ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কী, নাই সেটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

হ্যালো এভরিওয়ান, দুঃখিত এত রাত্রে লাইভে আসার জন্য, কিন্তু আমি হচ্ছে এই মাত্র শ্যুট থেকে ফিরেছি তো, আজকেই লাইভে আসা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল,  আমি সকাল থেকে চেষ্টা করছিলাম লাইভে আসবো সময় হচ্ছিল না। তাই শ্যুট শেষ করে এখন আমার লাইভে আসতে হলো…

যারা আমার নামে গুজব ছড়াচ্ছেন সেটা খুবই খারাপ, এটা কখনই করবেন না কারণ যেটা আপনারা না জানেন সেটা নিয়ে কথা বলা একদমই ঠিক না, ভুল কিছু নিয়ে কথা বলা আরও ঠিক না।

প্রথমত যারা যারা বলছেন, আমার হাসি পাচ্ছে আমি স্তম্ভিত, অনেক আগ থেকেই বলেছেন, আমি কথাটা পাত্তা দিই নাই। কিছু বলিও নাই। আজকে আমি দেখলাম তারা সবার কাছে বলে বেড়াচ্ছে ফালতু একটা পরিস্থিতি তৈরি করছে সেটা হচ্ছে আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে। আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কী, নাই সেটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। তাই ওইটা নিয়ে কথা বলা প্রশ্নই আসে না। প্রশ্ন আসলেও আপনারা ভুল তথ্য কেন দেবেন।

একটা মানুষের সঙ্গে কাজ করলেই, ভালো সম্পর্ক হলেই বন্ধু হলেই সে আমার বয়ফ্রেন্ড হয়ে গেল, তার সঙ্গে একদিন ঘুরতে গেলেই, হ্যাংগাউট করলেই সে আমার বয়ফ্রেন্ড হয়ে গেলে এমন কিছু নয়। আপনারা এটা গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন। দয়া করে আপনারা গুজব ছড়াবেন না।

এতে আমার ব্যক্তি জীবনে অনেক প্রভাব পড়ে।

যারা যারা বলছেন, পিন মেরে মেরে বলছেন, খোঁচা মেরে মেরে বলছেন, ও তুমি মিডিয়াতে কাজ করো, তুমি বিয়ে করো না কিন্তু। সো ফানি, কেন বিয়ে করবো না? আসলে দোষটা আপনাদেরও না, ওই যে আপনারা দেখে আসছেন,  কিন্তু আপনাদের একটা কথা স্পষ্ট করে বলি, সবাই যে একরকম হবে সেরকম কিছু না, মানুষের মধ্যে ব্যতিক্রম থাকে, মিডিয়াতে কাজ করলেই যে সবাই একরকম হয়ে যাবে সেরকম কিছু না। মিডিয়াতে কাজ করি বলে আমি যে বিয়ে করতে পারবো না, সংসার করতে পারবো না, সংসারে টিকতে পারবো না সেরকম কিছু না।

আমি মনে করছি মিডিয়াতে যারা আছেন সিনিয়র শিল্পীরা যাদের বিচ্ছেদ হচ্ছে, তাদের সমস্যা হচ্ছে সংসার নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত বিষয় এবং একটা সংসারে সমস্যা হতেই পারে। এটা মিডিয়া বলে আপনাদের চোখে পড়ছে, মিডিয়ার বাইরে যে এটা হচ্ছে না তেমন কিন্তু না, মিডিয়ার বাইরেও হচ্ছে, এবং অনেক বেশি হচ্ছে, কিন্তু সেটা দেখা যাচ্ছে না মিডিয়া সবসময় ফোকাসে থাকে তাই মিডিয়ার বিষয়টা বেশি দেখা যায়। তাই এরকম কথা দয়া করে কেউ বলবেন না যে, তুমি মিডিয়াতে কাজ করো এজন্য তুমি বিয়ে/সংসারে টিকতে পারবা না, বিয়ে করতে পারবা না…

যাদের যাদের ব্যক্তিগত বিষয়, কারা বিয়ে করছে, কারা বিয়ে করবে না কারা ডিভোর্স দেবে সেটা তাদের পার্সোনাল বিষয়, তাদের পার্সোনাল বিষয় নিয়ে কথা না বলাই ভালো, তাদের মতো তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেন, তাদের মতো তাদের থাকতে দেন, যদি তারা ডিভোর্স দিয়ে সুখে থাকে, থাকতে দেন না সুখে, সমস্যা কী? লাইক চিল, না…

আপনাদের কী আর কোনো কাজ নাই? কেন একটা মানুষের ডিভোর্স হচ্ছে সেটা নিয়ে মজা করার কী আছে? সেটা নিয়ে হাইলাইট, ব্রেকিং নিউজ, হ্যাঁ ড্যাশ ড্যাশ ড্যাশ, সংসার ভেঙে যাচ্ছে, আজই হচ্ছে ডিভোর্স, আজই হচ্ছে এটা, এখন কী হবে? ইত্যাদি ইত্যাদি, মানে এগুলো কেন থাকবে? একটা সংসার ভাঙছে ভাই, স্বাভাবিক কিছু না যে এটা নিয়ে মজা করতে হবে।

সো ভাই আপনাদের অনুরোধ করবো, মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে, মিডিয়াতে কাজ করলে সে তারকা হলেই তাকে নিয়ে এত লাফাইতে হবে, এত ফোকাস করতে হবে, তার ক্যরিয়ার নিয়ে মজা করতে হবে এমন কিছু না। এগুলোর নেতিবাচক প্রভাব অনেক বেশি পড়ে।

(মডেলের ফেসবুক লাইভ থেকে নেয়া)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কী, নাই সেটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়

