ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ মোদি-শাহ’র পদত্যাগ দাবি রাহুল গান্ধীর শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সরোয়ার তুষার বিএনপি সরকার হাওয়ায় ভেসে আসেনি: আযম খান ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ যেকোনো দুর্যোগে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: জুবাইদা রহমান নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর ভাইরাল ভিডিওর নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি জামায়াত এমপির প্রবাসী কার্ডধারীদের ভূমি সেবা সহজ করতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি ও হুমকিসংবলিত চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগীর স্ত্রীর মালিকানাধীন। ভৈরবের এসএ পরিবহন শাখা থেকে পাঠানো পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়। প্রাপক হিসেবে ছিল পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুকের নাম ও তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর।

ওইদিন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান দুপুরে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। পরে বাসায় খুলে দেখা যায়, ভেতরে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, একটি গোলাপ জল, একটি আগরবাতি এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট রয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।’

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, আমি চার বছরের বেশি সময় ধরে সততা ও নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে প্রশ্রয় দিইনি। সরকারি বিধি রক্ষায় আমাকে সবসময় কঠোর অবস্থান নিতে হয়েছে। ধারণা করছি, কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কারণে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র এ ধরনের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার মানসিকভাবে আতঙ্কিত।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। পার্সেলের প্রেরক ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে দায়ীদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি

আপডেট সময় ০৫:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি ও হুমকিসংবলিত চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগীর স্ত্রীর মালিকানাধীন। ভৈরবের এসএ পরিবহন শাখা থেকে পাঠানো পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়। প্রাপক হিসেবে ছিল পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুকের নাম ও তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর।

ওইদিন দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান দুপুরে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। পরে বাসায় খুলে দেখা যায়, ভেতরে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, একটি গোলাপ জল, একটি আগরবাতি এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট রয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।’

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, আমি চার বছরের বেশি সময় ধরে সততা ও নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে প্রশ্রয় দিইনি। সরকারি বিধি রক্ষায় আমাকে সবসময় কঠোর অবস্থান নিতে হয়েছে। ধারণা করছি, কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের কারণে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র এ ধরনের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার মানসিকভাবে আতঙ্কিত।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। পার্সেলের প্রেরক ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে দায়ীদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।