ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যেকোনো দুর্যোগে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: জুবাইদা রহমান নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর ভাইরাল ভিডিওর নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি জামায়াত এমপির প্রবাসী কার্ডধারীদের ভূমি সেবা সহজ করতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৮ রাজধানীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মুন্সীগঞ্জে চাচাতো ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার

ডিএসইর ৮৯% লেনদেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের শেয়ারবাজারের গতকাল রোববার দুই-তৃতীয়াংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। এতে প্রধান সূচকের পতন হয়েছে পৌনে ১ শতাংশ। শেয়ারদরের নিম্নমুখী ধারায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বিক্রির তুলনায় কিনেছেন বেশি। বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক, ব্রোকার ডিলার এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করেছেন বেশি।

ডিএসইতে এক হাজার ৭০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। ক্রয় বিবেচনায় এ লেনদেনে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অংশ ছিল ৮৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর বিক্রি বিবেচনায় ৮৮ দশমিক ২৫ শতাংশ ছিল তাদের। অন্যদিকে মোট লেনদেনে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার কিনেছেন। বিক্রিতে তাদের অংশ ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। ব্রোকার ডিলার অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রয় ছিল মোট লেনদেনের ১ দশমিক ৩২ শতাংশ, বিক্রির ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার কেনাবেচায় শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ ছিল ক্রয়, বিক্রি ছিল শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ।

টানা বৃদ্ধির পর কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে বাজারে। গতকাল ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ২১৫ কোম্পানির শেয়ার বা মোটের ৬৬ শতাংশের দর কমেছে। বেড়েছে ৭৪ কোম্পানির শেয়ারদর। এতে ডিএসইএক্স ৪৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৮৫৫ পয়েন্টে নেমেছে। গত বৃহস্পতিবারও ৬০ শতাংশের বেশি শেয়ার দর হারিয়েছিল।

ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তারা দরহ্রাসের এ প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন তারা। এর ব্যাখ্যায় তারা বলেন, গত ১৮ মের পর ডিএসইএক্স সূচক ৫২০৩ পয়েন্ট থেকে টানা প্রায় ৭৫০ পয়েন্ট বেড়ে গত বুধবার সর্বোচ্চ ৫৯৬৬ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। এ সময়ে অনেক শেয়ারের দর গত এক বছরের সর্বোচ্চে উন্নীত হয়েছে, এমনকি দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। ফলে কেউ কেউ শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা নিচ্ছেন। বিক্রির চাপে শেয়ারদর কমছে। এটাই শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা।

এমন বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্রয় বেশি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর বিক্রি বেশির কারণ ব্যাখ্যায় কর্মকর্তারা বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নিজেদের সিদ্ধান্তের তুলনায় অন্যের দেখাদেখি শেয়ার কেনাবেচা করেন বেশি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এর বিপরীত। ‘ফান্ডামেন্টাল’ ও অন্যান্য ইস্যু বিবেচনায় বিনিয়োগকৃত শেয়ারে যথেষ্ট মুনাফা পেয়ে মুনাফা নেওয়া স্বাভাবিক প্রবণতা।

ডিএসইতে ৭৭ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির বিপরীতে ২৩৫টির দর কমেছে, অপরিবর্তিত ৪১টির দর। দর পতনের মধ্যেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের দরও ছিল ঊর্ধ্বমুখী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ডিএসইর ৮৯% লেনদেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর

আপডেট সময় ১১:২০:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের শেয়ারবাজারের গতকাল রোববার দুই-তৃতীয়াংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। এতে প্রধান সূচকের পতন হয়েছে পৌনে ১ শতাংশ। শেয়ারদরের নিম্নমুখী ধারায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বিক্রির তুলনায় কিনেছেন বেশি। বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক, ব্রোকার ডিলার এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করেছেন বেশি।

ডিএসইতে এক হাজার ৭০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। ক্রয় বিবেচনায় এ লেনদেনে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অংশ ছিল ৮৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর বিক্রি বিবেচনায় ৮৮ দশমিক ২৫ শতাংশ ছিল তাদের। অন্যদিকে মোট লেনদেনে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার কিনেছেন। বিক্রিতে তাদের অংশ ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। ব্রোকার ডিলার অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রয় ছিল মোট লেনদেনের ১ দশমিক ৩২ শতাংশ, বিক্রির ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার কেনাবেচায় শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ ছিল ক্রয়, বিক্রি ছিল শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ।

টানা বৃদ্ধির পর কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে বাজারে। গতকাল ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ২১৫ কোম্পানির শেয়ার বা মোটের ৬৬ শতাংশের দর কমেছে। বেড়েছে ৭৪ কোম্পানির শেয়ারদর। এতে ডিএসইএক্স ৪৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৮৫৫ পয়েন্টে নেমেছে। গত বৃহস্পতিবারও ৬০ শতাংশের বেশি শেয়ার দর হারিয়েছিল।

ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তারা দরহ্রাসের এ প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন তারা। এর ব্যাখ্যায় তারা বলেন, গত ১৮ মের পর ডিএসইএক্স সূচক ৫২০৩ পয়েন্ট থেকে টানা প্রায় ৭৫০ পয়েন্ট বেড়ে গত বুধবার সর্বোচ্চ ৫৯৬৬ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। এ সময়ে অনেক শেয়ারের দর গত এক বছরের সর্বোচ্চে উন্নীত হয়েছে, এমনকি দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। ফলে কেউ কেউ শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা নিচ্ছেন। বিক্রির চাপে শেয়ারদর কমছে। এটাই শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা।

এমন বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্রয় বেশি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর বিক্রি বেশির কারণ ব্যাখ্যায় কর্মকর্তারা বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নিজেদের সিদ্ধান্তের তুলনায় অন্যের দেখাদেখি শেয়ার কেনাবেচা করেন বেশি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এর বিপরীত। ‘ফান্ডামেন্টাল’ ও অন্যান্য ইস্যু বিবেচনায় বিনিয়োগকৃত শেয়ারে যথেষ্ট মুনাফা পেয়ে মুনাফা নেওয়া স্বাভাবিক প্রবণতা।

ডিএসইতে ৭৭ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির বিপরীতে ২৩৫টির দর কমেছে, অপরিবর্তিত ৪১টির দর। দর পতনের মধ্যেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের দরও ছিল ঊর্ধ্বমুখী।