আপডেট সময় ০৬:০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

হ্যালো এভরিওয়ান, দুঃখিত এত রাত্রে লাইভে আসার জন্য, কিন্তু আমি হচ্ছে এই মাত্র শ্যুট থেকে ফিরেছি তো, আজকেই লাইভে আসা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল,  আমি সকাল থেকে চেষ্টা করছিলাম লাইভে আসবো সময় হচ্ছিল না। তাই শ্যুট শেষ করে এখন আমার লাইভে আসতে হলো…

যারা আমার নামে গুজব ছড়াচ্ছেন সেটা খুবই খারাপ, এটা কখনই করবেন না কারণ যেটা আপনারা না জানেন সেটা নিয়ে কথা বলা একদমই ঠিক না, ভুল কিছু নিয়ে কথা বলা আরও ঠিক না।

প্রথমত যারা যারা বলছেন, আমার হাসি পাচ্ছে আমি স্তম্ভিত, অনেক আগ থেকেই বলেছেন, আমি কথাটা পাত্তা দিই নাই। কিছু বলিও নাই। আজকে আমি দেখলাম তারা সবার কাছে বলে বেড়াচ্ছে ফালতু একটা পরিস্থিতি তৈরি করছে সেটা হচ্ছে আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে। আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কী, নাই সেটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। তাই ওইটা নিয়ে কথা বলা প্রশ্নই আসে না। প্রশ্ন আসলেও আপনারা ভুল তথ্য কেন দেবেন।

একটা মানুষের সঙ্গে কাজ করলেই, ভালো সম্পর্ক হলেই বন্ধু হলেই সে আমার বয়ফ্রেন্ড হয়ে গেল, তার সঙ্গে একদিন ঘুরতে গেলেই, হ্যাংগাউট করলেই সে আমার বয়ফ্রেন্ড হয়ে গেলে এমন কিছু নয়। আপনারা এটা গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন। দয়া করে আপনারা গুজব ছড়াবেন না।

এতে আমার ব্যক্তি জীবনে অনেক প্রভাব পড়ে।

যারা যারা বলছেন, পিন মেরে মেরে বলছেন, খোঁচা মেরে মেরে বলছেন, ও তুমি মিডিয়াতে কাজ করো, তুমি বিয়ে করো না কিন্তু। সো ফানি, কেন বিয়ে করবো না? আসলে দোষটা আপনাদেরও না, ওই যে আপনারা দেখে আসছেন,  কিন্তু আপনাদের একটা কথা স্পষ্ট করে বলি, সবাই যে একরকম হবে সেরকম কিছু না, মানুষের মধ্যে ব্যতিক্রম থাকে, মিডিয়াতে কাজ করলেই যে সবাই একরকম হয়ে যাবে সেরকম কিছু না। মিডিয়াতে কাজ করি বলে আমি যে বিয়ে করতে পারবো না, সংসার করতে পারবো না, সংসারে টিকতে পারবো না সেরকম কিছু না।

আমি মনে করছি মিডিয়াতে যারা আছেন সিনিয়র শিল্পীরা যাদের বিচ্ছেদ হচ্ছে, তাদের সমস্যা হচ্ছে সংসার নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত বিষয় এবং একটা সংসারে সমস্যা হতেই পারে। এটা মিডিয়া বলে আপনাদের চোখে পড়ছে, মিডিয়ার বাইরে যে এটা হচ্ছে না তেমন কিন্তু না, মিডিয়ার বাইরেও হচ্ছে, এবং অনেক বেশি হচ্ছে, কিন্তু সেটা দেখা যাচ্ছে না মিডিয়া সবসময় ফোকাসে থাকে তাই মিডিয়ার বিষয়টা বেশি দেখা যায়। তাই এরকম কথা দয়া করে কেউ বলবেন না যে, তুমি মিডিয়াতে কাজ করো এজন্য তুমি বিয়ে/সংসারে টিকতে পারবা না, বিয়ে করতে পারবা না…

যাদের যাদের ব্যক্তিগত বিষয়, কারা বিয়ে করছে, কারা বিয়ে করবে না কারা ডিভোর্স দেবে সেটা তাদের পার্সোনাল বিষয়, তাদের পার্সোনাল বিষয় নিয়ে কথা না বলাই ভালো, তাদের মতো তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেন, তাদের মতো তাদের থাকতে দেন, যদি তারা ডিভোর্স দিয়ে সুখে থাকে, থাকতে দেন না সুখে, সমস্যা কী? লাইক চিল, না…

আপনাদের কী আর কোনো কাজ নাই? কেন একটা মানুষের ডিভোর্স হচ্ছে সেটা নিয়ে মজা করার কী আছে? সেটা নিয়ে হাইলাইট, ব্রেকিং নিউজ, হ্যাঁ ড্যাশ ড্যাশ ড্যাশ, সংসার ভেঙে যাচ্ছে, আজই হচ্ছে ডিভোর্স, আজই হচ্ছে এটা, এখন কী হবে? ইত্যাদি ইত্যাদি, মানে এগুলো কেন থাকবে? একটা সংসার ভাঙছে ভাই, স্বাভাবিক কিছু না যে এটা নিয়ে মজা করতে হবে।

সো ভাই আপনাদের অনুরোধ করবো, মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে, মিডিয়াতে কাজ করলে সে তারকা হলেই তাকে নিয়ে এত লাফাইতে হবে, এত ফোকাস করতে হবে, তার ক্যরিয়ার নিয়ে মজা করতে হবে এমন কিছু না। এগুলোর নেতিবাচক প্রভাব অনেক বেশি পড়ে।

(মডেলের ফেসবুক লাইভ থেকে নেয়া)