ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বৌদ্ধরা না চাইলে রোহিঙ্গাদের ফেরত নয়: মিয়ানমার সেনাপ্রধান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনের বসবাসরত ‘আসল মিয়ানমারের নাগরিকরা’ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা মেনে না নিলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের ফেরত নেয়া হবে না জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। তার এই বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরতের বিষয়টি যে বেশ দীর্ঘায়িত হবে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, রাখাইনে বসবাসরত বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি মেনে না নিলে তাদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত আনা হবে না। রাখাইন বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ঘৃণা করে। বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ রয়েছে।

সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুযায়ী দলে দলে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা মিয়ানমারে ঢুকবে এ ধরনের প্রস্তাব মেনে নেয়া হবে না।’ বাংলাদেশে পরিবারসহ পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেও আখ্যা দেন তিনি।
রোহিঙ্গা মুসলমানেরা যেভাবে দলে দলে বাংলাদেশে ঢুকেছে ঠিক সেভাবে তাদেরকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেয়ার হয়েছে। ওই প্রস্তাবের পরই এ বিষয়ে মুখ খুললেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই মিয়ানমার ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা করে আসছে।
গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী। এর ফলে অন্তত ছয় হাজার মুসলমান নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছে।

এ সময়ের মধ্যে ছয় লাখের রোহিঙ্গা মুসলমান মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী মানবেতর জীবনযাপন করছে। মিয়ানমার সরকার রাখাইনে সহিংসতা বন্ধের দাবি করলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, সেখানে মুসলমানদের ওপর হত্যা-নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বৌদ্ধরা না চাইলে রোহিঙ্গাদের ফেরত নয়: মিয়ানমার সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৪:১৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনের বসবাসরত ‘আসল মিয়ানমারের নাগরিকরা’ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা মেনে না নিলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের ফেরত নেয়া হবে না জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং। তার এই বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরতের বিষয়টি যে বেশ দীর্ঘায়িত হবে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, রাখাইনে বসবাসরত বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি মেনে না নিলে তাদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত আনা হবে না। রাখাইন বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ঘৃণা করে। বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ রয়েছে।

সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুযায়ী দলে দলে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা মিয়ানমারে ঢুকবে এ ধরনের প্রস্তাব মেনে নেয়া হবে না।’ বাংলাদেশে পরিবারসহ পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেও আখ্যা দেন তিনি।
রোহিঙ্গা মুসলমানেরা যেভাবে দলে দলে বাংলাদেশে ঢুকেছে ঠিক সেভাবে তাদেরকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেয়ার হয়েছে। ওই প্রস্তাবের পরই এ বিষয়ে মুখ খুললেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই মিয়ানমার ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা করে আসছে।
গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী। এর ফলে অন্তত ছয় হাজার মুসলমান নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছে।

এ সময়ের মধ্যে ছয় লাখের রোহিঙ্গা মুসলমান মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী মানবেতর জীবনযাপন করছে। মিয়ানমার সরকার রাখাইনে সহিংসতা বন্ধের দাবি করলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, সেখানে মুসলমানদের ওপর হত্যা-নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে।