আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘পালিয়ে যাব না’ বলে যে পালিয়ে যায়, সে ‘আসি’ বলে কখনও আসবে না।
তিনি বলেন, ‘দেখা যাবে ওখান থেকে বলবে আসবে, দলের নেতাকর্মীদেরকে মাঝে মাঝে বের হবে, ওদেরকে জনগণ ঠেঙাবে, ঠেঙায়ে জেলে দিবে।’
গতকাল সোমবার রাতে মেহেরপুরের গাংনী বাসস্ট্যান্ডে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রীকে ‘সাইকো’ উপাধি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই পর্যন্ত উনি সংসদে ক্ষমা চাইছে। কিন্তু কি পরিমাণ একটা মানুষ সাইকো হইতে পারে! উনি সংসদে ক্ষমা চাইছে, ক্ষমা চাওয়ার পরে উনি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষকদের উপরে এটার প্রতিশোধ নিছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মিলন সাহেব, আমরা আপনার অতীত জানি। আপনার পরিবারের দুর্নীতিও আমরা জানি, মন্ত্রণালয়ে আপনার দুর্নীতিও আমরা জানি।’
সালাউদ্দীন আহম্মেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তার সম্পদ কমেনি। আগের চাইতে ২৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসলে বিএনপি কোনো নিরপেক্ষতা চায় না। বরং তারা আওয়ামী লীগের মতো দখলদার রাজনীতি করতে চায়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা আগে ভাবতাম কি, আসলেই মনে হয় বিএনপি স্বাধীন পুলিশ চায়, স্বাধীন মিডিয়া চায়, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চায়— গত ১৬ বছর ধরে তারা এগুলা বলছে। আমরা ভাবছিলাম আসলেই মনে হয় চায়। বরং এইটা না, তাদের আপত্তিটা ছিল কোন জায়গায়? আওয়ামী লীগ দখল করছে, তারা দখলের বিরুদ্ধে ছিল, তাদের কথা ছিল এটা আওয়ামী লীগ করবে না, এটা আমরা করব।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) ডা. মাহমুদা মিতু এমপি, যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম এমপি, আলী আহসান জুনায়েদ, সরওয়ার তুষার এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাড. শাকিল আহমাদ।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চুয়াডাঙ্গার পদযাত্রা শেষে মেহেরপুরের গাংনীতে পৌঁছায় এনসিপির গাড়িবহর। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন তারা।
এর আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পোস্টার সংবলিত কুশপুত্তলিকা এবং দুপুরে মঞ্চের ১০ মিটারের মধ্য থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারের পর নানা শঙ্কা সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















