ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে তিন ধাপের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুশ-ইনের মতো অমানবিক আচরণের নজির পৃথিবীতে বিরল: মঞ্জু কুষ্টিয়ায় পৌর ভবনে যুবককে কুপিয়ে জখম তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব জুলাই থেকে পুরোদমে শুরু ফ্যামিলি-কৃষক-ইমাম কার্ড কর্মসূচি : আইনমন্ত্রী

দুর্গত মানুষকে দেখতে গেলেন, নাকি বরযাত্রী: খালেদাকে প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারে সফরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ‘গ্রামে একটা কথা আছে, পাগলে কি না কয়, ছাগলে কি না খায়। চোখ থাকিতে যে অন্ধ তাকে দেখাবে কে? এটা হচ্ছে একটা অনুভূতি ও বোধের ব্যাপার। তিনি যেভাবে ঢোল-বাদ্য বাজিয়ে রোহিঙ্গাদের দেখতে গেলেন। তিনি কি দুর্গত মানুষকে দেখতে গেলেন নাকি বরযাত্রী দেখতে গেলেন এটা আমাদের বোধগম্য নয়।’

বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গত ৩০ অক্টোবর খালেদা জিয়া কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের দেখতে যান। সেখানে দেয়া বক্তব্যে তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এছাড়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে সরকার কূটনৈতিভাবে ব্যর্থ বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

খালেদা জিয়া সবকাজে ব্যর্থ হয়েছেন দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যিনি নিজে সব কাজে ব্যর্থ হন তিনি তো সবকিছুতে ব্যর্থতা দেখবেন এটাই স্বাভাবিক। তিনি নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। মানুষ পুড়িয়ে আন্দোলন করে সরকারকে সরাতেও ব্যর্থ হয়েছেন। বহু ব্যর্থতার ইতিহাস তার আছে। এমনকি ক্যান্টনমেন্টের বাড়িও হারালেন। অঝোর ধারায় কেঁদেও বাড়ি রক্ষা করতে ব্যর্থ হলেন। বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ একশ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আমি নাকি প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলীয় নেতাও হতে পারবো না। অথচ আমি তার এই বক্তব্যের পর দুই দুইবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি।’

ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা বিএনপি-জামায়াতের কাজ এমন দাবি করে তিনি বলেন, ‘তার এই বক্তব্য আমি ধর্তব্য হিসেবে নিই না। আমরা মানবিক দৃষ্টিতে দেখছি। তাদের কথায় গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই।’

তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনো রোহিঙ্গা অপরাধে জড়িত হয় তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া।’ তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মধ্যে যদি কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।’

এর আগে কক্সবাজারের সরকার দলীয় সংসদ আব্দুর রহমান বদির এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের আসার কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় যেসব মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তাদেরকে সরকার সহযোগিতা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

দুর্গত মানুষকে দেখতে গেলেন, নাকি বরযাত্রী: খালেদাকে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারে সফরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ‘গ্রামে একটা কথা আছে, পাগলে কি না কয়, ছাগলে কি না খায়। চোখ থাকিতে যে অন্ধ তাকে দেখাবে কে? এটা হচ্ছে একটা অনুভূতি ও বোধের ব্যাপার। তিনি যেভাবে ঢোল-বাদ্য বাজিয়ে রোহিঙ্গাদের দেখতে গেলেন। তিনি কি দুর্গত মানুষকে দেখতে গেলেন নাকি বরযাত্রী দেখতে গেলেন এটা আমাদের বোধগম্য নয়।’

বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গত ৩০ অক্টোবর খালেদা জিয়া কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের দেখতে যান। সেখানে দেয়া বক্তব্যে তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এছাড়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে সরকার কূটনৈতিভাবে ব্যর্থ বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

খালেদা জিয়া সবকাজে ব্যর্থ হয়েছেন দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যিনি নিজে সব কাজে ব্যর্থ হন তিনি তো সবকিছুতে ব্যর্থতা দেখবেন এটাই স্বাভাবিক। তিনি নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। মানুষ পুড়িয়ে আন্দোলন করে সরকারকে সরাতেও ব্যর্থ হয়েছেন। বহু ব্যর্থতার ইতিহাস তার আছে। এমনকি ক্যান্টনমেন্টের বাড়িও হারালেন। অঝোর ধারায় কেঁদেও বাড়ি রক্ষা করতে ব্যর্থ হলেন। বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ একশ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আমি নাকি প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলীয় নেতাও হতে পারবো না। অথচ আমি তার এই বক্তব্যের পর দুই দুইবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি।’

ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা বিএনপি-জামায়াতের কাজ এমন দাবি করে তিনি বলেন, ‘তার এই বক্তব্য আমি ধর্তব্য হিসেবে নিই না। আমরা মানবিক দৃষ্টিতে দেখছি। তাদের কথায় গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই।’

তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনো রোহিঙ্গা অপরাধে জড়িত হয় তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া।’ তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মধ্যে যদি কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।’

এর আগে কক্সবাজারের সরকার দলীয় সংসদ আব্দুর রহমান বদির এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের আসার কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় যেসব মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তাদেরকে সরকার সহযোগিতা করবে।