ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মারামারির পরও পারেদেসের শাস্তি চান না স্পেনের তরুণ তারকা গাভি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

নিউইয়র্কে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের বাঁশি বাজতেই ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। মাঠে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের খেলোয়াড়রা সরাসরি সংঘাত ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সূত্রপাত আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মাধ্যমে হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

স্প্যানিশ মিডফিল্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারা, তার গলা চেপে ধরা এবং তরুণ তারকা গাভিকে আছড়ে মাটিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে।

এই উসকানিমূলক আচরণের জন্য ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তির ঘোষণা দেয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পারেদেসকে অন্তত ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। তবে স্প্যানিশ তরুণ ফুটবলার গাভি চান না যে এই ঘটনার কারণে পারেদেসকে নিষিদ্ধ বা বহিষ্কার করা হোক।

উত্তর আমেরিকা থেকে নিজ দেশে ফেরার পর স্প্যানিশ ক্রীড়া মাধ্যম ‘এল পার্তিদাসো দে কোপ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গাভি বলেন, ‘না, সততার সঙ্গে বলতে গেলে আমি মনে করি না যে তাকে (লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস) বহিষ্কার করা উচিত।

আমি বুঝি যে এটি ছোট বাচ্চাদের জন্য খুব ভালো কোনো বার্তা বা ছবি নয়, তবে ফুটবলে এমন শারীরিক সংঘাত এবং কিছুটা আক্রমণাত্মক দিক থাকেই। যুক্তিযুক্ত কাজ হতো যদি ম্যাচ চলার সময়েই তাকে লাল কার্ড দেওয়া হতো, ব্যস ওটুকুই। শেষ পর্যন্ত তো এটা ফুটবল, আর আমি মনে করি এটি এমনই থাকা উচিত।’

প্রসঙ্গত, নিউইয়র্কের ফাইনালে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের করা এক দুর্দান্ত গোলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় স্পেন। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে ‘লা রোখা’রা।

ম্যাচজুড়ে দুই দলের তীব্র উত্তাপ টের পাওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনা ৬টি হলুদ কার্ড পায় এবং শৃঙ্খলার চরম ঘাটতি দেখা যায়।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের এই শত্রুতা রীতিমতো সংঘর্ষে রূপ নেয়, যখন পারেদেস সরাসরি এরিক গার্সিয়া ও গাভির মুখোমুখি হন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই বাকবিতণ্ডা উভয় দলের খেলোয়াড়, বেঞ্চের বদলি সদস্য এবং টেকনিক্যাল স্টাফদের মাঝে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরবর্তীতে ম্যাচ অফিশিয়াল ও অন্যান্য ফুটবলাররা তাদের শান্ত করেন।

ঘটনার পরপরই রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ সহিংস আচরণের জন্য পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ফিফা সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন বা ‘মুছে’ দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার কমেন্টেটর ডেটা সিস্টেমে ভুলবশত পারেদেসের লাল কার্ডের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

ফিফার পক্ষ থেকে বিবিসি স্পোর্টসকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, ‘ভুলটি খুব দ্রুতই সংশোধন করা হয়েছিল।’ অর্থাৎ, সেসময় তৎক্ষণাৎ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তিমূলক লাল কার্ড দেখানো হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মারামারির পরও পারেদেসের শাস্তি চান না স্পেনের তরুণ তারকা গাভি

আপডেট সময় ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

নিউইয়র্কে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের বাঁশি বাজতেই ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। মাঠে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের খেলোয়াড়রা সরাসরি সংঘাত ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সূত্রপাত আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মাধ্যমে হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

স্প্যানিশ মিডফিল্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারা, তার গলা চেপে ধরা এবং তরুণ তারকা গাভিকে আছড়ে মাটিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে।

এই উসকানিমূলক আচরণের জন্য ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তির ঘোষণা দেয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পারেদেসকে অন্তত ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। তবে স্প্যানিশ তরুণ ফুটবলার গাভি চান না যে এই ঘটনার কারণে পারেদেসকে নিষিদ্ধ বা বহিষ্কার করা হোক।

উত্তর আমেরিকা থেকে নিজ দেশে ফেরার পর স্প্যানিশ ক্রীড়া মাধ্যম ‘এল পার্তিদাসো দে কোপ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গাভি বলেন, ‘না, সততার সঙ্গে বলতে গেলে আমি মনে করি না যে তাকে (লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস) বহিষ্কার করা উচিত।

আমি বুঝি যে এটি ছোট বাচ্চাদের জন্য খুব ভালো কোনো বার্তা বা ছবি নয়, তবে ফুটবলে এমন শারীরিক সংঘাত এবং কিছুটা আক্রমণাত্মক দিক থাকেই। যুক্তিযুক্ত কাজ হতো যদি ম্যাচ চলার সময়েই তাকে লাল কার্ড দেওয়া হতো, ব্যস ওটুকুই। শেষ পর্যন্ত তো এটা ফুটবল, আর আমি মনে করি এটি এমনই থাকা উচিত।’

প্রসঙ্গত, নিউইয়র্কের ফাইনালে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের করা এক দুর্দান্ত গোলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় স্পেন। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে ‘লা রোখা’রা।

ম্যাচজুড়ে দুই দলের তীব্র উত্তাপ টের পাওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনা ৬টি হলুদ কার্ড পায় এবং শৃঙ্খলার চরম ঘাটতি দেখা যায়।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের এই শত্রুতা রীতিমতো সংঘর্ষে রূপ নেয়, যখন পারেদেস সরাসরি এরিক গার্সিয়া ও গাভির মুখোমুখি হন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই বাকবিতণ্ডা উভয় দলের খেলোয়াড়, বেঞ্চের বদলি সদস্য এবং টেকনিক্যাল স্টাফদের মাঝে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরবর্তীতে ম্যাচ অফিশিয়াল ও অন্যান্য ফুটবলাররা তাদের শান্ত করেন।

ঘটনার পরপরই রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ সহিংস আচরণের জন্য পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ফিফা সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন বা ‘মুছে’ দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার কমেন্টেটর ডেটা সিস্টেমে ভুলবশত পারেদেসের লাল কার্ডের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

ফিফার পক্ষ থেকে বিবিসি স্পোর্টসকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, ‘ভুলটি খুব দ্রুতই সংশোধন করা হয়েছিল।’ অর্থাৎ, সেসময় তৎক্ষণাৎ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তিমূলক লাল কার্ড দেখানো হয়নি।