ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাকিস্তানে আইএসআইয়ের সাবেক প্রধানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের(আইএসআই) সাবেক প্রধান লে. জেনারেল (অব.) আসাদ দুররানির দেশত্যাগে দেশটির সেনাবাহিনী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে তদন্তেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আইএসপিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুর টুইটারে বলেন, একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলের নেতৃত্বে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তদন্ত টিম বইটি বিশ্লেষণ করে সেখানে দুররানি শাস্তিযোগ্য কোনো অপরাধ করেছেন কিনা তা নির্ধারণ করবেন। এর পর বিষয়টি কীভাবে অগ্রসর হবে, সে ব্যাপারে সেনাপ্রধানের কাছে সুপারিশ করবেন।-খবর ডন অনলাইনের। এটিকে পাকিস্তানের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আফগানিস্তান ও কাশ্মীরে পাক সেনাবাহিনীর কথিত ভূমিকা নিয়ে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর একজন সাবেক প্রধানের সঙ্গে যৌথভাবে বই লেখার পর তার বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হল।

জেনারেল দুররানি ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান ছিলেন। একজন পাকসেনা মুখপাত্র বলেছেন, দুররানি যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য তার নাম ‘এক্সিট কন্ট্রোল লিস্টে’ রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি জেনারেল দুররানি ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সাবেক প্রধান এএস দৌলতের লেখা একটি বই প্রকাশিত হয়।
‘দ্যা স্পাই ক্রনিকলস : র, আইএসআই অ্যান্ড দ্যা ইলিউশন অব পিস’ নামক বইটি গত সপ্তাহে প্রকাশিত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের বিতর্কের ঝড় বয়ে যায়। বিশেষ করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে জেনারেল দুররানিকে তলব করে এ বই লেখার পেছনে তার ভূমিকা সম্পর্কে ব্যাখ্যা জানতে চায়।

পাক সেনাবাহিনী জানায়, এটি লিখে সেনাবাহিনীর ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ লঙ্ঘন করেছেন দুররানি। ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে তৎপর গেরিলাদের পাকিস্তান পৃষ্ঠপোষকতা দেয় বলে নয়াদিল্লি অভিযোগ করে আসছে।

এ ছাড়া আফগানিস্তানে তৎপর তালেবানসহ অন্যান্য গোষ্ঠীকে পাকিস্তান সহযোগিতা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করছে আমেরিকা। দুটি অভিযোগই অস্বীকার করে থাকে ইসলামাবাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পাকিস্তানে আইএসআইয়ের সাবেক প্রধানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের(আইএসআই) সাবেক প্রধান লে. জেনারেল (অব.) আসাদ দুররানির দেশত্যাগে দেশটির সেনাবাহিনী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে তদন্তেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আইএসপিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুর টুইটারে বলেন, একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলের নেতৃত্বে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তদন্ত টিম বইটি বিশ্লেষণ করে সেখানে দুররানি শাস্তিযোগ্য কোনো অপরাধ করেছেন কিনা তা নির্ধারণ করবেন। এর পর বিষয়টি কীভাবে অগ্রসর হবে, সে ব্যাপারে সেনাপ্রধানের কাছে সুপারিশ করবেন।-খবর ডন অনলাইনের। এটিকে পাকিস্তানের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আফগানিস্তান ও কাশ্মীরে পাক সেনাবাহিনীর কথিত ভূমিকা নিয়ে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর একজন সাবেক প্রধানের সঙ্গে যৌথভাবে বই লেখার পর তার বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হল।

জেনারেল দুররানি ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান ছিলেন। একজন পাকসেনা মুখপাত্র বলেছেন, দুররানি যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য তার নাম ‘এক্সিট কন্ট্রোল লিস্টে’ রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি জেনারেল দুররানি ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সাবেক প্রধান এএস দৌলতের লেখা একটি বই প্রকাশিত হয়।
‘দ্যা স্পাই ক্রনিকলস : র, আইএসআই অ্যান্ড দ্যা ইলিউশন অব পিস’ নামক বইটি গত সপ্তাহে প্রকাশিত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের বিতর্কের ঝড় বয়ে যায়। বিশেষ করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে জেনারেল দুররানিকে তলব করে এ বই লেখার পেছনে তার ভূমিকা সম্পর্কে ব্যাখ্যা জানতে চায়।

পাক সেনাবাহিনী জানায়, এটি লিখে সেনাবাহিনীর ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ লঙ্ঘন করেছেন দুররানি। ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে তৎপর গেরিলাদের পাকিস্তান পৃষ্ঠপোষকতা দেয় বলে নয়াদিল্লি অভিযোগ করে আসছে।

এ ছাড়া আফগানিস্তানে তৎপর তালেবানসহ অন্যান্য গোষ্ঠীকে পাকিস্তান সহযোগিতা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করছে আমেরিকা। দুটি অভিযোগই অস্বীকার করে থাকে ইসলামাবাদ।