ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সিরীয় সৈন্যদের সঙ্গে কুর্দিদের সংঘর্ষে নিহত ১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কামিশলি শহরে সিরীয় সৈন্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত কুর্দি যোদ্ধাদের সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কুর্দি বাহিনীগুলো।

শনিবার সিরীয় সামরিক বাহিনীর একটি বহর শহরটির কেন্দ্রস্থলে প্রবেশের পর দুপক্ষের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

কামিশলির ওই এলাকাটি তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে দাবি করেছে কুর্দিদের ওয়াইপিজি মিলিশিয়া বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত নিরাপত্তা বাহিনী।

আসায়িশ নামে ওয়াইপিজির ওই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা আমাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রবেশ করে বেসামরিকদের গ্রেফতার করে এবং (সামরিক বাহিনীর) টহল দলের সদস্যরা আমাদের বাহিনীকে লক্ষ্য হিসেবে স্থির করে।

দুপক্ষের এ সংঘর্ষে তাদের সাতজন ও সিরীয় সামরিক বাহিনীর ১১ সদস্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কুর্দি বাহিনীগুলো।

সিরিয়ার সরকারপন্থী সূত্রগুলো দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার সময় সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের ওপর হামলা করে কুর্দি বাহিনীগুলো। এতে বেশ কয়েকজন সৈন্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

কামিশলি শহরের অধিকাংশ এলাকা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) নেতৃস্থানীয় শরিক কুর্দিদের ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শহরটির বিমানবন্দর ও কেন্দ্রস্থলের কিছু এলাকা সরকারপন্থী বাহিনীগুলোর নিয়ন্ত্রণে আছে।

শহরটির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তুরস্ক সীমান্তের নিকটবর্তী এ শহরটিতে মাঝেমধ্যে শুরু হওয়া লড়াইয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিঘ্নিত হচ্ছে এবং শহরটিতে সিরিয়া রাষ্ট্রের প্রভাব ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে।

২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কুর্দি অধ্যুষিত শহরগুলোতে ওয়াইপিজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এ বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তাকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টারত সুন্নি বিদ্রোহী বাহিনীগুলোকে দমনের দিকে মনোযোগ দিয়ে এসেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সিরীয় সৈন্যদের সঙ্গে কুর্দিদের সংঘর্ষে নিহত ১৮

আপডেট সময় ০১:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কামিশলি শহরে সিরীয় সৈন্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত কুর্দি যোদ্ধাদের সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কুর্দি বাহিনীগুলো।

শনিবার সিরীয় সামরিক বাহিনীর একটি বহর শহরটির কেন্দ্রস্থলে প্রবেশের পর দুপক্ষের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

কামিশলির ওই এলাকাটি তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে দাবি করেছে কুর্দিদের ওয়াইপিজি মিলিশিয়া বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত নিরাপত্তা বাহিনী।

আসায়িশ নামে ওয়াইপিজির ওই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা আমাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রবেশ করে বেসামরিকদের গ্রেফতার করে এবং (সামরিক বাহিনীর) টহল দলের সদস্যরা আমাদের বাহিনীকে লক্ষ্য হিসেবে স্থির করে।

দুপক্ষের এ সংঘর্ষে তাদের সাতজন ও সিরীয় সামরিক বাহিনীর ১১ সদস্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কুর্দি বাহিনীগুলো।

সিরিয়ার সরকারপন্থী সূত্রগুলো দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার সময় সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের ওপর হামলা করে কুর্দি বাহিনীগুলো। এতে বেশ কয়েকজন সৈন্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

কামিশলি শহরের অধিকাংশ এলাকা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) নেতৃস্থানীয় শরিক কুর্দিদের ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শহরটির বিমানবন্দর ও কেন্দ্রস্থলের কিছু এলাকা সরকারপন্থী বাহিনীগুলোর নিয়ন্ত্রণে আছে।

শহরটির বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তুরস্ক সীমান্তের নিকটবর্তী এ শহরটিতে মাঝেমধ্যে শুরু হওয়া লড়াইয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিঘ্নিত হচ্ছে এবং শহরটিতে সিরিয়া রাষ্ট্রের প্রভাব ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে।

২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কুর্দি অধ্যুষিত শহরগুলোতে ওয়াইপিজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এ বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তাকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টারত সুন্নি বিদ্রোহী বাহিনীগুলোকে দমনের দিকে মনোযোগ দিয়ে এসেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ।