ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করাই মূল লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী ভোল পাল্টানো লোকজনই এখন অনেক বেশি জুলাই-যোদ্ধা হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে খুলেছে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: মাহদী আমিন এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত : রাশেদ খান সিলেটে পরপর দুবার এনসিপির শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহরে হামলা শাপলা চত্বরে গণহত্যা মামলা: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ বিয়ে বাড়িতে প্রেমিকার হানা, লজ্জায় বাবার আত্মহত্যা মিসর বন্দরে ড্রোন হামলা, দুই জাহাজে আগুন আগুনে পুড়ে নিহত ৬ প্রবাসীর কঙ্কাল উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে জটিলতা সিজারের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের নিরুৎসাহিত করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপির নেতারা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করেন তারা।

এ সময় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আহত ও শহীদ ভাইদের বিচার চেয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য। এই কর্মসূচিগুলো নিয়ে আমরা জুলাই মাসে দেশব্যাপী পদযাত্রা করছি।

তিনি বলেন, জনগণ গণভোটে ৭০ শতাংশ ভোট দিয়েছে যাতে আমরা সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারি। আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলায় এই কর্মসূচি ছিল। আমরা প্রোগ্রাম শেষ করে যখন বের হলাম তখন আমাদের মিডিয়া টিমের ওপর হামলা করা হলো দফায় দফায়। ড্রাইভারকে তারা বেধড়ক মারধর করেছে; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই।

তিনি আরও বলেন, ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলের চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। জেলা সদস্য সচিবের হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে একটা বিক্ষোভ কর্মসূচি ডাকি। সেখানে পুলিশ পদে পদে আমাদের বাধা দিয়েছে। প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ট্রাক দিয়ে আমাদের গাড়ি বহর আটকে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের মধ্যখানে পুলিশ আমাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছে। সেখানে হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে আমরা গিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দিয়েছি। আমাদের ২০ লাখ টাকার জিনিস তারা নিয়ে নেয়। এছাড়া নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। একটি গাড়ি ভাঙচুরের কারণে সেটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ সময় পর একটি ফ্যাসিবাদী বাংলাদেশ থেকে উত্তরণের পর নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি তখন এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা, আমাদের ওপর অত্যাচার, চোখ কেড়ে নেওয়া ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া এগুলো দেশবাসী প্রত্যক্ষ করল। আমরা এখনো চাই একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ। যেখানে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হবে।

গাড়ি বহরে আরও আছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ, ডা. মাহমুদা মিতু, সার্জিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করাই মূল লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপির নেতারা

আপডেট সময় ০১:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করেন তারা।

এ সময় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আহত ও শহীদ ভাইদের বিচার চেয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য। এই কর্মসূচিগুলো নিয়ে আমরা জুলাই মাসে দেশব্যাপী পদযাত্রা করছি।

তিনি বলেন, জনগণ গণভোটে ৭০ শতাংশ ভোট দিয়েছে যাতে আমরা সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারি। আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলায় এই কর্মসূচি ছিল। আমরা প্রোগ্রাম শেষ করে যখন বের হলাম তখন আমাদের মিডিয়া টিমের ওপর হামলা করা হলো দফায় দফায়। ড্রাইভারকে তারা বেধড়ক মারধর করেছে; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই।

তিনি আরও বলেন, ইন্টার পড়ুয়া একটা ছেলের চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। জেলা সদস্য সচিবের হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে একটা বিক্ষোভ কর্মসূচি ডাকি। সেখানে পুলিশ পদে পদে আমাদের বাধা দিয়েছে। প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ট্রাক দিয়ে আমাদের গাড়ি বহর আটকে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের মধ্যখানে পুলিশ আমাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছে। সেখানে হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে আমরা গিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দিয়েছি। আমাদের ২০ লাখ টাকার জিনিস তারা নিয়ে নেয়। এছাড়া নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। একটি গাড়ি ভাঙচুরের কারণে সেটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ সময় পর একটি ফ্যাসিবাদী বাংলাদেশ থেকে উত্তরণের পর নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি তখন এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা, আমাদের ওপর অত্যাচার, চোখ কেড়ে নেওয়া ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া এগুলো দেশবাসী প্রত্যক্ষ করল। আমরা এখনো চাই একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ। যেখানে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হবে।

গাড়ি বহরে আরও আছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ, ডা. মাহমুদা মিতু, সার্জিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।