমরান আসার পরেও তার বিন্দুমাত্র বদল হয়নি। বার বার ভারতীয় সেনার ওপর হামলা চালানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। জঙ্গি অনুপ্রবেশও বন্ধ হয়নি। প্রতিহত করতে ভারত পাল্টা হামলা চালিয়েছে। হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল পাকিস্তান যদি এ সব এখনই বন্ধ না করে তা হলে ফের সার্জিকাল স্ট্রাইকের পথে হাঁটতে বাধ্য হবে তারা।

২০১৬ সালে উরি হামলার পরই সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান সীমান্তে বেশ কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। বহু জঙ্গি নিকেশ হয়েছিল সেই অভিযানে। তবে সার্জিকাল স্ট্রাইকের ঘটনা পাকিস্তান বার বারই অস্বীকার করে গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সেই ঘটনা থেকেও পাকিস্তান শিক্ষা নেয়নি। মার দিলে পাল্টা মার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। সেই ঘটনার পরেও সন্ত্রাসবাদে মদত জুগিয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। কাশ্মিরে অস্থিরতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এ নিয়েই সরব হয়েছিল ভারত। সেখানে কাশ্মিরের প্রসঙ্গ তুলে ভারতকে পাল্টা চাপে ফেলার চেষ্টা করেও কোনও লাভ হয়নি।

এই অবস্থায় গফুরের এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘ভারত একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালালে পাকিস্তান ১০টা চালাবে’

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারত যদি একটা সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায়, তবে পাকিস্তান দশটা চালাবে। শনিবার লন্ডনে গিয়ে এমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর।

সার্জিকাল স্ট্রাইকের মতো ঘটনা ঘটলে পাকিস্তানও যে তার পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি গফুর। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউ যদি পাকিস্তানকে দুর্বল মনে করে, তা হলে খুব ভুল করবে। পাকিস্তানের ক্ষমতা সম্পর্কে তাদের সন্দেহটা ভুল।’

আনন্দবাজার জানায়, ক্ষমতায় এলে তিনি ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতিতে জোর দেবেন বলে জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ক্ষমতায় আসার পর তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, ভারত যদি এক পা এগোয়, পাকিস্তান দু’পা এগোবে। কিন্তু তার পরেও দেখা যায়, সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ানো, সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন থেকে শুরু করে ভারতীয় জওয়ানের মাথা কেটে নেয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

ইমরানের পূর্ববর্তী জমানায় সীমান্তের ছবিটা যেমন ছিল, ইমরান আসার পরেও তার বিন্দুমাত্র বদল হয়নি। বার বার ভারতীয় সেনার ওপর হামলা চালানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। জঙ্গি অনুপ্রবেশও বন্ধ হয়নি। প্রতিহত করতে ভারত পাল্টা হামলা চালিয়েছে। হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল পাকিস্তান যদি এ সব এখনই বন্ধ না করে তা হলে ফের সার্জিকাল স্ট্রাইকের পথে হাঁটতে বাধ্য হবে তারা।

২০১৬ সালে উরি হামলার পরই সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান সীমান্তে বেশ কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। বহু জঙ্গি নিকেশ হয়েছিল সেই অভিযানে। তবে সার্জিকাল স্ট্রাইকের ঘটনা পাকিস্তান বার বারই অস্বীকার করে গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সেই ঘটনা থেকেও পাকিস্তান শিক্ষা নেয়নি। মার দিলে পাল্টা মার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। সেই ঘটনার পরেও সন্ত্রাসবাদে মদত জুগিয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। কাশ্মিরে অস্থিরতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এ নিয়েই সরব হয়েছিল ভারত। সেখানে কাশ্মিরের প্রসঙ্গ তুলে ভারতকে পাল্টা চাপে ফেলার চেষ্টা করেও কোনও লাভ হয়নি।

এই অবস্থায় গফুরের এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।