ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি ও হুমকিসংবলিত চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগীর স্ত্রীর মালিকানাধীন। ভৈরবের এসএ পরিবহন শাখা থেকে পাঠানো পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়। প্রাপক হিসেবে ছিল পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুকের নাম ও তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর।

ওইদিন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান দুপুরে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। পরে বাসায় খুলে দেখা যায়, ভেতরে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, একটি গোলাপ জল, একটি আগরবাতি এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট রয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।’

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, আমি চার বছরের বেশি সময় ধরে সততা ও নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে প্রশ্রয় দিইনি। সরকারি বিধি রক্ষায় আমাকে সবসময় কঠোর অবস্থান নিতে হয়েছে। ধারণা করছি, কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কারণে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র এ ধরনের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার মানসিকভাবে আতঙ্কিত।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। পার্সেলের প্রেরক ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে দায়ীদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি

আপডেট সময় ০৫:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি ও হুমকিসংবলিত চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগীর স্ত্রীর মালিকানাধীন। ভৈরবের এসএ পরিবহন শাখা থেকে পাঠানো পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়। প্রাপক হিসেবে ছিল পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুকের নাম ও তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর।

ওইদিন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান দুপুরে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। পরে বাসায় খুলে দেখা যায়, ভেতরে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, একটি গোলাপ জল, একটি আগরবাতি এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট রয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।’

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, আমি চার বছরের বেশি সময় ধরে সততা ও নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে প্রশ্রয় দিইনি। সরকারি বিধি রক্ষায় আমাকে সবসময় কঠোর অবস্থান নিতে হয়েছে। ধারণা করছি, কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কারণে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র এ ধরনের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার মানসিকভাবে আতঙ্কিত।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। পার্সেলের প্রেরক ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে দায়ীদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।