ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

অভিষেক-কারিশমার প্রেম, বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কোটি টাকার শর্ত

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

বলিউডের বহুল আলোচিত প্রেমের গল্পগুলোর একটি অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের সম্পর্ক। বাগদান হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি সেই সম্পর্ক। দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই বিচ্ছেদ নিয়ে এখনও নানা আলোচনা হয়। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন দাবি করেছেন প্রয়াত অভিনেতা মুকরির মেয়ে নাসিম মুকরি।

সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির পডকাস্টে নাসিম দাবি করেন, কারিশমার মা ও অভিনেত্রী ববিতা শুরু থেকেই এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বিয়ের আগেই অভিষেক বচ্চনকে কারিশমার নামে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের শর্তও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তার।

পডকাস্টে ভিকি লালওয়ানি বলেন, ‘হ্যাঁ ম্যায়নে ভি পেয়ার কিয়া’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় অভিষেক ও কারিশমার প্রেমের শুরু হয়েছিল। তবে নাসিম মুকরি সেই দাবি নাকচ করে বলেন, ‘সিনেমা শুটিং শুরুর আগেই তাদের প্রেম হয়েছিল। শুটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।’

এরপর তিনি দাবি করেন, ‘ববিতা শুরু থেকেই এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি কারিশমাকে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য করেন। তিনি নাকি বলেছিলেন, বিয়ের আগে অভিষেককে কয়েক কোটি টাকা কারিশমার নামে লিখে দিতে হবে, তবে বিয়ে হবে। কারণ তখন কারিশমা অভিষেকের চেয়ে বড় তারকা ছিলেন।”

এ সময় উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, কারিশমা যদি সত্যিই ভালোবাসতেন, তাহলে মায়ের শর্ত মেনে নিলেন কেন? জবাবে নাসিম বলেন, ‘মা যদি হিটলারের মতো হন, তাহলে মেয়েরা ভয় পেতেই পারে। কারিনা কাপুর মায়ের কর্তৃত্ব মেনে নেননি, আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কারিশমা মায়ের সঙ্গেই ছিলেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, বিয়ের আগে একটি চুক্তির প্রস্তাবও ছিল। তার ভাষ্য, ‘শর্ত ছিল, বিয়ের আগে অভিষেককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে বিচ্ছেদ হলে কারিশমা কত টাকা পাবেন, সেটিও চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে। কিন্তু বচ্চন পরিবার এতে রাজি হয়নি। এরপরই বাগদান ভেঙে যায়। পরে কারিশমা ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন।’

এর আগে একই পডকাস্টে পরিচালক সুনীল দর্শনও অভিষেক-কারিশমার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। তার দাবি, দুজনের মধ্যে রসায়নের কোনো অভাব ছিল না।

তিনি বলেন, “হ্যাঁ ম্যায়নে ভি পেয়ার কিয়া’ সিনেমা দেখলেই বোঝা যায়, তাদের অনস্ক্রিন রসায়ন বাস্তব জীবনের সম্পর্কেরই প্রতিফলন ছিল।”

সুনীল দর্শনের মতে, সম্পর্ক ভাঙার কারণ দুজনের ব্যক্তিগত দূরত্ব নয়, বরং বাইরের বিভিন্ন চাপ। তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম সবকিছু ঠিকঠাকই চলছে। কিন্তু বাইরের নানা পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত তাদের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছিল।”

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের অক্টোবরে অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের বাগদান হয়। তবে ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সেই বাগদান ভেঙে যায়। একই বছরের পরবর্তীতে কারিশমা দিল্লির ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন। সূত্র: এনডিটিভি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

অভিষেক-কারিশমার প্রেম, বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কোটি টাকার শর্ত

আপডেট সময় ০৩:২০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

বলিউডের বহুল আলোচিত প্রেমের গল্পগুলোর একটি অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের সম্পর্ক। বাগদান হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি সেই সম্পর্ক। দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই বিচ্ছেদ নিয়ে এখনও নানা আলোচনা হয়। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন দাবি করেছেন প্রয়াত অভিনেতা মুকরির মেয়ে নাসিম মুকরি।

সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির পডকাস্টে নাসিম দাবি করেন, কারিশমার মা ও অভিনেত্রী ববিতা শুরু থেকেই এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বিয়ের আগেই অভিষেক বচ্চনকে কারিশমার নামে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের শর্তও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তার।

পডকাস্টে ভিকি লালওয়ানি বলেন, ‘হ্যাঁ ম্যায়নে ভি পেয়ার কিয়া’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় অভিষেক ও কারিশমার প্রেমের শুরু হয়েছিল। তবে নাসিম মুকরি সেই দাবি নাকচ করে বলেন, ‘সিনেমা শুটিং শুরুর আগেই তাদের প্রেম হয়েছিল। শুটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।’

এরপর তিনি দাবি করেন, ‘ববিতা শুরু থেকেই এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি কারিশমাকে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য করেন। তিনি নাকি বলেছিলেন, বিয়ের আগে অভিষেককে কয়েক কোটি টাকা কারিশমার নামে লিখে দিতে হবে, তবে বিয়ে হবে। কারণ তখন কারিশমা অভিষেকের চেয়ে বড় তারকা ছিলেন।”

এ সময় উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, কারিশমা যদি সত্যিই ভালোবাসতেন, তাহলে মায়ের শর্ত মেনে নিলেন কেন? জবাবে নাসিম বলেন, ‘মা যদি হিটলারের মতো হন, তাহলে মেয়েরা ভয় পেতেই পারে। কারিনা কাপুর মায়ের কর্তৃত্ব মেনে নেননি, আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কারিশমা মায়ের সঙ্গেই ছিলেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, বিয়ের আগে একটি চুক্তির প্রস্তাবও ছিল। তার ভাষ্য, ‘শর্ত ছিল, বিয়ের আগে অভিষেককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে বিচ্ছেদ হলে কারিশমা কত টাকা পাবেন, সেটিও চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে। কিন্তু বচ্চন পরিবার এতে রাজি হয়নি। এরপরই বাগদান ভেঙে যায়। পরে কারিশমা ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন।’

এর আগে একই পডকাস্টে পরিচালক সুনীল দর্শনও অভিষেক-কারিশমার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। তার দাবি, দুজনের মধ্যে রসায়নের কোনো অভাব ছিল না।

তিনি বলেন, “হ্যাঁ ম্যায়নে ভি পেয়ার কিয়া’ সিনেমা দেখলেই বোঝা যায়, তাদের অনস্ক্রিন রসায়ন বাস্তব জীবনের সম্পর্কেরই প্রতিফলন ছিল।”

সুনীল দর্শনের মতে, সম্পর্ক ভাঙার কারণ দুজনের ব্যক্তিগত দূরত্ব নয়, বরং বাইরের বিভিন্ন চাপ। তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম সবকিছু ঠিকঠাকই চলছে। কিন্তু বাইরের নানা পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত তাদের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছিল।”

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের অক্টোবরে অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের বাগদান হয়। তবে ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সেই বাগদান ভেঙে যায়। একই বছরের পরবর্তীতে কারিশমা দিল্লির ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন। সূত্র: এনডিটিভি