ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল: আইনমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রায়ের সঙ্গে দ্বিমত থাকলেও রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। তবে যে যুক্তিতে সংশোধনী বাতিল করা হয়েছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। বৃহস্পতিবার ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ৯ দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে কিভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে সে বিষয়ে আমি বোধগম্য নই। আমরা মনে করি এর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগ ও সংসদ ‘পাওয়ার কনটেস্টে’ নামেনি। এ সংশোধনীতে কোনো পাওয়ার কনটেস্ট ছিল না। বরং সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আরও সুসংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তির দ্বারা অর্জিত হয়নি। এ বক্তব্যে আমরা মর্মাহত। কারণ ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় বঙ্গবন্ধু এককভাবে বাঙালির জন্য আন্দোলন করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর কোনো নেতাকে স্বাধীকার আন্দোলনের জন্য ১৩ বছরের বেশি সময় কারাবরণ করতে হয়নি। ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকলেও মূলত তারই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে, তারই নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জনগণের দেয়া ক্ষমতায় তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। ৪৭ বছর পর পুনরায় এ বিষয়টি আমাকে বর্ণনা করা লাগছে এটা আমার জন্য খুবই লজ্জাজনক এবং কষ্টকর। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রায়ের পর্যবেক্ষণে যেসব অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল মিলিটারি ডিটেক্টরশিপ থেকেই প্রাপ্ত। ৭৭ সালে সামরিক সরকার বিচারপতিদের অপসারণ করে। আমরা মনে করি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছিল। এছাড়া এ রায়ে সরকার সংক্ষুব্ধ এবং রায়ের খুঁটিনাটি নিয়ে কাজ চলছে। এ নিয়ে রিভিউয়ের চিন্তা ভাবনা রয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে শপিংমলে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রায়ের সঙ্গে দ্বিমত থাকলেও রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। তবে যে যুক্তিতে সংশোধনী বাতিল করা হয়েছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। বৃহস্পতিবার ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ৯ দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে কিভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে সে বিষয়ে আমি বোধগম্য নই। আমরা মনে করি এর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগ ও সংসদ ‘পাওয়ার কনটেস্টে’ নামেনি। এ সংশোধনীতে কোনো পাওয়ার কনটেস্ট ছিল না। বরং সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আরও সুসংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তির দ্বারা অর্জিত হয়নি। এ বক্তব্যে আমরা মর্মাহত। কারণ ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় বঙ্গবন্ধু এককভাবে বাঙালির জন্য আন্দোলন করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। আর কোনো নেতাকে স্বাধীকার আন্দোলনের জন্য ১৩ বছরের বেশি সময় কারাবরণ করতে হয়নি। ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকলেও মূলত তারই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে, তারই নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জনগণের দেয়া ক্ষমতায় তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। ৪৭ বছর পর পুনরায় এ বিষয়টি আমাকে বর্ণনা করা লাগছে এটা আমার জন্য খুবই লজ্জাজনক এবং কষ্টকর। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রায়ের পর্যবেক্ষণে যেসব অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল মিলিটারি ডিটেক্টরশিপ থেকেই প্রাপ্ত। ৭৭ সালে সামরিক সরকার বিচারপতিদের অপসারণ করে। আমরা মনে করি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছিল। এছাড়া এ রায়ে সরকার সংক্ষুব্ধ এবং রায়ের খুঁটিনাটি নিয়ে কাজ চলছে। এ নিয়ে রিভিউয়ের চিন্তা ভাবনা রয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী।