ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৩ জনকে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেফতার হতে পারেন শেখ হাসিনা: আইনমন্ত্রী এবার সয়াবিন তেলের সব নমুনাতেই মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, ৯৫ শতাংশ চিনিতে ‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত

জুলাইয়ের মধ্যে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জুলাই মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

নুরুল হুদা বলেন, গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে। কখন কোন তারিখে নির্বাচন হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বলতে পারি, সব নির্বাচন হবে জুলাই মাসের মধ্যে।

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে। ২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে চারটিতে এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। প্রতিটিতেই তখন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জিতে যান। চলতি বছরই হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। তার আগে এই সিটি নির্বাচনকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

সিইসি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি অথবা এই বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে। অর্থাৎ ডিসেম্বরের ২০ তারিখের পর থেকে জানুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যেই এই নির্বাচন হবে। এই মুহূর্তে বড় বড় পাঁচ সিটির নির্বাচন নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছে কমিশন।

নুরুল হুদা বলেন, এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে সেটা কি পরিমাণে ব্যবহার করা হবে তা নির্ভর করবে ইভিএম মেশিন সম্পর্কে প্রশিক্ষণের ওপর। এ সময় বিএনপিসহ সকল দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর আগে কেএম নুরুল হুদা উপজেলার দামকুড়াহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান ও পবা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিরদা শাহানাজ পারভীন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিকালে রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তিনি আগামী সিটি ও জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কমিশনের এ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের মধ্যে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন: সিইসি

আপডেট সময় ০৫:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জুলাই মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

নুরুল হুদা বলেন, গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে। কখন কোন তারিখে নির্বাচন হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বলতে পারি, সব নির্বাচন হবে জুলাই মাসের মধ্যে।

পাঁচ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

গত ৮ মার্চ গাজীপুর এবং ১৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। অন্য করপোরেশনগুলোর মধ্যে খুলনায় ৩০ মার্চ, রাজশাহীতে ৯ এপ্রিল এবং বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ক্ষণগণনা শুরু হবে। ২০১৩ সালের ১৫ জুন একসঙ্গে চারটিতে এবং ৭ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। প্রতিটিতেই তখন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জিতে যান। চলতি বছরই হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। তার আগে এই সিটি নির্বাচনকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

সিইসি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি অথবা এই বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে। অর্থাৎ ডিসেম্বরের ২০ তারিখের পর থেকে জানুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যেই এই নির্বাচন হবে। এই মুহূর্তে বড় বড় পাঁচ সিটির নির্বাচন নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছে কমিশন।

নুরুল হুদা বলেন, এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে সেটা কি পরিমাণে ব্যবহার করা হবে তা নির্ভর করবে ইভিএম মেশিন সম্পর্কে প্রশিক্ষণের ওপর। এ সময় বিএনপিসহ সকল দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর আগে কেএম নুরুল হুদা উপজেলার দামকুড়াহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান ও পবা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিরদা শাহানাজ পারভীন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিকালে রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তিনি আগামী সিটি ও জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কমিশনের এ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।