ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

উ. কোরিয়ার সংকটে চালানো নৌমহড়ার নেতৃত্বে ৩ মার্কিন রণতরী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট সংকটের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে নৌবাহিনীর এক বিরল সামরিক মহড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজ যোগ দিচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে আন্তর্জাতিক জলসীমায় শনিবার থেকে চারদিনের এ যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হতে যাচ্ছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চলতি এশিয়া সফরে পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ের ওপর বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়। খবর এএফপি’র।

সিউলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সামরিক শক্তি প্রদর্শনের এ নৌ মহড়ার নের্তৃত্বে থাকছে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রণতরী ইউএসএস রোনাল্ড রিগান, ইউএসএস নিমিতজ ও ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট। দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ এ যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। তাদের এই সাত জাহাজের মধ্যে তিনটি ডেস্ট্রোয়ার ও চারটি ইস্কর্ট শিপ রয়েছে। এক দশকের মধ্যে এ অঞ্চলে এটি তাদের প্রথম সামরিক মহড়া।

এক বিবৃতিতে মার্কিন প্যাসিফিক ফ্লীটের কমান্ডার স্কট সুইফট বলেন, ২০০৭ সালে এ অঞ্চলে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী এ ধরণের মহড়া চালায়। মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘এ সামরিক মহড়ার লক্ষ্য হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা এবং এটি পিয়ংইয়ংয়ের উস্কানিমূলক যেকোন কর্মকান্ড প্রতিহত করার প্রস্তুতির অংশ ও বটে।’

এদিকে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশ উত্তর কোরিয়া তাদের সামরিক কৌশল বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাবে ওয়াশিংটন ও সিউলের এ ধরণের আগ্রাসী সামরিক মহড়ার বারবার নিন্দা জানিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া এক ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পরখ’ না করার ব্যাপারে উত্তর কোরিয়াকে হুশিয়ার করে দিলেও কিছুটা নরম সুরে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের তরুণ নেতা কিম জং-উনকে একটি ‘সুন্দর ভবিষ্যতের পথ বেছে নেয়ার’ প্রস্তাব দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

উ. কোরিয়ার সংকটে চালানো নৌমহড়ার নেতৃত্বে ৩ মার্কিন রণতরী

আপডেট সময় ১২:০৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট সংকটের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে নৌবাহিনীর এক বিরল সামরিক মহড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজ যোগ দিচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে আন্তর্জাতিক জলসীমায় শনিবার থেকে চারদিনের এ যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হতে যাচ্ছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চলতি এশিয়া সফরে পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ের ওপর বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়। খবর এএফপি’র।

সিউলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সামরিক শক্তি প্রদর্শনের এ নৌ মহড়ার নের্তৃত্বে থাকছে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রণতরী ইউএসএস রোনাল্ড রিগান, ইউএসএস নিমিতজ ও ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট। দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ এ যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। তাদের এই সাত জাহাজের মধ্যে তিনটি ডেস্ট্রোয়ার ও চারটি ইস্কর্ট শিপ রয়েছে। এক দশকের মধ্যে এ অঞ্চলে এটি তাদের প্রথম সামরিক মহড়া।

এক বিবৃতিতে মার্কিন প্যাসিফিক ফ্লীটের কমান্ডার স্কট সুইফট বলেন, ২০০৭ সালে এ অঞ্চলে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী এ ধরণের মহড়া চালায়। মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘এ সামরিক মহড়ার লক্ষ্য হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা এবং এটি পিয়ংইয়ংয়ের উস্কানিমূলক যেকোন কর্মকান্ড প্রতিহত করার প্রস্তুতির অংশ ও বটে।’

এদিকে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশ উত্তর কোরিয়া তাদের সামরিক কৌশল বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাবে ওয়াশিংটন ও সিউলের এ ধরণের আগ্রাসী সামরিক মহড়ার বারবার নিন্দা জানিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া এক ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পরখ’ না করার ব্যাপারে উত্তর কোরিয়াকে হুশিয়ার করে দিলেও কিছুটা নরম সুরে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের তরুণ নেতা কিম জং-উনকে একটি ‘সুন্দর ভবিষ্যতের পথ বেছে নেয়ার’ প্রস্তাব দেন।