ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ সময়ের দাবি: গণপূর্ত মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য সবুজ ভবন ও জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং স্বল্প-কার্বন নকশার ব্যবহার কার্বন নিঃসরণ কমাবে এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টেকসই ভবন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত কর্মশালা: সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল নির্মিত পরিবেশের পথে’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০৩৭ সালের মধ্যে নগরবাসীর সংখ্যা গ্রামীণ জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৫৬ শতাংশের বেশি মানুষ শহরে বসবাস করবে। তাই দ্রুত নগরায়ণ এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে টেকসই নির্মাণব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মশালার সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় নীতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে টেকসই ও সবুজ নির্মাণব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ সময়ের দাবি: গণপূর্ত মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য সবুজ ভবন ও জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং স্বল্প-কার্বন নকশার ব্যবহার কার্বন নিঃসরণ কমাবে এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টেকসই ভবন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত কর্মশালা: সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল নির্মিত পরিবেশের পথে’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০৩৭ সালের মধ্যে নগরবাসীর সংখ্যা গ্রামীণ জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৫৬ শতাংশের বেশি মানুষ শহরে বসবাস করবে। তাই দ্রুত নগরায়ণ এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে টেকসই নির্মাণব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মশালার সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় নীতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে টেকসই ও সবুজ নির্মাণব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন।