ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আবেদন পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী গণভোটের রায় মেনে নিন, না হলে করুণ পরিণতি হবে: গোলাম পরওয়ার

আমরা কি কথা বলতে পারব না: প্রধান বিচারপতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতি ও কোর্টের স্বাধীনতা খর্ব করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন, আমরা কি কিছু বলতে পারবো না? কোর্টে বসে কোনো কথা বলতে পারবো না? অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বললেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত আপিলের শুনানিতে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তাকে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনারা প্রধান বিচারপতি ও কোর্টের স্বাধীনতা খর্ব করতে করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন, আমরা কি কিছুই বলতে পারব না? আমরা কি কোর্টে বসে মন্তব্য করতে পারব না?

তিনি বলেন, ‘আপনারা জাজদের মধ্যে ডিভিশন সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। আমরা কি কোর্টে বসে মন্তব্য করতে পারব না? কিছু কিছু মন্ত্রী এজলাসে বসে কথা বলার বিষয়ে মন্তব্য করেন। এটা কি ফেয়ার? আপনাকে প্রশ্ন করছি।’প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘দুই দিক থেকে বক্তব্য আসে। বক্তব্য মিডিয়া লুফে নেয়।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি কেন এ কথা বলছেন? বিচারে আমরা পলিটিক্যাল মন্তব্য দেই না। বিচার বিভাগ সংক্রান্ত বক্তব্য দেই। বিচার বিভাগে যখন যে ইস্যু চলে আসে। যেমন আজকে মোবাইল কোর্ট সম্পর্কে। না বললে কি থাকলো, মাসদার হোসেন মামলা। আমরা পলিটিক্যাল কথা বলছি না।’

এ সময় বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা বলেন, ‘শৃঙ্খলাবিধির খসড়ার গেজেট প্রকাশের বিষয়টি আমরা সুপ্রিম কোর্টের কথা অনুসারে বলেছিলাম। কিন্তু আপনারা সেখানে সরকারের কথা বলেছেন।’

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘পলিটিক্যাল কথা বলছি না। মি. অ্যাটর্নি জেনারেল, আপনারা জাজদের মধ্যে ডিভিশন সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। পত্রিকায় এসেছে একজন, একজন বলেছেন। কোর্ট প্রসিডিংসে আদালতের কার্যক্রমে যা হয় তা নিয়ে পার্লামেন্ট এবং পাবলিকলি কথা বলার সুযোগ নেই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

আমরা কি কথা বলতে পারব না: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ০২:০১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান বিচারপতি ও কোর্টের স্বাধীনতা খর্ব করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন, আমরা কি কিছু বলতে পারবো না? কোর্টে বসে কোনো কথা বলতে পারবো না? অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বললেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত আপিলের শুনানিতে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তাকে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনারা প্রধান বিচারপতি ও কোর্টের স্বাধীনতা খর্ব করতে করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন, আমরা কি কিছুই বলতে পারব না? আমরা কি কোর্টে বসে মন্তব্য করতে পারব না?

তিনি বলেন, ‘আপনারা জাজদের মধ্যে ডিভিশন সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। আমরা কি কোর্টে বসে মন্তব্য করতে পারব না? কিছু কিছু মন্ত্রী এজলাসে বসে কথা বলার বিষয়ে মন্তব্য করেন। এটা কি ফেয়ার? আপনাকে প্রশ্ন করছি।’প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘দুই দিক থেকে বক্তব্য আসে। বক্তব্য মিডিয়া লুফে নেয়।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি কেন এ কথা বলছেন? বিচারে আমরা পলিটিক্যাল মন্তব্য দেই না। বিচার বিভাগ সংক্রান্ত বক্তব্য দেই। বিচার বিভাগে যখন যে ইস্যু চলে আসে। যেমন আজকে মোবাইল কোর্ট সম্পর্কে। না বললে কি থাকলো, মাসদার হোসেন মামলা। আমরা পলিটিক্যাল কথা বলছি না।’

এ সময় বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা বলেন, ‘শৃঙ্খলাবিধির খসড়ার গেজেট প্রকাশের বিষয়টি আমরা সুপ্রিম কোর্টের কথা অনুসারে বলেছিলাম। কিন্তু আপনারা সেখানে সরকারের কথা বলেছেন।’

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘পলিটিক্যাল কথা বলছি না। মি. অ্যাটর্নি জেনারেল, আপনারা জাজদের মধ্যে ডিভিশন সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। পত্রিকায় এসেছে একজন, একজন বলেছেন। কোর্ট প্রসিডিংসে আদালতের কার্যক্রমে যা হয় তা নিয়ে পার্লামেন্ট এবং পাবলিকলি কথা বলার সুযোগ নেই।’