ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

চলতি সপ্তাহের শুরুতে তরুণদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর প্রহ্লাদ যোশীকে নতুন শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার।

এর প্রেক্ষিতে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এমন একজনের ওপর আস্থা রেখেছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।

কেন এমন কথা বললেন রাহুল?

২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গার সময় বিলকিস বানু নামে এক নারীকে ধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে উগ্রবাদীরা। ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে ২০২২ সালে তাদের আগাম মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও ওই সময় এসব ধর্ষকের মুক্তির ব্যাপারে সাফাই গান প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন- গুজরাটের ধর্ষকরা দীর্ঘ সময় কারাবাস করেছে এবং তাদের মুক্তির ব্যাপারে একটি বিধান রয়েছে। তাই তারা ছাড়া পেলে তার কোনও সমস্যা নেই।

এরপর ২০২২ সালে গুজরাট সরকারের নির্দেশনায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই ১১ ধর্ষককে আগাম মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভারতে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের এ নির্দেশনা অবৈধ ঘোষণা করে এবং সবাইকে আবারও কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে দেখুন। তরুণরা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এত আন্দোলনের পর বিজেপি এমন একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা। আর ধর্ষকদের রক্ষাকর্তারা হলেন সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি। যখন কেউ বলেন ধর্ষকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে তার চেয়ে নোংরা কেউ হতে পারেন না। আর সেই ব্যক্তি ভারতের শিক্ষামন্ত্রী।”

রাহুল আরও বলেছেন, “এটি বিস্ময়কর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থেকে এটি একটি বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত। তার মন্ত্রিসভায় অনেকে আছেন। তাদের মধ্য থেকে অন্য কাউকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করতে পারতেন তিনি। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন এমন একজনকে যিনি ধর্ষকদের রক্ষা করেন। বিষয়টি অবিশ্বাস্য।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

চলতি সপ্তাহের শুরুতে তরুণদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর প্রহ্লাদ যোশীকে নতুন শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার।

এর প্রেক্ষিতে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এমন একজনের ওপর আস্থা রেখেছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।

কেন এমন কথা বললেন রাহুল?

২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গার সময় বিলকিস বানু নামে এক নারীকে ধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে উগ্রবাদীরা। ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে ২০২২ সালে তাদের আগাম মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও ওই সময় এসব ধর্ষকের মুক্তির ব্যাপারে সাফাই গান প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন- গুজরাটের ধর্ষকরা দীর্ঘ সময় কারাবাস করেছে এবং তাদের মুক্তির ব্যাপারে একটি বিধান রয়েছে। তাই তারা ছাড়া পেলে তার কোনও সমস্যা নেই।

এরপর ২০২২ সালে গুজরাট সরকারের নির্দেশনায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই ১১ ধর্ষককে আগাম মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভারতে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের এ নির্দেশনা অবৈধ ঘোষণা করে এবং সবাইকে আবারও কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে দেখুন। তরুণরা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এত আন্দোলনের পর বিজেপি এমন একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা। আর ধর্ষকদের রক্ষাকর্তারা হলেন সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি। যখন কেউ বলেন ধর্ষকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে তার চেয়ে নোংরা কেউ হতে পারেন না। আর সেই ব্যক্তি ভারতের শিক্ষামন্ত্রী।”

রাহুল আরও বলেছেন, “এটি বিস্ময়কর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থেকে এটি একটি বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত। তার মন্ত্রিসভায় অনেকে আছেন। তাদের মধ্য থেকে অন্য কাউকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করতে পারতেন তিনি। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন এমন একজনকে যিনি ধর্ষকদের রক্ষা করেন। বিষয়টি অবিশ্বাস্য।”