ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্পেনকে হারিয়ে ৮৮ বছরের রেকর্ড ছুঁতে চায় ফ্রান্স

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন ফ্রান্স। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট, প্রতিটি ধাপেই দাপট দেখিয়ে এগিয়ে চলেছে তারা। এবার তাদের সামনে আরও একটি বড় অর্জনের হাতছানি। সেমিফাইনালে স্পেনকে হারাতে পারলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইতালির ৮৮ বছর ধরে অক্ষত থাকা এক অনন্য রেকর্ডে ভাগ বসাবে লে ব্লুজরা।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয়টি ম্যাচ খেলেছে ফ্রান্স, আর প্রতিটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে দিদিয়ের দেশমের দল। সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে সপ্তম ম্যাচেও জয় তুলে নিতে পারলে বিশ্বকাপের এক আসরে টানা সাত জয়ের রেকর্ড গড়বে তারা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে টানা সাত ম্যাচ জয়ের কীর্তি এখন পর্যন্ত শুধু একটি ইউরোপীয় দলের দখলে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচ জিতে এই রেকর্ড গড়েছিল ইতালি।

১৯৩৪ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ ড্র হয়েছিল ইতালির। তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী রিপ্লে ম্যাচে স্পেনকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয়যাত্রা শুরু করে আজ্জুরিরা। এরপর সেমিফাইনালে অস্ট্রিয়া এবং ফাইনালে চেকোস্লোভাকিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে ইতালি।

এরপর ১৯৩৮ বিশ্বকাপেও নিজেদের প্রথম চার ম্যাচে জয় তুলে নেয় ইতালি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে তারা টানা সাত জয়ের অনন্য রেকর্ড গড়ে, যা এরপর দীর্ঘ ৮৮ বছর ধরে কোনো ইউরোপীয় দল স্পর্শ করতে পারেনি।

এর মধ্যে ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দল বিশ্বকাপ জিতলেও এক আসরে টানা সাত ম্যাচ জয়ের নজির গড়তে পারেনি কেউ। এবার সেই সুযোগ এসেছে ফ্রান্সের সামনে।

এমবাপ্পে, দেম্বেলে ও সতীর্থরা যদি স্পেনের বাধা পেরোতে পারে, তাহলে ইতালির সঙ্গে একই কাতারে উঠে আসবে ফ্রান্স। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজেদের নাম লেখাবে নতুন এক রেকর্ডের পাতায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

স্পেনকে হারিয়ে ৮৮ বছরের রেকর্ড ছুঁতে চায় ফ্রান্স

আপডেট সময় ০৮:২০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন ফ্রান্স। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট, প্রতিটি ধাপেই দাপট দেখিয়ে এগিয়ে চলেছে তারা। এবার তাদের সামনে আরও একটি বড় অর্জনের হাতছানি। সেমিফাইনালে স্পেনকে হারাতে পারলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইতালির ৮৮ বছর ধরে অক্ষত থাকা এক অনন্য রেকর্ডে ভাগ বসাবে লে ব্লুজরা।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয়টি ম্যাচ খেলেছে ফ্রান্স, আর প্রতিটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে দিদিয়ের দেশমের দল। সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে সপ্তম ম্যাচেও জয় তুলে নিতে পারলে বিশ্বকাপের এক আসরে টানা সাত জয়ের রেকর্ড গড়বে তারা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে টানা সাত ম্যাচ জয়ের কীর্তি এখন পর্যন্ত শুধু একটি ইউরোপীয় দলের দখলে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচ জিতে এই রেকর্ড গড়েছিল ইতালি।

১৯৩৪ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ ড্র হয়েছিল ইতালির। তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী রিপ্লে ম্যাচে স্পেনকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয়যাত্রা শুরু করে আজ্জুরিরা। এরপর সেমিফাইনালে অস্ট্রিয়া এবং ফাইনালে চেকোস্লোভাকিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে ইতালি।

এরপর ১৯৩৮ বিশ্বকাপেও নিজেদের প্রথম চার ম্যাচে জয় তুলে নেয় ইতালি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে তারা টানা সাত জয়ের অনন্য রেকর্ড গড়ে, যা এরপর দীর্ঘ ৮৮ বছর ধরে কোনো ইউরোপীয় দল স্পর্শ করতে পারেনি।

এর মধ্যে ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দল বিশ্বকাপ জিতলেও এক আসরে টানা সাত ম্যাচ জয়ের নজির গড়তে পারেনি কেউ। এবার সেই সুযোগ এসেছে ফ্রান্সের সামনে।

এমবাপ্পে, দেম্বেলে ও সতীর্থরা যদি স্পেনের বাধা পেরোতে পারে, তাহলে ইতালির সঙ্গে একই কাতারে উঠে আসবে ফ্রান্স। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজেদের নাম লেখাবে নতুন এক রেকর্ডের পাতায়।