ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে স্বেচ্ছায় অথবা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ হলে ‘তেলাপোকারা’ সব উল্টে দিতে পারে: পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলজেরিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৫, আহত বহু বর্তমান সংসদের দিকে দেশের ৩৬ কোটি চোখ নিবদ্ধ হয়ে আছে: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার মিরপুর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেল এ রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর সোনারগাঁয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৪২ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।

হামলার পর গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। সেই ব্যর্থতার জেরেই জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও পৃথক রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলায় সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউ বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিচার চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। তাদের মতে, এই হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

আপডেট সময় ০১:১০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৪২ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।

হামলার পর গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। সেই ব্যর্থতার জেরেই জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও পৃথক রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলায় সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউ বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিচার চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। তাদের মতে, এই হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।