ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

‘আমি অশ্লীল ছিলাম তার প্রমাণ কেউ দিতে পারবেন?’

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

‘আমি অশ্লীল যুগে খুব বেশি সিনেমা করিনি। আমার একচেটিয়া মার্কেট ছিল অ্যাকশন হিরোইন হিসেবে। আমি অশ্লীল ছিলাম তার প্রমাণ কেউ দিতে পারবেন না। আমাকে আমার সিনেমার পরিচালকরা ব্ল্যাকমেইল করেছে। তাদের নাম বললেই কি আমার সম্মান ফিরে আসবে না?’

সম্প্রতি একটি টিভি অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলেন ঢালিউড নায়িকা মুনমুন।

তিনি বলেন, অ্যাকশননির্ভর ছবিতে প্রচুর মারপিটের দৃশ্য থাকত। যেহেতু অ্যাশকন ছবি, তাই একটু খোলামেলা দৃশ্য যোগ করা হতো; কিন্তু আমার কোনো খোলামেলা দৃশ্য ছিল না সেসব সিনেমায়। বাস্তবতা হল- অন্য নায়িকারা যে ড্রেস পরেছে, আমিও সেই ড্রেস পরেছি। আমি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে অনেক ভালোবাসি।

মুনমুন বলেন, ব্ল্যাকমেইলাররা এখন নেই। তাদের হাতে কাজও নেই। যারা বলেন- আমার জন্য সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস হয়েছে, তারাই আসলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস করেছে। কারণ যারা সেলেবল আর্টিস্টের বিরুদ্ধে মিথ্যে কলঙ্ক দেন, তারা ফিল্মের কোনো ভালো করতে পারেন না। এখন আর সেই পরিচালকদের নাম বলে লাভ নেই। তিনি আরও বলেন, অশ্লীল সিনেমায় তখন সবাই অভিনয় করেছেন। কিন্তু অশ্লীল দৃশ্যে তো তারা অভিনয় করেননি।

২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সিনেমায় ছিলেন না মুনমুন। এই সময় বেশি অশ্লীল সিনেমা হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন তিনি।

সেই সময়ের কথা মনে করে মুনমুন বলেন, আগের শাকিব আর এখনকার শাকিবের মধ্যে পার্থক্য অনেক। আমি শাকিব খানকে সেই সময়ই বলেছিলাম- তোমার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তুমি আরও সুন্দর হবে। শাকিবের সঙ্গে একবার দেখাও হয়েছিল। দেখি সে এ কথা এখনও মনে রেখেছে।

২০০৮-এ অভিনয়ে ফিরে ‘বাংলার কিংকং’ ও ‘কুমারী মা’- এ দুটি সিনেমা করে আবারও ফিরে যান তিনি। মাঝে অনেক দিন ছিলেন আলোচনার বাইরে। বর্তমানে আবারও সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। ‘দুই রাজকন্যা’, ‘রাগী’, ‘তোলপাড়’, ‘পাগলপ্রেমী’, ‘পদ্মার প্রেম’- এমন বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন এরই মধ্যে।

এই সময়ের নাম্বার ওয়ান হিরো শাকিব খানের সঙ্গেও প্রায় ১৪টি সিনেমায় জুটিবেঁধে অভিনয় করেছেন এ নায়িকা।

উল্লেখ্য, বর্তমানে স্বামী-সংসারই সামলাচ্ছেন মুনমুন। তার দুই ছেলে। একজনের বয়স ১১, অন্যজনের ৬ বছর। পরিবারের সঙ্গে অধিকাংশ সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

‘আমি অশ্লীল ছিলাম তার প্রমাণ কেউ দিতে পারবেন?’

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

‘আমি অশ্লীল যুগে খুব বেশি সিনেমা করিনি। আমার একচেটিয়া মার্কেট ছিল অ্যাকশন হিরোইন হিসেবে। আমি অশ্লীল ছিলাম তার প্রমাণ কেউ দিতে পারবেন না। আমাকে আমার সিনেমার পরিচালকরা ব্ল্যাকমেইল করেছে। তাদের নাম বললেই কি আমার সম্মান ফিরে আসবে না?’

সম্প্রতি একটি টিভি অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলেন ঢালিউড নায়িকা মুনমুন।

তিনি বলেন, অ্যাকশননির্ভর ছবিতে প্রচুর মারপিটের দৃশ্য থাকত। যেহেতু অ্যাশকন ছবি, তাই একটু খোলামেলা দৃশ্য যোগ করা হতো; কিন্তু আমার কোনো খোলামেলা দৃশ্য ছিল না সেসব সিনেমায়। বাস্তবতা হল- অন্য নায়িকারা যে ড্রেস পরেছে, আমিও সেই ড্রেস পরেছি। আমি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে অনেক ভালোবাসি।

মুনমুন বলেন, ব্ল্যাকমেইলাররা এখন নেই। তাদের হাতে কাজও নেই। যারা বলেন- আমার জন্য সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস হয়েছে, তারাই আসলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস করেছে। কারণ যারা সেলেবল আর্টিস্টের বিরুদ্ধে মিথ্যে কলঙ্ক দেন, তারা ফিল্মের কোনো ভালো করতে পারেন না। এখন আর সেই পরিচালকদের নাম বলে লাভ নেই। তিনি আরও বলেন, অশ্লীল সিনেমায় তখন সবাই অভিনয় করেছেন। কিন্তু অশ্লীল দৃশ্যে তো তারা অভিনয় করেননি।

২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সিনেমায় ছিলেন না মুনমুন। এই সময় বেশি অশ্লীল সিনেমা হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন তিনি।

সেই সময়ের কথা মনে করে মুনমুন বলেন, আগের শাকিব আর এখনকার শাকিবের মধ্যে পার্থক্য অনেক। আমি শাকিব খানকে সেই সময়ই বলেছিলাম- তোমার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তুমি আরও সুন্দর হবে। শাকিবের সঙ্গে একবার দেখাও হয়েছিল। দেখি সে এ কথা এখনও মনে রেখেছে।

২০০৮-এ অভিনয়ে ফিরে ‘বাংলার কিংকং’ ও ‘কুমারী মা’- এ দুটি সিনেমা করে আবারও ফিরে যান তিনি। মাঝে অনেক দিন ছিলেন আলোচনার বাইরে। বর্তমানে আবারও সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। ‘দুই রাজকন্যা’, ‘রাগী’, ‘তোলপাড়’, ‘পাগলপ্রেমী’, ‘পদ্মার প্রেম’- এমন বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন এরই মধ্যে।

এই সময়ের নাম্বার ওয়ান হিরো শাকিব খানের সঙ্গেও প্রায় ১৪টি সিনেমায় জুটিবেঁধে অভিনয় করেছেন এ নায়িকা।

উল্লেখ্য, বর্তমানে স্বামী-সংসারই সামলাচ্ছেন মুনমুন। তার দুই ছেলে। একজনের বয়স ১১, অন্যজনের ৬ বছর। পরিবারের সঙ্গে অধিকাংশ সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন তিনি।