ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন?… যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন?… যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।