ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন ব্রাজিলের সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশে ফুটবল উন্মাদনা মেহেরপুর সীমান্তে সাতজনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের জুলাইয়ে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম মৎস্য ও সামুদ্রিক খাতে বড় বিনিয়োগ টানছে ‘মিডা’ ও ‘জাইকা’ একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী দলগুলোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি’: আনু মুহাম্মদ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ পাশ লংকানদের হারে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ স্থানে টাইগাররা

জিতিয়ে জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

গেল ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রতি দারুণ অবিচার করে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। বাংলাদেশের হয়ে ৪ কিংবা ৫ নম্বরে ব্যাট করে অভ্যস্ত তিনি, সেখানে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৯ নম্বরে তাকে ব্যাট করতে পাঠায় দলটি। দলও হেরেছিল ৪৬ রানের বড় ব্যবধানে।

একদিনের ব্যবধানে সেই অবহেলার জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ। বীরোচিত ইনিংস খেলে জেতালেন দলকে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জ্যামাইকা তালাওয়াহসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। এ জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠে এল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

জয়ের জন্য ২৩ বলে দরকার ছিল ৪৭। ইতিমধ্যে সাজঘরে ফিরে গেছেন ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নামেন মাহমুদউল্লাহ। নেমেই রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন। তার হাতের ব্যাটকে বানান তলোয়ার। তাতে কচুকাটা করেন প্রতিপক্ষ বোলাদের। একের পর এক বাউন্ডারিতে তাণ্ডব চালান তিনি। এতে কঠিন সমীকরণও মিলিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে জিতে যায় সেন্ট কিটস। ১১ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। ২টি করে চার-ছক্কায় এ হার না মানা ইনিংস খেলেন মিস্টার কুল।

শেষদিকে মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান ভ্যান ডার ডুসেন। সহযাত্রীর সাহসী ব্যাটিং দেখে তিনিও অনুপ্রাণিত হন। জ্যামাইকা বোলারদের ওপর তোপ দাগান ডানহাতি ব্যাটারও। ২৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন।

জয়ের জন্য ২০৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামার আগে আকাশ ভেঙে নামে তুমুল বৃষ্টি। এতে বিলম্বে খেলা শুরু হয়। ফলে বৃষ্টি আইনে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ ওভারে ১১৮। তবে শুরুটা শুভ হয়নি দলটির। সাজঘরে ফেরেন এভিন লুইস। ৫৩ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠেন গেইল ও ডুসেন।

২৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ করে গেইল ফিরলেও থেকে যান ডুসেন। তবে তাকে পরে সমর্থন জোগাতে পারেননি বেন কাটিং। বিনা রান করে ফেরেন তিনি। এরপরই জয়ের নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন মাহমুদউল্লাহ। শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে সেন্ট কিটস।

এর আগে ওয়ার্নার পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলে জ্যামাইকা। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালান রোভম্যান পাওয়েল। মাত্র ৪০ বলে ৮৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে ছিল ১১টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার।

এছাড়া গ্লেন ফিলিপস করেন ২৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান। ২০ বলে ৩২ করেন অ্যান্ড্রু মিলার। ৫ বলে ১৪ রান আসে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাট থেকে। এতে ২০৬/৬ রানের পাহাড় গড়ে জ্যামাইকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

জিতিয়ে জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ

আপডেট সময় ০১:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

গেল ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রতি দারুণ অবিচার করে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। বাংলাদেশের হয়ে ৪ কিংবা ৫ নম্বরে ব্যাট করে অভ্যস্ত তিনি, সেখানে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৯ নম্বরে তাকে ব্যাট করতে পাঠায় দলটি। দলও হেরেছিল ৪৬ রানের বড় ব্যবধানে।

একদিনের ব্যবধানে সেই অবহেলার জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ। বীরোচিত ইনিংস খেলে জেতালেন দলকে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জ্যামাইকা তালাওয়াহসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। এ জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠে এল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

জয়ের জন্য ২৩ বলে দরকার ছিল ৪৭। ইতিমধ্যে সাজঘরে ফিরে গেছেন ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নামেন মাহমুদউল্লাহ। নেমেই রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন। তার হাতের ব্যাটকে বানান তলোয়ার। তাতে কচুকাটা করেন প্রতিপক্ষ বোলাদের। একের পর এক বাউন্ডারিতে তাণ্ডব চালান তিনি। এতে কঠিন সমীকরণও মিলিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে জিতে যায় সেন্ট কিটস। ১১ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। ২টি করে চার-ছক্কায় এ হার না মানা ইনিংস খেলেন মিস্টার কুল।

শেষদিকে মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান ভ্যান ডার ডুসেন। সহযাত্রীর সাহসী ব্যাটিং দেখে তিনিও অনুপ্রাণিত হন। জ্যামাইকা বোলারদের ওপর তোপ দাগান ডানহাতি ব্যাটারও। ২৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন।

জয়ের জন্য ২০৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামার আগে আকাশ ভেঙে নামে তুমুল বৃষ্টি। এতে বিলম্বে খেলা শুরু হয়। ফলে বৃষ্টি আইনে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ ওভারে ১১৮। তবে শুরুটা শুভ হয়নি দলটির। সাজঘরে ফেরেন এভিন লুইস। ৫৩ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠেন গেইল ও ডুসেন।

২৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ করে গেইল ফিরলেও থেকে যান ডুসেন। তবে তাকে পরে সমর্থন জোগাতে পারেননি বেন কাটিং। বিনা রান করে ফেরেন তিনি। এরপরই জয়ের নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন মাহমুদউল্লাহ। শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে সেন্ট কিটস।

এর আগে ওয়ার্নার পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলে জ্যামাইকা। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালান রোভম্যান পাওয়েল। মাত্র ৪০ বলে ৮৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে ছিল ১১টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার।

এছাড়া গ্লেন ফিলিপস করেন ২৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান। ২০ বলে ৩২ করেন অ্যান্ড্রু মিলার। ৫ বলে ১৪ রান আসে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাট থেকে। এতে ২০৬/৬ রানের পাহাড় গড়ে জ্যামাইকা।