ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

গাজীপুর ও খুলনায় ভোটের তফসিল ৩১ মার্চ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য আগামী ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা আগে হয়েছে তাই এখানের তফসিল আগে হবে।’

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে জুনের আগেই পাঁচ নগরে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই এসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। তবে ভোটের পর একেকটি সিটি করপোরেশন একেকদিন প্রথম বৈঠকে বসেছে আর ওই বৈঠক থেকেই করপোরেশনের মেয়াদ শুরু হয়।

এই পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

এই হিসাবে গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে।

সম্প্রতি এই পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোট করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, ভোটে সরকারের আপত্তি নেই। তবে ভোট নিয়ে কোনো জটিলতা আছে কি না, আইনি সমস্যা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তারা। এই প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

গাজীপুর ও খুলনায় ভোটের তফসিল ৩১ মার্চ

আপডেট সময় ০৩:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের জন্য আগামী ৩১ মার্চ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা আগে হয়েছে তাই এখানের তফসিল আগে হবে।’

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে জুনের আগেই পাঁচ নগরে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই এসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। তবে ভোটের পর একেকটি সিটি করপোরেশন একেকদিন প্রথম বৈঠকে বসেছে আর ওই বৈঠক থেকেই করপোরেশনের মেয়াদ শুরু হয়।

এই পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

এই হিসাবে গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে।

সম্প্রতি এই পাঁচ সিটি করপোরেশনে ভোট করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, ভোটে সরকারের আপত্তি নেই। তবে ভোট নিয়ে কোনো জটিলতা আছে কি না, আইনি সমস্যা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন তারা। এই প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়া হবে।