ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন?… যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ধর্মান্ধরাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘তারা এই অন্ধত্বে ঢুকে যাচ্ছে কেন?… যদিও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে কোরো রকম সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ আমরা চলতে দেব না। এবং মাদকের বিরুদ্ধেও আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

‘এটা বোঝা যায় তারা পেছন দিক থেকে আঘাত করতে চায়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায় তারা তো ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা মনে করে একটা মানুষকে খুন করলে বুঝি বেহেশতে চলে যাবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ছেলে মেয়েরা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথে না যায়, সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষকদেরকে বাচ্চাদের ওপর নজরদারির আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। তার অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। কিন্তু যে হামলাটা হলো, যারা হামলা করলো, এরা কারা? যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা ধর্মান্ধ হয়ে গেছে। তারা ভাবে যে, তারা বেহেশতে যাবে কিন্তু আসলে তারা হয়তো দোজখে যাবে। কারণ মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার। এ দেশের মানুষকে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারলে এর চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর হতে পারে না। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চাই। এ জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী। সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে তাদের দিয়ে উন্নত যেকোনো আবিষ্কার সম্ভব। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। যারা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে পারে, ভাষার জন্য আন্দোলন করতে পারে, তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বীরের জাতি বীরের মতোই মাথা উঁচু করে বাঁচবে।