ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জুবাইদা রহমানের থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র হামলায় ৫ নিরাপত্তা সদস্যের প্রাণহানি কুমিল্লায় শিশু ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ২২, তিনজনের অবস্থা গুরুতর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান চাইলে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ধনী দেশ হতে পারতো: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে আগ্রহী : বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা ২৭ জুলাই থেকে শুরু

জুলাই গণহত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতসহ ১১ দল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সব মামলার বিচারকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়াসহ সাত দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা ছিলেন। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যরাও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

সাত দফা দাবিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের প্রধান প্রধান ঘটনাস্থলের অধিকাংশের তদন্ত এখনও সম্পন্ন হয়নি। এসব ঘটনাস্থলের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া অভিযুক্ত অনেক পুলিশ কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এখনও গ্রেফতার হননি। অনেকে সরকারি দায়িত্বে বহাল রয়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, দেশের ৬৪ জেলার ৬১ জেলায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা, রংপুর ও কুষ্টিয়া জেলার বাইরে সংঘটিত বহু ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম এখনও শেষ হয়নি। হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগসহ সহযোগী বা অঙ্গসংগঠনের অনেক চিহ্নিত ব্যক্তিকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। ফলে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এছাড়া গুম-খুন, লাশ গোপন বা ধ্বংস করার অভিযোগে জড়িতদের সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তবে এ ধরনের তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে অস্বাভাবিক ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এজন্য বিচারপ্রার্থী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে ন্যায়বিচার নিয়ে উদ্বেগ ও শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

জুলাই গণহত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতসহ ১১ দল

আপডেট সময় ১২:৫০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সব মামলার বিচারকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়াসহ সাত দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা ছিলেন। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যরাও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

সাত দফা দাবিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের প্রধান প্রধান ঘটনাস্থলের অধিকাংশের তদন্ত এখনও সম্পন্ন হয়নি। এসব ঘটনাস্থলের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া অভিযুক্ত অনেক পুলিশ কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এখনও গ্রেফতার হননি। অনেকে সরকারি দায়িত্বে বহাল রয়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, দেশের ৬৪ জেলার ৬১ জেলায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু ঢাকা, রংপুর ও কুষ্টিয়া জেলার বাইরে সংঘটিত বহু ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম এখনও শেষ হয়নি। হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগসহ সহযোগী বা অঙ্গসংগঠনের অনেক চিহ্নিত ব্যক্তিকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। ফলে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এছাড়া গুম-খুন, লাশ গোপন বা ধ্বংস করার অভিযোগে জড়িতদের সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তবে এ ধরনের তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে অস্বাভাবিক ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এজন্য বিচারপ্রার্থী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে ন্যায়বিচার নিয়ে উদ্বেগ ও শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।