ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

চলতি সপ্তাহের শুরুতে তরুণদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর প্রহ্লাদ যোশীকে নতুন শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার।

এর প্রেক্ষিতে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এমন একজনের ওপর আস্থা রেখেছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।

কেন এমন কথা বললেন রাহুল?

২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গার সময় বিলকিস বানু নামে এক নারীকে ধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে উগ্রবাদীরা। ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে ২০২২ সালে তাদের আগাম মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও ওই সময় এসব ধর্ষকের মুক্তির ব্যাপারে সাফাই গান প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন- গুজরাটের ধর্ষকরা দীর্ঘ সময় কারাবাস করেছে এবং তাদের মুক্তির ব্যাপারে একটি বিধান রয়েছে। তাই তারা ছাড়া পেলে তার কোনও সমস্যা নেই।

এরপর ২০২২ সালে গুজরাট সরকারের নির্দেশনায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই ১১ ধর্ষককে আগাম মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভারতে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের এ নির্দেশনা অবৈধ ঘোষণা করে এবং সবাইকে আবারও কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে দেখুন। তরুণরা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এত আন্দোলনের পর বিজেপি এমন একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা। আর ধর্ষকদের রক্ষাকর্তারা হলেন সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি। যখন কেউ বলেন ধর্ষকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে তার চেয়ে নোংরা কেউ হতে পারেন না। আর সেই ব্যক্তি ভারতের শিক্ষামন্ত্রী।”

রাহুল আরও বলেছেন, “এটি বিস্ময়কর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থেকে এটি একটি বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত। তার মন্ত্রিসভায় অনেকে আছেন। তাদের মধ্য থেকে অন্য কাউকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করতে পারতেন তিনি। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন এমন একজনকে যিনি ধর্ষকদের রক্ষা করেন। বিষয়টি অবিশ্বাস্য।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ বিপর্যয়: সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকে সরবরাহ বন্ধ

ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

চলতি সপ্তাহের শুরুতে তরুণদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর প্রহ্লাদ যোশীকে নতুন শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার।

এর প্রেক্ষিতে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এমন একজনের ওপর আস্থা রেখেছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।

কেন এমন কথা বললেন রাহুল?

২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গার সময় বিলকিস বানু নামে এক নারীকে ধর্ষণ ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে উগ্রবাদীরা। ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে ২০২২ সালে তাদের আগাম মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের মুক্তি নিয়ে ২০১৮ সালে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও ওই সময় এসব ধর্ষকের মুক্তির ব্যাপারে সাফাই গান প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন- গুজরাটের ধর্ষকরা দীর্ঘ সময় কারাবাস করেছে এবং তাদের মুক্তির ব্যাপারে একটি বিধান রয়েছে। তাই তারা ছাড়া পেলে তার কোনও সমস্যা নেই।

এরপর ২০২২ সালে গুজরাট সরকারের নির্দেশনায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই ১১ ধর্ষককে আগাম মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভারতে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গুজরাট সরকারের এ নির্দেশনা অবৈধ ঘোষণা করে এবং সবাইকে আবারও কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে অভিহিত করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে দেখুন। তরুণরা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এত আন্দোলনের পর বিজেপি এমন একজনকে দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা। আর ধর্ষকদের রক্ষাকর্তারা হলেন সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি। যখন কেউ বলেন ধর্ষকদের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে তার চেয়ে নোংরা কেউ হতে পারেন না। আর সেই ব্যক্তি ভারতের শিক্ষামন্ত্রী।”

রাহুল আরও বলেছেন, “এটি বিস্ময়কর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থেকে এটি একটি বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত। তার মন্ত্রিসভায় অনেকে আছেন। তাদের মধ্য থেকে অন্য কাউকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করতে পারতেন তিনি। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন এমন একজনকে যিনি ধর্ষকদের রক্ষা করেন। বিষয়টি অবিশ্বাস্য।”