ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে : নিপুণ রায় জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেবে না জামায়াত জোট এমপিদের অফিসের জন্য উপজেলাপ্রতি বরাদ্দ ৬ লাখ রাজশাহীর কালাইরুটি খেয়ে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বললেন ‘দারুণ মজা’ পবিত্র আশুরা ২৬ জুন চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন?… যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন?… যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।