ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাজে খাবার খাওয়ায় মাঠে বমি করতেন মেসি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ম্যাচ চলার সময়ে মাঝে-মধ্যেই মাঠে বমি করতে দেখা যেত লিওনেল মেসিকে। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডই জানিয়েছেন, এক সময় যা-তা খাওয়ার কারণে এ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে। খাদ্যাভাস পরিবর্তনের পর সে সমস্যা কেটে গেছে।

ম্যাচ চলার সময় বমি হওয়ার সমস্যায় লম্বা সময় ধরে ভুগেছেন মেসি। ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ২০১৪ সালে বুখারেস্টে রোমানিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ চলার সময় একই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে বলেছিলেন, এই সমস্যার মুখোমুখি তাকে সবসময় হতে হয়।

গত বছর বলিভিয়ার বিপক্ষে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচু লা পাসে খেলতে গিয়েও একই সমস্যায় পড়েছিলেন মেসি। সাবেক আর্জেন্টিনা কোচ আলেহান্দ্রে সাবেইয়া মেসির সমস্যাকে স্নায়ু সংক্রান্ত বলে দাবি করেছিলেন।

ইতালির এক চিকিৎসক ২০১৫ সালে দাবি করেন, তার চিকিৎসায় মেসির সমস্যার সমাধান হয়। তবে টিভি লা কর্নিসাকে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা জানান, অস্বাস্থ্যকর পানীয় ও স্ন্যাকজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করার পর সমস্যা কেটেছে তার।

“জানি না আমি কি খাচ্ছিলাম, কিন্তু আমি বছরের পর খারাপ জিনিস খেয়েছি। ২২-২৩ বছর বয়সে চকলেট, আলফাহোরেস (দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরনের বিস্কিটস), ফিজি ড্রিংকস খেতাম। কিন্তু আমি এখন ভালো খাবার খাই; যেমন মাছ, মাংস, সবজি, সালাদ।”

“বমির বিষয়ে পরিবর্তনটা আমি সত্যিই ভালোভাবে লক্ষ্য করলাম। তারা বলেছিল, এটা অনেক কারণে হতে পারে। অবশেষে আমি খাদ্যাভাস বদলালাম এবং বমিটা আর কখনও হয়নি।”

২০১২ সালে প্রথম বাবা হওয়ার পর ব্যর্থতা ও সমালোচনা নিয়ে নিজের মনোভাব বদলেছে বলেও জানান মেসি। তিয়াগো, মাতেও ও সিরো-তিন ছেলের বাবা মনে করেন, ফুটবল ছাড়া ভাবার মতো অনেক কিছু আছে।

“সবকিছু ভুলে থাকার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে বাচ্চা-স্ত্রী-পরিবারের সঙ্গে থাকা। বাকি সব গৌণ।”

“আমি হারতে বা ড্র করতে পছন্দ করি না কিন্তু এটাকে আমি ভিন্নভাবে নিতে শিখলাম। এটা ফলের চেয়ে বেশি কিছু। আপনি সবসময় জিততে পারবেন না। চমক থাকবে।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাজে খাবার খাওয়ায় মাঠে বমি করতেন মেসি

আপডেট সময় ০৯:৪৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ম্যাচ চলার সময়ে মাঝে-মধ্যেই মাঠে বমি করতে দেখা যেত লিওনেল মেসিকে। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডই জানিয়েছেন, এক সময় যা-তা খাওয়ার কারণে এ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে। খাদ্যাভাস পরিবর্তনের পর সে সমস্যা কেটে গেছে।

ম্যাচ চলার সময় বমি হওয়ার সমস্যায় লম্বা সময় ধরে ভুগেছেন মেসি। ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ২০১৪ সালে বুখারেস্টে রোমানিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ চলার সময় একই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে বলেছিলেন, এই সমস্যার মুখোমুখি তাকে সবসময় হতে হয়।

গত বছর বলিভিয়ার বিপক্ষে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচু লা পাসে খেলতে গিয়েও একই সমস্যায় পড়েছিলেন মেসি। সাবেক আর্জেন্টিনা কোচ আলেহান্দ্রে সাবেইয়া মেসির সমস্যাকে স্নায়ু সংক্রান্ত বলে দাবি করেছিলেন।

ইতালির এক চিকিৎসক ২০১৫ সালে দাবি করেন, তার চিকিৎসায় মেসির সমস্যার সমাধান হয়। তবে টিভি লা কর্নিসাকে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা জানান, অস্বাস্থ্যকর পানীয় ও স্ন্যাকজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করার পর সমস্যা কেটেছে তার।

“জানি না আমি কি খাচ্ছিলাম, কিন্তু আমি বছরের পর খারাপ জিনিস খেয়েছি। ২২-২৩ বছর বয়সে চকলেট, আলফাহোরেস (দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরনের বিস্কিটস), ফিজি ড্রিংকস খেতাম। কিন্তু আমি এখন ভালো খাবার খাই; যেমন মাছ, মাংস, সবজি, সালাদ।”

“বমির বিষয়ে পরিবর্তনটা আমি সত্যিই ভালোভাবে লক্ষ্য করলাম। তারা বলেছিল, এটা অনেক কারণে হতে পারে। অবশেষে আমি খাদ্যাভাস বদলালাম এবং বমিটা আর কখনও হয়নি।”

২০১২ সালে প্রথম বাবা হওয়ার পর ব্যর্থতা ও সমালোচনা নিয়ে নিজের মনোভাব বদলেছে বলেও জানান মেসি। তিয়াগো, মাতেও ও সিরো-তিন ছেলের বাবা মনে করেন, ফুটবল ছাড়া ভাবার মতো অনেক কিছু আছে।

“সবকিছু ভুলে থাকার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে বাচ্চা-স্ত্রী-পরিবারের সঙ্গে থাকা। বাকি সব গৌণ।”

“আমি হারতে বা ড্র করতে পছন্দ করি না কিন্তু এটাকে আমি ভিন্নভাবে নিতে শিখলাম। এটা ফলের চেয়ে বেশি কিছু। আপনি সবসময় জিততে পারবেন না। চমক থাকবে।”