ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’:ফরিদা খানম কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডায় মাতলেন জাইমা রহমান বিমানভর্তি অর্থ দিয়ে ইরানকে চুক্তিতে রাজি করিয়েছিলেন ওবামা: ডোনাল্ড ট্রাম্প সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি আইফোন চুরির অপবাদে স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, বিক্ষোভ-ভাঙচুর এবারের বাজেট চানাচুরের মতো, শুনতে ভালো খেলে পেট খারাপ: সংসদে আমির হামজা হামের টিকাদানে গাফিলতি থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্জ্য সংগ্রহে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় হলে নতুন ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

খালেদা ভোটের যোগ্যতা হারালে কিছু করার নেই: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেগম খালেদা জিয়া আদালতের রায়ে নির্বাচন করার যোগ্যতা হারালে সরকারের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অপরাধ করেছেন বলে আদালতের পর্যবেক্ষণের কথা তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘যিনি বা যারা করেন এই অপরাধ করেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাদের ভাগ্য নির্ধারিত।’

মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ঢাকা মাওয়া মহাসড়কে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে যান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে প্রশ্ন রাখেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেত্রীর পাঁচ বছরের কারাদ- দিয়েছে একটি আদালত। সংবিধান অনুযায়ী দুই বছরের বেশি করাদ- হলে সাজা খাটার পাঁচ বছর পার না হলে নির্বাচনের যোগ্যতা থাকে না।

খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কি না-এই বিতর্ক শুরু হয় রায়ের আগে থেকেই। বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা বলছেন, বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলে রায় স্থগিত হয়ে যায়। তাই উচ্চ আদালতে মীমাংসার আগ পর্যন্ত নির্বাচন করার যোগ্যতা থাকে।

তবে উচ্চ আদালতে দুই ধরনের আদেশই আছে। বিচারিক আদালতে দন্ড হওয়ার পরও মহীউদ্দীন খান আলমগীর উচ্চ আদালতের আদেশে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আবার জরুরি অবস্থা জারির পর উচ্চ আদালতেরই আরেকটি রায়ে বলা হয়েছে, বিচারিক আদালতে দন্ডের পর আপিল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন করা যাবে না।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক খালেদা জিয়ার রায়ের দিনই এ বিষয়টি জানিয়ে বলেছেন, বিএনপি নেত্রী নির্বাচন করতে পারবেন কি না, সেটি আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত।

১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা সাংবাদিকদেরকে বলেছেন, এ বিষয়ে উচ্চ আদালত সিদ্ধান্ত দেবে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে চান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালতের রায়ে…সিদ্ধান্তে বিএনপি চেয়ারপারসন যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে সে অবস্থায় তাকে বা বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আনার কোন সুযোগ সরকারের নেই।’

বিএনপি নেতারা রায়ের আগে থেকেই বলে আসছেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া তারা নির্বাচনে আসবেন না।

কাদের বলেন, ‘আদালতের যে রায়, তার সার্টিফাইট কপি নিয়ে এতদিন তারা (বিএনপি) সন্দেহ করেছে। কপি কাল সোমবার) পেয়ে গেছে, পাওয়ার পরেও আবার নতুন নতুন নানা কথা বলছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

খালেদা ভোটের যোগ্যতা হারালে কিছু করার নেই: কাদের

আপডেট সময় ০৪:২৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেগম খালেদা জিয়া আদালতের রায়ে নির্বাচন করার যোগ্যতা হারালে সরকারের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অপরাধ করেছেন বলে আদালতের পর্যবেক্ষণের কথা তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘যিনি বা যারা করেন এই অপরাধ করেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাদের ভাগ্য নির্ধারিত।’

মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ঢাকা মাওয়া মহাসড়কে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে যান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে প্রশ্ন রাখেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেত্রীর পাঁচ বছরের কারাদ- দিয়েছে একটি আদালত। সংবিধান অনুযায়ী দুই বছরের বেশি করাদ- হলে সাজা খাটার পাঁচ বছর পার না হলে নির্বাচনের যোগ্যতা থাকে না।

খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কি না-এই বিতর্ক শুরু হয় রায়ের আগে থেকেই। বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা বলছেন, বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলে রায় স্থগিত হয়ে যায়। তাই উচ্চ আদালতে মীমাংসার আগ পর্যন্ত নির্বাচন করার যোগ্যতা থাকে।

তবে উচ্চ আদালতে দুই ধরনের আদেশই আছে। বিচারিক আদালতে দন্ড হওয়ার পরও মহীউদ্দীন খান আলমগীর উচ্চ আদালতের আদেশে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আবার জরুরি অবস্থা জারির পর উচ্চ আদালতেরই আরেকটি রায়ে বলা হয়েছে, বিচারিক আদালতে দন্ডের পর আপিল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন করা যাবে না।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক খালেদা জিয়ার রায়ের দিনই এ বিষয়টি জানিয়ে বলেছেন, বিএনপি নেত্রী নির্বাচন করতে পারবেন কি না, সেটি আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত।

১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা সাংবাদিকদেরকে বলেছেন, এ বিষয়ে উচ্চ আদালত সিদ্ধান্ত দেবে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে চান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালতের রায়ে…সিদ্ধান্তে বিএনপি চেয়ারপারসন যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে সে অবস্থায় তাকে বা বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আনার কোন সুযোগ সরকারের নেই।’

বিএনপি নেতারা রায়ের আগে থেকেই বলে আসছেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া তারা নির্বাচনে আসবেন না।

কাদের বলেন, ‘আদালতের যে রায়, তার সার্টিফাইট কপি নিয়ে এতদিন তারা (বিএনপি) সন্দেহ করেছে। কপি কাল সোমবার) পেয়ে গেছে, পাওয়ার পরেও আবার নতুন নতুন নানা কথা বলছে।’