ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশকে ৬০০ কোটি টাকা সহায়তা কমালো ট্রাম্প

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন দেশে মার্কিন সহায়তার পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে কমিয়ে এনেছে ট্রাম্প সরকার। চলতি বছর এ খাতে মাত্র আড়াই হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ রেখেছে দেশটি। এর মধ্যে বেশির ভাগই যাবে ইসরাইল, মিসরের মতো মিত্র দেশগুলোতে। বাংলাদেশসহ অন্যান্য বহু দেশে মার্কিন সহায়তা কমছে এ বছর। যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন অ্যাসিস্ট্যান্স বিভাগের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এ তথ্য।

ট্রাম্প প্রশাসনের তরফ থেকে বাংলাদেশের জন্য নির্দিষ্ট করে কোনো হুমকি-হুশিয়ারি না এলেও অর্থসহায়তা কমছে বাংলাদেশের জন্য। ২০১৭ সালে ২২ কোটি ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা) বরাদ্দ ছিল ওয়াশিংটনের। ২০১৮ সালে ৪০ শতাংশ (প্রায় ৬০০ কোটি টাকা) কমে তা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলারে। এবারও অবশ্য মার্কিন সহায়তা প্রাপ্তির তালিকায় ২৫ নম্বরে বাংলাদেশ।

দীর্ঘদিন ধরেই এককভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ১৫০টি দেশে বিভিন্ন খাতে বার্ষিক অর্থসহায়তা দিয়ে থাকে দেশটি। পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা ইউএসএআইডির মাধ্যমে বছরজুড়ে বণ্টন হয় বরাদ্দ করা তহবিল।

এক বছর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বাজেট তিন ভাগের এক ভাগ কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন। তবে নতুন বছরের পরিকল্পনায় দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি সহায়তা কমে প্রায় অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছরে, এ খাতে গড়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ ছিল ওয়াশিংটনের। এ বছর তা নেমে এসেছে মাত্র আড়াই হাজার কোটিতে।

গত ডিসেম্বরে জেরুজালেম ইস্যুতে জাতিসংঘে ভোটাভুটির সময় থেকেই প্রকাশ্যে বিভিন্ন দেশে অর্থসহায়তা কমানোর হুমকি দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সবশেষ সে হুমকি পায় পাকিস্তান ও ফিলিস্তিন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে একসময়ের মিত্র পাকিস্তানে কয়েক বছর ধরেই সহায়তা কমছে যুক্তরাষ্ট্রের। তিন বছর আগেও শতকোটি ডলার পাওয়া ইসলামাবাদের জন্য এ বছর বরাদ্দ মাত্র ৩৪ কোটি ডলার।

সামগ্রিকভাবে বিদেশি সহায়তা কমানো হলেও মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রধান মিত্র ইসরাইল ও মিসরের ক্ষেত্রে মার্কিন নীতি আগের মতোই আছে। ২০১৮ সালেও এ দুই দেশের জন্য শতকোটি ডলার বরাদ্দ রেখেছে ওয়াশিংটন। এ অর্থের বড় অংশই যাবে সামরিক খাতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে ৬০০ কোটি টাকা সহায়তা কমালো ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন দেশে মার্কিন সহায়তার পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে কমিয়ে এনেছে ট্রাম্প সরকার। চলতি বছর এ খাতে মাত্র আড়াই হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ রেখেছে দেশটি। এর মধ্যে বেশির ভাগই যাবে ইসরাইল, মিসরের মতো মিত্র দেশগুলোতে। বাংলাদেশসহ অন্যান্য বহু দেশে মার্কিন সহায়তা কমছে এ বছর। যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন অ্যাসিস্ট্যান্স বিভাগের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এ তথ্য।

ট্রাম্প প্রশাসনের তরফ থেকে বাংলাদেশের জন্য নির্দিষ্ট করে কোনো হুমকি-হুশিয়ারি না এলেও অর্থসহায়তা কমছে বাংলাদেশের জন্য। ২০১৭ সালে ২২ কোটি ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা) বরাদ্দ ছিল ওয়াশিংটনের। ২০১৮ সালে ৪০ শতাংশ (প্রায় ৬০০ কোটি টাকা) কমে তা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলারে। এবারও অবশ্য মার্কিন সহায়তা প্রাপ্তির তালিকায় ২৫ নম্বরে বাংলাদেশ।

দীর্ঘদিন ধরেই এককভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ১৫০টি দেশে বিভিন্ন খাতে বার্ষিক অর্থসহায়তা দিয়ে থাকে দেশটি। পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা ইউএসএআইডির মাধ্যমে বছরজুড়ে বণ্টন হয় বরাদ্দ করা তহবিল।

এক বছর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পর আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বাজেট তিন ভাগের এক ভাগ কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন। তবে নতুন বছরের পরিকল্পনায় দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি সহায়তা কমে প্রায় অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছরে, এ খাতে গড়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ ছিল ওয়াশিংটনের। এ বছর তা নেমে এসেছে মাত্র আড়াই হাজার কোটিতে।

গত ডিসেম্বরে জেরুজালেম ইস্যুতে জাতিসংঘে ভোটাভুটির সময় থেকেই প্রকাশ্যে বিভিন্ন দেশে অর্থসহায়তা কমানোর হুমকি দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সবশেষ সে হুমকি পায় পাকিস্তান ও ফিলিস্তিন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে একসময়ের মিত্র পাকিস্তানে কয়েক বছর ধরেই সহায়তা কমছে যুক্তরাষ্ট্রের। তিন বছর আগেও শতকোটি ডলার পাওয়া ইসলামাবাদের জন্য এ বছর বরাদ্দ মাত্র ৩৪ কোটি ডলার।

সামগ্রিকভাবে বিদেশি সহায়তা কমানো হলেও মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রধান মিত্র ইসরাইল ও মিসরের ক্ষেত্রে মার্কিন নীতি আগের মতোই আছে। ২০১৮ সালেও এ দুই দেশের জন্য শতকোটি ডলার বরাদ্দ রেখেছে ওয়াশিংটন। এ অর্থের বড় অংশই যাবে সামরিক খাতে।