ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্বামীর পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় শান্তা রানী দাস (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নয়, স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথপাড়ার গণেশের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নিহতের বাবা, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ফাজিলেরঘাট এলাকার বাসিন্দা অনন্ত জলদাস জানান, চার বছর আগে পারিবারিকভাবে সুবর্ণচরের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পী দেব নাথের (২৯) সঙ্গে শান্তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১৮ মাস বয়সী বর্ষা দেব নাথ নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বাপ্পী দেব নাথ চট্টগ্রামে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করার সময় এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। চাকরি ছেড়ে বাড়িতে ফিরে এলেও ওই নারীর সঙ্গে তার যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। এ বিষয়টি নিয়ে সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং বাপ্পী তার মেয়েকে মারধর করেন।

অনন্ত জলদাসের দাবি, ঘটনার পর শান্তা স্বামীর জ্যাঠা গণেশের ঘরে আশ্রয় নেন। মঙ্গলবার সকালে সেখান থেকে তাকে নিজ ঘরে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাপ্পী দেবনাথের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্বামীর পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট সময় ০৯:১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় শান্তা রানী দাস (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নয়, স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথপাড়ার গণেশের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নিহতের বাবা, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ফাজিলেরঘাট এলাকার বাসিন্দা অনন্ত জলদাস জানান, চার বছর আগে পারিবারিকভাবে সুবর্ণচরের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পী দেব নাথের (২৯) সঙ্গে শান্তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১৮ মাস বয়সী বর্ষা দেব নাথ নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বাপ্পী দেব নাথ চট্টগ্রামে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করার সময় এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। চাকরি ছেড়ে বাড়িতে ফিরে এলেও ওই নারীর সঙ্গে তার যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। এ বিষয়টি নিয়ে সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং বাপ্পী তার মেয়েকে মারধর করেন।

অনন্ত জলদাসের দাবি, ঘটনার পর শান্তা স্বামীর জ্যাঠা গণেশের ঘরে আশ্রয় নেন। মঙ্গলবার সকালে সেখান থেকে তাকে নিজ ঘরে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাপ্পী দেবনাথের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।