ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন, লাশ মিলল রান্না ঘরে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের কাউনিয়ায় ধারের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে সিরাজুল ইসলামকে খুন করেছেন তার ঘাতক বন্ধু ফরিদ হোসেন। হত্যা করে লাশ পুতে রেখেছেন তার রান্না ঘরের মেঝেতে। শনিবার দুপুরে হারাগাছের হকবাজার মালিয়াটারি এলাকা থেকে পুলিশ সিরাজুলের গলিত লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক ফরিদ ও তার স্ত্রী মিস্টি বেগমকে আটক করে।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ বলেন, নিহত সিরাজুল ও ঘাতক ফরিদ একে অপরের বন্ধু ছিলেন। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। বন্ধু হওয়ায় ফরিদ হোসেনকে ৭০ হাজার টাকা ধার দেন সিরাজুল। পুলিশ ধারণা করছে- ধারের টাকা আদায় করতে গিয়ে খুন হয়েছেন সিরাজুল।

নিহত সিরাজুল হারাগাছের মালিয়াটারী গ্রামের মফেল উদ্দিলের ছেলে। আর একই গ্রামের ফুল বাবুর ছেলে ঘাতক ফরিদ হোসেন। ফরিদ পেশায় কামার।

পুলিশ জানায়, গত ১৭ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে সিরাজুল বাজার বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এতে কাউনিয়া থানায় একটি জিডি করেন তার স্বজনরা। জিডির সূত্র ধরে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাউনিয়া থানা পুলিশ অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে গত শুক্রবার রাতে ঘাতক ফরিদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় সে হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করেন এবং তার স্ত্রীও জড়িত বলে সে জানায়। ওই রাতে ফরিদের স্ত্রী মিনি বেগম মিষ্টিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দুইজনের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিখোঁজ সিরাজুলের লাশ ফরিদের বাড়ির রান্না ঘরে মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন, লাশ মিলল রান্না ঘরে

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের কাউনিয়ায় ধারের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে সিরাজুল ইসলামকে খুন করেছেন তার ঘাতক বন্ধু ফরিদ হোসেন। হত্যা করে লাশ পুতে রেখেছেন তার রান্না ঘরের মেঝেতে। শনিবার দুপুরে হারাগাছের হকবাজার মালিয়াটারি এলাকা থেকে পুলিশ সিরাজুলের গলিত লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক ফরিদ ও তার স্ত্রী মিস্টি বেগমকে আটক করে।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ বলেন, নিহত সিরাজুল ও ঘাতক ফরিদ একে অপরের বন্ধু ছিলেন। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। বন্ধু হওয়ায় ফরিদ হোসেনকে ৭০ হাজার টাকা ধার দেন সিরাজুল। পুলিশ ধারণা করছে- ধারের টাকা আদায় করতে গিয়ে খুন হয়েছেন সিরাজুল।

নিহত সিরাজুল হারাগাছের মালিয়াটারী গ্রামের মফেল উদ্দিলের ছেলে। আর একই গ্রামের ফুল বাবুর ছেলে ঘাতক ফরিদ হোসেন। ফরিদ পেশায় কামার।

পুলিশ জানায়, গত ১৭ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে সিরাজুল বাজার বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এতে কাউনিয়া থানায় একটি জিডি করেন তার স্বজনরা। জিডির সূত্র ধরে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাউনিয়া থানা পুলিশ অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে গত শুক্রবার রাতে ঘাতক ফরিদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় সে হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করেন এবং তার স্ত্রীও জড়িত বলে সে জানায়। ওই রাতে ফরিদের স্ত্রী মিনি বেগম মিষ্টিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দুইজনের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিখোঁজ সিরাজুলের লাশ ফরিদের বাড়ির রান্না ঘরে মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।