ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুশ্চিন্তায় ওয়ার্নার, দায়ী বোর্ড

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সফরটি হওয়ার কথা ছিল ২০১৫ সালে। কিন্তু নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জটিলতায় পিছিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর। দুই বছর পর আবার সেই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলেও শেষপর্যন্ত অসি ক্রিকেটাররা বাংলাদেশে আসবেন কি না, তা নিয়ে চলছে ঘোর অনিশ্চয়তা। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের মধ্যে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কারণে শেষ পর্যন্ত বাতিলও হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ সফর। এ নিয়ে বেশ উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। সবকিছুর জন্য তিনি অবশ্য দায়ী করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডকে।

গত জুন মাসে শেষ হয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও ক্রিকেটারদের মধ্যকার কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ। নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করা নিয়েই টালমাটাল অবস্থা চলছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট অঙ্গনে। নতুন চুক্তিতে ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা বেশ খানিকটা বাড়ানো হলেও ক্রিকেটারদের সঙ্গে আগের মতো লভ্যাংশ ভাগাভাগিতে রাজি হচ্ছে না অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড। এতেই বেশ চটেছে দেশটির ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বয়কটও করেছে অস্ট্রেলিয়ার ‘এ’ দল।

দ্রুতই একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে বাতিলের খাতায় চলে যেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফরটাও। এ নিয়ে বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়ার্নার বলেছেন, ‘আমার কাছে গ্রিন ব্যাগি ক্যাপটাই পুরো দুনিয়া। আমার মতো অন্য ক্রিকেটাররাও চান খেলতে। কিন্তু তাঁরা সবাই এখন বেকার অবস্থায় আছেন। এতে আমাদের অর্থনৈতিক ঝামেলার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তারপরও সবাই অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ওদিকে ক্রিকেট প্রশাসকরা কিন্তু ঠিকই বেতন পাচ্ছেন। কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারাটা আমাদের ভুল হলো কীভাবে?’

ওয়ার্নার আরো বলেছেন, ‘আমাদের মনে হচ্ছে, বর্তমান পরিস্থিতিটা শুধু বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারটাই সংশয়ে ফেলেনি। একই সঙ্গে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে ভারত সফর। এমনকি অ্যাশেজ নিয়েও আছে সংশয়।’

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার জন্য আগামী ১৮ আগস্ট বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের। এরপর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছে অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফর। আর নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজ সিরিজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুশ্চিন্তায় ওয়ার্নার, দায়ী বোর্ড

আপডেট সময় ০২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সফরটি হওয়ার কথা ছিল ২০১৫ সালে। কিন্তু নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জটিলতায় পিছিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর। দুই বছর পর আবার সেই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলেও শেষপর্যন্ত অসি ক্রিকেটাররা বাংলাদেশে আসবেন কি না, তা নিয়ে চলছে ঘোর অনিশ্চয়তা। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের মধ্যে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কারণে শেষ পর্যন্ত বাতিলও হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ সফর। এ নিয়ে বেশ উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। সবকিছুর জন্য তিনি অবশ্য দায়ী করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডকে।

গত জুন মাসে শেষ হয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও ক্রিকেটারদের মধ্যকার কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ। নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করা নিয়েই টালমাটাল অবস্থা চলছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট অঙ্গনে। নতুন চুক্তিতে ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা বেশ খানিকটা বাড়ানো হলেও ক্রিকেটারদের সঙ্গে আগের মতো লভ্যাংশ ভাগাভাগিতে রাজি হচ্ছে না অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড। এতেই বেশ চটেছে দেশটির ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বয়কটও করেছে অস্ট্রেলিয়ার ‘এ’ দল।

দ্রুতই একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে বাতিলের খাতায় চলে যেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফরটাও। এ নিয়ে বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়ার্নার বলেছেন, ‘আমার কাছে গ্রিন ব্যাগি ক্যাপটাই পুরো দুনিয়া। আমার মতো অন্য ক্রিকেটাররাও চান খেলতে। কিন্তু তাঁরা সবাই এখন বেকার অবস্থায় আছেন। এতে আমাদের অর্থনৈতিক ঝামেলার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তারপরও সবাই অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ওদিকে ক্রিকেট প্রশাসকরা কিন্তু ঠিকই বেতন পাচ্ছেন। কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারাটা আমাদের ভুল হলো কীভাবে?’

ওয়ার্নার আরো বলেছেন, ‘আমাদের মনে হচ্ছে, বর্তমান পরিস্থিতিটা শুধু বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারটাই সংশয়ে ফেলেনি। একই সঙ্গে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে ভারত সফর। এমনকি অ্যাশেজ নিয়েও আছে সংশয়।’

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার জন্য আগামী ১৮ আগস্ট বাংলাদেশে আসার কথা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের। এরপর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছে অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফর। আর নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজ সিরিজ।