ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যন্ত্রণাদায়ক হেঁচকি বন্ধ করুন মাত্র ২ মিনিটে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হেঁচকি ওঠা সব চাইতে যন্ত্রণাদায়ক একটি ব্যাপার। আর হেঁচকি শুরু হলে যদি বন্ধ না হয় তাহলে তা হয় আরও যন্ত্রণা ও অস্বস্তির ব্যাপার। হেঁচকির আওয়াজ আশেপাশের অন্য মানুষের জন্য বেশ বিরক্তিকর ও অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আর নিজের কাছে তো যন্ত্রণারই।

যতক্ষণ পর্যন্ত হেঁচকি বন্ধ না হয় প্রকৃতপক্ষে কিছুই করা সম্ভব হয় না। কাজ করার সুযোগই থাকে না। তাই আজ আপনাদের জন্য রইল হেঁচকি উঠা বন্ধের খুব কার্যকরী কিছু কাজ। খুব সহজে মাত্র ২ মিনিটে বন্ধ করে দিন এই যন্ত্রণাদায়ক হেঁচকি ওঠা।
খানিকক্ষণ দম বন্ধ রাখুন

হেঁচকি উঠা শুরু হলে খুব জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে দম বন্ধ করে রাখুন ১০-১৫ সেকেন্ডের মতো। এভাবে ৩/৪ বার করুন। দেখবেন হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রথম দফায় বন্ধ না হলে মিনিট ৫ পাঁচেক পর আবার একইভাবে চেষ্টা করুন। হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
পলিথিন ব্যবহার করুন

খুব হেঁচকি উঠছে। কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে যাওয়া। রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে গেলেই হেঁচকি ওঠা শুরু হয়। একটি কাগজ অথবা পলিথিনের ব্যাগ মুখের সামনে নিয়ে এসে ওর মধ্যে মুখটা ঢুকিয়ে নিঃশ্বাস নিন ও ছাড়ুন।

এতে আপনার রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাবে। যখন রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ঠিক হবে তখন আপনাআপনিই আপনার হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
খুব ঠাণ্ডা পানি পান করুন

একটি গ্লাসে খুব ঠাণ্ডা পানি নিয়ে থুতনি উঁচু করে অল্প অল্প করে চুমুক দিতে থাকুন। ২ মিনিটের মধ্যেই হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পানি অনেক বেশি ঠাণ্ডা হতে হবে।
হাঁটু ভাঁজ করুন

হাঁটু ভাঁজ করে নিয়ে বুকের কাছে শক্ত করে দুহাত জড়িয়ে ধরে রাখুন। বড় বড় নিঃশ্বাস নিন ও ছাড়ুন। দ্রুত হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
ভিনেগার ব্যবহার করুন

ভিনেগার একটি ভালো জিনিস হেঁচকি ওঠা বন্ধের। হেঁচকির সমস্যা থেকে মুক্তি চাইলে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মুখের ভেতর দিয়ে রাখুন। দেখবেন হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে মুখে গন্ধ হয় বলে এই কাজটি কেউ সহসা করতে চান না।
নাক টিপে ঢোক গিলুন

একহাতে নাক টিপে ধরে ঢোক গিলুন। এভাবে ঢোক গিলতে থাকুন ৩০ সেকেন্ড পর পর। দু মিনিটেই হেঁচকি উঠা বন্ধ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যন্ত্রণাদায়ক হেঁচকি বন্ধ করুন মাত্র ২ মিনিটে

আপডেট সময় ০২:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হেঁচকি ওঠা সব চাইতে যন্ত্রণাদায়ক একটি ব্যাপার। আর হেঁচকি শুরু হলে যদি বন্ধ না হয় তাহলে তা হয় আরও যন্ত্রণা ও অস্বস্তির ব্যাপার। হেঁচকির আওয়াজ আশেপাশের অন্য মানুষের জন্য বেশ বিরক্তিকর ও অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আর নিজের কাছে তো যন্ত্রণারই।

যতক্ষণ পর্যন্ত হেঁচকি বন্ধ না হয় প্রকৃতপক্ষে কিছুই করা সম্ভব হয় না। কাজ করার সুযোগই থাকে না। তাই আজ আপনাদের জন্য রইল হেঁচকি উঠা বন্ধের খুব কার্যকরী কিছু কাজ। খুব সহজে মাত্র ২ মিনিটে বন্ধ করে দিন এই যন্ত্রণাদায়ক হেঁচকি ওঠা।
খানিকক্ষণ দম বন্ধ রাখুন

হেঁচকি উঠা শুরু হলে খুব জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে দম বন্ধ করে রাখুন ১০-১৫ সেকেন্ডের মতো। এভাবে ৩/৪ বার করুন। দেখবেন হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রথম দফায় বন্ধ না হলে মিনিট ৫ পাঁচেক পর আবার একইভাবে চেষ্টা করুন। হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
পলিথিন ব্যবহার করুন

খুব হেঁচকি উঠছে। কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে যাওয়া। রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে গেলেই হেঁচকি ওঠা শুরু হয়। একটি কাগজ অথবা পলিথিনের ব্যাগ মুখের সামনে নিয়ে এসে ওর মধ্যে মুখটা ঢুকিয়ে নিঃশ্বাস নিন ও ছাড়ুন।

এতে আপনার রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাবে। যখন রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ঠিক হবে তখন আপনাআপনিই আপনার হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
খুব ঠাণ্ডা পানি পান করুন

একটি গ্লাসে খুব ঠাণ্ডা পানি নিয়ে থুতনি উঁচু করে অল্প অল্প করে চুমুক দিতে থাকুন। ২ মিনিটের মধ্যেই হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পানি অনেক বেশি ঠাণ্ডা হতে হবে।
হাঁটু ভাঁজ করুন

হাঁটু ভাঁজ করে নিয়ে বুকের কাছে শক্ত করে দুহাত জড়িয়ে ধরে রাখুন। বড় বড় নিঃশ্বাস নিন ও ছাড়ুন। দ্রুত হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
ভিনেগার ব্যবহার করুন

ভিনেগার একটি ভালো জিনিস হেঁচকি ওঠা বন্ধের। হেঁচকির সমস্যা থেকে মুক্তি চাইলে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মুখের ভেতর দিয়ে রাখুন। দেখবেন হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে মুখে গন্ধ হয় বলে এই কাজটি কেউ সহসা করতে চান না।
নাক টিপে ঢোক গিলুন

একহাতে নাক টিপে ধরে ঢোক গিলুন। এভাবে ঢোক গিলতে থাকুন ৩০ সেকেন্ড পর পর। দু মিনিটেই হেঁচকি উঠা বন্ধ হবে।