ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারকাজ প্রায় শেষ। বিচারকরাও এজলাস ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুমতি চাইলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। হাতে মাইক নিয়ে কয়েকবার আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। আদালত তার কথা শোনেন নি। সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলতে থাকেন, ‘আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন। মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু আদালত শুনতে চাইল না।’

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির করা হয়। গণহত্যার ঘটনায় করা এ মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এমন ঘটনা ঘটে।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় গত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২। তিনি এই মামলার ১০ নম্বর আসামি। ২০১৩ সালে তৎকালীন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনার পরিকল্পনাকারী ছিলেন। শুনানি শেষে লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এ সময় ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশ্যে কথা বলতে চাইলে, আদালত লতিফ সিদ্দিকীর কথা শোনেন নি। তখন তিনি বলেন, হায়রে হাই এই যদি হয়, আদালতের অবস্থা, তাহলে যাবো কোথায়। এসময় তিনি নিজের ফাঁসির দাবি জানান। পরে আদালত কক্ষে পুলিশের সাথে লতিফ সিদ্দিকীর বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তাকে হাতকড়া পরিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের করে।

এসময় লতিফ সিদ্দিকীর ভাই বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি দাবি করেন, তার বড় ভাইকে অন্যায়ভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী

আপডেট সময় ০৮:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারকাজ প্রায় শেষ। বিচারকরাও এজলাস ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুমতি চাইলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। হাতে মাইক নিয়ে কয়েকবার আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। আদালত তার কথা শোনেন নি। সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলতে থাকেন, ‘আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন। মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু আদালত শুনতে চাইল না।’

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির করা হয়। গণহত্যার ঘটনায় করা এ মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এমন ঘটনা ঘটে।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় গত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২। তিনি এই মামলার ১০ নম্বর আসামি। ২০১৩ সালে তৎকালীন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনার পরিকল্পনাকারী ছিলেন। শুনানি শেষে লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এ সময় ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশ্যে কথা বলতে চাইলে, আদালত লতিফ সিদ্দিকীর কথা শোনেন নি। তখন তিনি বলেন, হায়রে হাই এই যদি হয়, আদালতের অবস্থা, তাহলে যাবো কোথায়। এসময় তিনি নিজের ফাঁসির দাবি জানান। পরে আদালত কক্ষে পুলিশের সাথে লতিফ সিদ্দিকীর বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তাকে হাতকড়া পরিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের করে।

এসময় লতিফ সিদ্দিকীর ভাই বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি দাবি করেন, তার বড় ভাইকে অন্যায়ভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।