ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মানুষ ঠাণ্ডা করার ‘ফ্রিজ’ বানাল জাপান

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রচণ্ড গরমে শরীর দ্রুত ঠাণ্ডা করার জন্য অভিনব একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে জাপান। ‘ডো হিয়েমন বক্স’ নামের এই বিশেষ কেবিনে কয়েক মিনিট অবস্থান করলেই শরীরের তাপমাত্রা কমে স্বস্তি পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছেন নির্মাতারা।

কাচের দরজাওয়ালা ধাতব কেবিনের মতো দেখতে এই যন্ত্রটি তৈরি করেছে জাপানের দুটি প্রতিষ্ঠান—এসডিআরএস ও ট্রাসকো নাকায়ামা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন ব্যক্তি কেবিনে প্রবেশ করার পর অল্প সময়ের মধ্যেই ঠাণ্ডা বাতাসে শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে।

নির্মাতাদের ভাষ্য, জাপানের স্বয়ংক্রিয় ঠাণ্ডা পানীয় বিক্রয়যন্ত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। যেভাবে কয়েক মুহূর্তেই একটি ঠাণ্ডা পানীয় মানুষকে স্বস্তি দেয়, একইভাবে এই কেবিনও অল্প সময়ের মধ্যে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমাতে সক্ষম।

কেবিনের ভেতরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা রাখা হবে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কেউ প্রবেশ করলেই তা কমে প্রায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে। মাথার ওপর থেকে প্রবাহিত ঠাণ্ডা বাতাস শরীরের অতিরিক্ত গরম দ্রুত কমাতে সাহায্য করবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই শরীর ঠাণ্ডা হতে শুরু করবে এবং প্রায় ১০ মিনিট অবস্থান করলে গরমজনিত ক্লান্তিও অনেকটা দূর হবে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডার ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে ২০ মিনিট পর যন্ত্রটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

বর্তমানে ‘ডো হিয়েমন বক্স’ মূলত কারখানা, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং খোলা স্থানে কর্মরত মানুষের ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য এটি কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছেন নির্মাতারা।

তবে এই প্রযুক্তির দাম বেশ চড়া। একটি ‘ডো হিয়েমন বক্স’-এর মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা।

নতুন এই উদ্ভাবন নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ এটিকে গরমের বিরুদ্ধে কার্যকর সমাধান হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ মোকাবিলা না করে শুধু মানুষকে ঠাণ্ডা রাখার প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার সমাধান নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মানুষ ঠাণ্ডা করার ‘ফ্রিজ’ বানাল জাপান

আপডেট সময় ০৯:৩০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

প্রচণ্ড গরমে শরীর দ্রুত ঠাণ্ডা করার জন্য অভিনব একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে জাপান। ‘ডো হিয়েমন বক্স’ নামের এই বিশেষ কেবিনে কয়েক মিনিট অবস্থান করলেই শরীরের তাপমাত্রা কমে স্বস্তি পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছেন নির্মাতারা।

কাচের দরজাওয়ালা ধাতব কেবিনের মতো দেখতে এই যন্ত্রটি তৈরি করেছে জাপানের দুটি প্রতিষ্ঠান—এসডিআরএস ও ট্রাসকো নাকায়ামা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন ব্যক্তি কেবিনে প্রবেশ করার পর অল্প সময়ের মধ্যেই ঠাণ্ডা বাতাসে শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে।

নির্মাতাদের ভাষ্য, জাপানের স্বয়ংক্রিয় ঠাণ্ডা পানীয় বিক্রয়যন্ত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। যেভাবে কয়েক মুহূর্তেই একটি ঠাণ্ডা পানীয় মানুষকে স্বস্তি দেয়, একইভাবে এই কেবিনও অল্প সময়ের মধ্যে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমাতে সক্ষম।

কেবিনের ভেতরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা রাখা হবে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কেউ প্রবেশ করলেই তা কমে প্রায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে। মাথার ওপর থেকে প্রবাহিত ঠাণ্ডা বাতাস শরীরের অতিরিক্ত গরম দ্রুত কমাতে সাহায্য করবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই শরীর ঠাণ্ডা হতে শুরু করবে এবং প্রায় ১০ মিনিট অবস্থান করলে গরমজনিত ক্লান্তিও অনেকটা দূর হবে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডার ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে ২০ মিনিট পর যন্ত্রটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

বর্তমানে ‘ডো হিয়েমন বক্স’ মূলত কারখানা, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং খোলা স্থানে কর্মরত মানুষের ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য এটি কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছেন নির্মাতারা।

তবে এই প্রযুক্তির দাম বেশ চড়া। একটি ‘ডো হিয়েমন বক্স’-এর মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা।

নতুন এই উদ্ভাবন নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ এটিকে গরমের বিরুদ্ধে কার্যকর সমাধান হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ মোকাবিলা না করে শুধু মানুষকে ঠাণ্ডা রাখার প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার সমাধান নয়।