ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল ফখরুলরা: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এক সময় এই দেশে নিষিদ্ধ করেছিল ফখরুলরা (বিএনপির মহাসচিব) নিষিদ্ধ করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা এই ভাষণ প্রচার করতে পারিনি, মাইক কেড়ে নিত।’

রবিবার সচিবালয়ে ঢাকায় ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত যাও তাবাযারা দি ওলিভেরা জুনিয়রের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল।

৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে নাগরিক সমাবেশ ডাকা হয়, তাতে মানুষকে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য নিয়েও কথা বলেন তোফায়েল। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক কমিটি আয়োজিত সমাবেশ হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয়ায় দেশের নাগরিক সমাজ এ সভার আয়োজন করে। কিন্তু এ সভাকেও মির্জা ফখরুলরা ছোট করে।’

‘বিএনপি মহাসচিব অবশ্য বলেছিলেন ৭ মার্চের স্বীকৃতি আনন্দের। এতটুকুই তিনি বলেছেন। কিন্তু এতটুকু বলতেও তার খুব কষ্ট হয়েছে। কারণ, এই ফখরুলরাই তো তারা, যারা ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করেছিল।’

‘প্রথমে এ ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল পাকিস্তানিরা। এরপরে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছিল জিয়া-খালেদারা।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘গতকাল মির্জা ফখরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি তার মুখে মানায় না। এমন কোনো বিষয় নেই যার মধ্যে তারা নেতিবাচক কিছু খুঁজে বেড়ায় না। সরকারের ভাল কোনো উদ্যোগই তাদের ভাল লাগে না। এভাবে ছোটো মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। রাজনীতি করতে হলে বড় মন লাগে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চের যে ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ। কারণ, এই ভাষণটি ২০ লক্ষাধিক মানুষের সামনে দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর অন্য কোনো ভাষণ এত লোকের সামনে দেয়া হয়নি। আব্রাহাম লিংকন, মার্টিন লুতার কিংসহ অনান্যদের বক্তব্য ছিল লিখিত এবং এগুলো সভা-সেমিনারে দেয়া বক্তব্য। এদিক বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অদ্বিতীয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল ফখরুলরা: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৩:১৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এক সময় এই দেশে নিষিদ্ধ করেছিল ফখরুলরা (বিএনপির মহাসচিব) নিষিদ্ধ করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা এই ভাষণ প্রচার করতে পারিনি, মাইক কেড়ে নিত।’

রবিবার সচিবালয়ে ঢাকায় ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত যাও তাবাযারা দি ওলিভেরা জুনিয়রের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল।

৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে নাগরিক সমাবেশ ডাকা হয়, তাতে মানুষকে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য নিয়েও কথা বলেন তোফায়েল। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক কমিটি আয়োজিত সমাবেশ হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয়ায় দেশের নাগরিক সমাজ এ সভার আয়োজন করে। কিন্তু এ সভাকেও মির্জা ফখরুলরা ছোট করে।’

‘বিএনপি মহাসচিব অবশ্য বলেছিলেন ৭ মার্চের স্বীকৃতি আনন্দের। এতটুকুই তিনি বলেছেন। কিন্তু এতটুকু বলতেও তার খুব কষ্ট হয়েছে। কারণ, এই ফখরুলরাই তো তারা, যারা ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করেছিল।’

‘প্রথমে এ ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল পাকিস্তানিরা। এরপরে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছিল জিয়া-খালেদারা।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘গতকাল মির্জা ফখরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি তার মুখে মানায় না। এমন কোনো বিষয় নেই যার মধ্যে তারা নেতিবাচক কিছু খুঁজে বেড়ায় না। সরকারের ভাল কোনো উদ্যোগই তাদের ভাল লাগে না। এভাবে ছোটো মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। রাজনীতি করতে হলে বড় মন লাগে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চের যে ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ। কারণ, এই ভাষণটি ২০ লক্ষাধিক মানুষের সামনে দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর অন্য কোনো ভাষণ এত লোকের সামনে দেয়া হয়নি। আব্রাহাম লিংকন, মার্টিন লুতার কিংসহ অনান্যদের বক্তব্য ছিল লিখিত এবং এগুলো সভা-সেমিনারে দেয়া বক্তব্য। এদিক বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অদ্বিতীয়।