অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গোপালগঞ্জে পুলিশের এক উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধে পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংবাদ প্রতিনিধি লিয়াকত হোসেন লিংকনের বিরুদ্ধে শেফালী বেগম (৪৮) নামে এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বাদী ওই নারী ১১ বছরের এক শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, কাশিয়ানী উপজেলা প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকরা।
সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম উদ্দিন এক নারীকে দিয়ে এলাকার নিরীহ লোকজনকে মামলা দিয়ে হয়রানি, ভূমিসংক্রান্ত বিষয়ে নিজ হাতে ম্যাপ এঁকে সিদ্ধান্ত, মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি, টাকার বিনিময়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল, হুমকি-ধমকি এবং নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের দাবিতে ১১ ফেব্রুয়ারি মানববন্ধন করে স্থানীয়রা।
এ সময় সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন লিংকনসহ উপজেলার কর্মরত সংবাদকর্মীরা মানববন্ধনের সংবাদ সংগ্রহ করতে যান। বিষয়টি জানতে পেরে এসআই শামীম সাংবাদিক লিংকনের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে হুমকি দেন এবং মানববন্ধনের সংবাদ সংগ্রহ করতে নিষেধ করেন। কিন্তু পরের দিন ‘কাশিয়ানীতে পুলিশের এসআই’র বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন’ শিরোনামে দৈনিক পত্রিকায় মানববন্ধনের সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এরপর থেকে এসআই শামীম উদ্দিন সাংবাদিক লিংকনকে বিভিন্ন লোকজন দিয়ে হুমকি দেয় এবং ফাঁসানোর জন্য পথ খুঁজতে থাকেন। অবশেষে স্থানীয় কিছু লোকের মাধ্যমে শেফালী বেগম নামে ওই নারীকে টাকার বিনিময় সাংবাদিক লিংকনকে মূল আসামি করে আদালতে সাতজনের নামে ধর্ষণ মামলা করেন। সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন লিংকন অভিযোগ করে বলেন, ‘এসআই শামীম উদ্দিন ধর্ষণ মামলার আসামি শেফালী বেগমকে তার মামলা থেকে রেহাই দেয়ার আশ্বাস দিয়ে স্থানীয় এক লোকের যোগসাজশে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিয়েছেন। অথচ মামলার বিষয় শেফালী বেগম কিছুই বলতে পারেন না।’
মামলার বাদী শেফালী বেগমের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এর কিছু জানি না। জেনে তারপর জানাব।’
কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে মামলাটি দ্রুত থানায় নথিভুক্ত করা হবে এবং ঘটনার বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে দেখা হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























