ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ৫ বিভাগে ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল খুব শিগগিরই ইতিহাসের সবথেকে ঘৃণ্য বিরোধীদল জামায়াতের পতন হবে: রাশেদ খাঁন দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা জুনের ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হবে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসর: ডেপুটি স্পিকার ‘সংসদে একজন রাজনৈতিক নেতার অন্ধকার জীবন নিয়ে আলোচনা হোক, আমি চাই না’:স্পিকার কোনো এমপি ঋণখেলাপি নন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুনঃতপশিলের কথা সবার জানা- রুমিন

রায় নিয়ে বিশৃঙ্খলা করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: খাদ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায় নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। রায় ইস্যুতে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে তার দায়ও বিএনপিকেই নিতে হবে। বুধবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত ‘চলমান রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার রায় কী হবে তা আদালত জানে। এ মামলা বর্তমান সরকার নয়, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়ের করেছিল। কাজেই মামলায় সরকারের কোনো হাত নেই, আদালত যে রায় দেবে সেটাই হবে। কিন্তু বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় প্রমাণ হয়েছে, তারা আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। এ জন্য রায় নিয়ে তারা দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে বিএনপি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা বিলম্বিত করার কৌশল নিয়েছিল। বিএনপি নেত্রীর এ মামলার কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চললে দুই বছর আগে মামলার বিচার শেষ হতো। তখন তারা রায়ের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার যথেষ্ট সময় পেত। আওয়ামী লীগ আদালত ও রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন বানচালের অধিকার যেমন বিএনপির নেই, তেমনি নির্বাচন প্রতিহত করার শক্তিও তাদের নেই। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময় আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। বিএনপির নির্বাচনকালীন সরকারে থাকার কোনো সুযোগ নেই। কারণ বর্তমান সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।

বঙ্গবন্ধু একাডেমির উপদেষ্টা এম এ কাদের খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নূরুল আমিন রুহুল, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ৫ বিভাগে ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

রায় নিয়ে বিশৃঙ্খলা করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায় নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। রায় ইস্যুতে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে তার দায়ও বিএনপিকেই নিতে হবে। বুধবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত ‘চলমান রাজনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার রায় কী হবে তা আদালত জানে। এ মামলা বর্তমান সরকার নয়, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়ের করেছিল। কাজেই মামলায় সরকারের কোনো হাত নেই, আদালত যে রায় দেবে সেটাই হবে। কিন্তু বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় প্রমাণ হয়েছে, তারা আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। এ জন্য রায় নিয়ে তারা দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে বিএনপি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা বিলম্বিত করার কৌশল নিয়েছিল। বিএনপি নেত্রীর এ মামলার কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চললে দুই বছর আগে মামলার বিচার শেষ হতো। তখন তারা রায়ের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার যথেষ্ট সময় পেত। আওয়ামী লীগ আদালত ও রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন বানচালের অধিকার যেমন বিএনপির নেই, তেমনি নির্বাচন প্রতিহত করার শক্তিও তাদের নেই। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময় আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। বিএনপির নির্বাচনকালীন সরকারে থাকার কোনো সুযোগ নেই। কারণ বর্তমান সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।

বঙ্গবন্ধু একাডেমির উপদেষ্টা এম এ কাদের খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নূরুল আমিন রুহুল, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।