ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদক মামলায় বন্দি পাকিস্তানির মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক মামলায় বন্দি এক পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম মোহাম্মদ হারুন (৫৬)। শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তিনি মারা যান। মোহাম্মদ হারুন পাকিস্তানের করাচির বাসিন্দা মৃত আবদুর রহমানের ছেলে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার রাতে কারাগারের ভেতর হারুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতাল নেওয়া হয়। তবে, অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হারুন ঢাকার বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলার আসামি ছিলেন। তিনি ২০১৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২–এ বন্দি ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, হারুনের লাশের ময়নাতদন্ত হবে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। লাশটি সংরক্ষণ করা হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে। পরে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাস যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাশ পাকিস্তানে তাঁর পরিবারের কাছে পাঠানো হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

মাদক মামলায় বন্দি পাকিস্তানির মৃত্যু

আপডেট সময় ০৯:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক মামলায় বন্দি এক পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম মোহাম্মদ হারুন (৫৬)। শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তিনি মারা যান। মোহাম্মদ হারুন পাকিস্তানের করাচির বাসিন্দা মৃত আবদুর রহমানের ছেলে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার রাতে কারাগারের ভেতর হারুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতাল নেওয়া হয়। তবে, অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হারুন ঢাকার বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলার আসামি ছিলেন। তিনি ২০১৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২–এ বন্দি ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, হারুনের লাশের ময়নাতদন্ত হবে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। লাশটি সংরক্ষণ করা হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে। পরে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাস যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাশ পাকিস্তানে তাঁর পরিবারের কাছে পাঠানো হবে।