ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফিলিপাইনে ঝড়ে ২০০ জনের প্রাণহানি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ে এখন পর্যন্ত ২০০ জনের বেশি লোক প্রাণ হারিয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ১৬০ জন। রবিবার অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম এবিসি নিউজ জানায়, ফিলিপাইনের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিন্দানাও দ্বীপে ঝড়টি আঘাত হানে। ঝড়ের কারণে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতে কয়েকটি শহর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে এবং এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এই দ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় তেমবিন মিন্দানাও দ্বীপের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। এখানে দুই কোটি লোকের বাস। ঝড়টি ঘন্টায় ১২৫ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায় এবং এর প্রভাবে প্রবল বর্ষণ সৃষ্টি হয়। এর ফলে সপ্তাহান্তে অন্তত একটি পাহাড়ের পাদদেশের গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ওই এলাকায় ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চলছে। তবে অব্যাহত ভারী বর্ষণ, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং রাস্তায় গাছপালা পড়ে থাকার উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মিন্দানাও দ্বীপে উত্তরাঞ্চলে ১৩২ জনের মৃত্যু এবং ৭২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়াও জামবোঙ্গা উপদ্বীপে ৪৭ জনের প্রাণহানি এবং ৭২ জন নিখোঁজ রয়েছে। ৪০ হাজারের বেশি লোক আশ্রয় শিবিরে অবস্থান করছে। রবিবার ভোরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় তেমবিন দক্ষিণ চীন সাগর থেকে অগ্রসর হয়ে আঘাত হানে।

ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস অ্যান্ড রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) জানিয়েছে, ঝড়ের আঘাতের কারণে এখন পর্যন্ত মোট ৭০ হাজার লোক গৃহহীন অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হতে পারে।

আইএফআরসি’র ফিলিপাইনস অপারেশন অ্যান্ড প্রোগ্রামস ম্যানেজার প্যাট্রিক ইলিওট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ফেলে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে গেছে।’ ফিলিপাইনে প্রতি বছর বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঝড় আঘাত হানে। তবে মিন্দানাওয়ে খুব একটা ঝড় দেখা যায় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ফিলিপাইনে ঝড়ে ২০০ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ে এখন পর্যন্ত ২০০ জনের বেশি লোক প্রাণ হারিয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ১৬০ জন। রবিবার অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম এবিসি নিউজ জানায়, ফিলিপাইনের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিন্দানাও দ্বীপে ঝড়টি আঘাত হানে। ঝড়ের কারণে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতে কয়েকটি শহর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে এবং এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এই দ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় তেমবিন মিন্দানাও দ্বীপের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। এখানে দুই কোটি লোকের বাস। ঝড়টি ঘন্টায় ১২৫ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায় এবং এর প্রভাবে প্রবল বর্ষণ সৃষ্টি হয়। এর ফলে সপ্তাহান্তে অন্তত একটি পাহাড়ের পাদদেশের গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ওই এলাকায় ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চলছে। তবে অব্যাহত ভারী বর্ষণ, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং রাস্তায় গাছপালা পড়ে থাকার উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মিন্দানাও দ্বীপে উত্তরাঞ্চলে ১৩২ জনের মৃত্যু এবং ৭২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়াও জামবোঙ্গা উপদ্বীপে ৪৭ জনের প্রাণহানি এবং ৭২ জন নিখোঁজ রয়েছে। ৪০ হাজারের বেশি লোক আশ্রয় শিবিরে অবস্থান করছে। রবিবার ভোরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় তেমবিন দক্ষিণ চীন সাগর থেকে অগ্রসর হয়ে আঘাত হানে।

ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস অ্যান্ড রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) জানিয়েছে, ঝড়ের আঘাতের কারণে এখন পর্যন্ত মোট ৭০ হাজার লোক গৃহহীন অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হতে পারে।

আইএফআরসি’র ফিলিপাইনস অপারেশন অ্যান্ড প্রোগ্রামস ম্যানেজার প্যাট্রিক ইলিওট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ফেলে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে গেছে।’ ফিলিপাইনে প্রতি বছর বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঝড় আঘাত হানে। তবে মিন্দানাওয়ে খুব একটা ঝড় দেখা যায় না।