আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ভিয়েতনামের কাছে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বলে দাবি করেছেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান।
এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান আর্থিক, নীতিগত ও পরিচালনাগত নানা চ্যালেঞ্জের কারণে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাচ্ছে।
বাংলাদেশের হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধারে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ফারুক বলেন, ‘আমাদের সেই অবস্থান ফিরে পেতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’
বাংলাদেশ প্যাকেজিং অ্যাকসেসরিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএএমইএ) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
যদিও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সর্বশেষ প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে বাংলাদেশকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক এবং ভিয়েতনামকে তৃতীয় অবস্থানে রাখা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে দেশের তৈরি পোশাকখাত। তাদের মতে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, আর্থিক সংকট, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, আর্থিক সংকট ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যাসহ বর্তমানে নানা সংকটে জর্জরিত উৎপাদনকারীরা। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা আরোপ এবং ‘ফ্রি-অব-কস্ট’ (এফওসি) আমদানির ওপর বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিল করা উচিত হবে না। তার মতে, এসব পদক্ষেপ স্থানীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহের পরিবর্তে আমদানিকে উৎসাহিত করতে পারে।
দেশীয় উৎপাদনকারীদের প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে সরকারের প্রতি প্রণোদনা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি ফজলে শামীম এহসানও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তৈরি পোশাকশিল্প ‘ভয়াবহ এক সময়’ পার করছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্য ব্যবসায়ী নেতারাও তার এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















