ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতার মধ্যে না থাকলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে : রিজভী

যুদ্ধবিরতির সুযোগে ৬০০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি ইরানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সুযোগে প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছে ইরান। যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি ডলার। তবে সেই যুদ্ধবিরতি এখন কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। নতুন করে হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। আর জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত ও একজন নিখোঁজ রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বেসরকারি সংস্থা ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করতে সক্ষম হয়। জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ে ইরানের প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার এশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়।

গত ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল একটি নথি প্রকাশ করে। তাতে দেখা যায়, ইরানের তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রির জন্য একটি সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ৭ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জুনে জারি করা সেই সাধারণ লাইসেন্স বাতিল করে। লাইসেন্সটি ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল।

এদিকে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা, রিফুয়েলিং বিমান এবং এফ-১৬ ও স্টেলথ এ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, জার্মানির স্পাংডাহলেম বিমানঘাঁটি থেকে এফ-১৬ এবং ব্রিটেন থেকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এসব বিমান প্রয়োজনে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহায়তা করা রাডার ধ্বংসের মিশনেও অংশ নিতে পারে।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা সতর্কতাও প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং যেকোনও সময় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন

যুদ্ধবিরতির সুযোগে ৬০০ কোটি ডলারের তেল বিক্রি ইরানের

আপডেট সময় ০৪:১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সুযোগে প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছে ইরান। যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি ডলার। তবে সেই যুদ্ধবিরতি এখন কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। নতুন করে হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। আর জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত ও একজন নিখোঁজ রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বেসরকারি সংস্থা ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করতে সক্ষম হয়। জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ে ইরানের প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার এশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়।

গত ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল একটি নথি প্রকাশ করে। তাতে দেখা যায়, ইরানের তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রির জন্য একটি সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ৭ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জুনে জারি করা সেই সাধারণ লাইসেন্স বাতিল করে। লাইসেন্সটি ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল।

এদিকে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা, রিফুয়েলিং বিমান এবং এফ-১৬ ও স্টেলথ এ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, জার্মানির স্পাংডাহলেম বিমানঘাঁটি থেকে এফ-১৬ এবং ব্রিটেন থেকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এসব বিমান প্রয়োজনে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহায়তা করা রাডার ধ্বংসের মিশনেও অংশ নিতে পারে।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা সতর্কতাও প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং যেকোনও সময় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।